Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    পরিমল ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প984 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – ১.২

    ১.২

    ছোটোবেলায় মায়ের সঙ্গে বাপ্পার সাতগাঁ যাওয়াটা ছিল কোনো-না-কোনো মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত। এবং সেটা সাধারণত ঘটত শীতকালে। রথীনের পরিবার –কলকাতায় পরিবারের যে অংশটাকে সে দেখতে পেত—যদি হয় যৌবনের প্রাচুর্যে ভরা, তাহলে সাতগাঁয় শিউলির পরিবার ছিল বার্ধক্যে আচ্ছন্ন। অন্তত সেই বয়সে বাপ্পার তেমনই মনে হতো। শীতকালে শুকনো পাতা ঝরার মতো সেখানে আত্মীয়বিয়োগ ঘটত। টেলিফোন বেজে উঠত ভোররাতে। স্তব্ধ প্রহরে দমকলের ঘন্টির মতো সেই আওয়াজে প্রথম বিছানা ছেড়ে উঠত রথীন।

    ‘শিউলি, সাতগাঁ থেকে!’ রিসিভারটা স্ত্রীর হাতে দিয়ে নীচু স্বরে ‘বুড়িপিসিমা, শ্বাস উঠেছে!’

    ‘হ্যাঁ হ্যাঁ, আমরা আসছি। ঘাটে নিয়ে যাবার আগেই ঠিক পৌঁছে যাব।’–বলে শিউলি রিসিভারটা নামিয়ে রাখল ধীরে ধীরে, যেন ঘুমন্ত সরীসৃপ। বাপ্পা লেপের ফাঁক দিয়ে ঘুমজড়ানো চোখে দেখছে সেই দৃশ্য। রথীন ছোট্ট হাই তুলে ঠোঁটে তর্জনীর টোকা মেরে বলল–‘বুড়ির আর কতবার শেষ শ্বাস উঠবে, শিউলি?’

    ওর দিকে আহত দৃষ্টি হেনে শিউলি ঘন কোঁকড়ানো চুলের গোছা দুহাতে মাথার পেছনে তুলে গিঁট বাঁধল একটা। অস্ফুটে বলল–‘এবার ওরা অন্তর্জলীযাত্রার বন্দোবস্ত করছে!’

    ততদিনে অন্তর্জলীযাত্রা ব্যাপারটা কী বাপ্পা জেনে গিয়েছে, এবং যত তাড়াতাড়ি সে নিজেই হাতমুখ ধুয়ে জামাকাপড় পরে তৈরি হতে শিখেছে, তার চেয়েও দ্রুত শিউলি গুছিয়ে নিয়েছে সেই কালো-বাদামি চৌখুপি চামড়ার ব্যাগটা, যেটা সাতগাঁ যাবার সময়ে ওদের সঙ্গে যেত। এবং টেবিলে এনামেলের বাটিতে বাপ্পার জন্য প্রস্তুত ধূমায়িত ফেনা ভাত, তাতে ভাসমান পলসনের মাখন এক খাবলা।

    ‘তুমি কি পরে একবার আসবে?’ দ্রুত পায়ে সিঁড়ি দিয়ে গলিতে নামতে নামতে শিউলি জিজ্ঞেস করত রথীনকে। উত্তরের অপেক্ষা করত না, কারণ উত্তরটা শিউলি জানত। এবং শিউলি যে জানে সেটাও রথীন জানত। ভোরের বেফাঁস মন্তব্যের পর কন্ঠস্বরে কিছু বাড়তি অসহায়তা এনে সে আওড়াতো, ‘কী করে যাব শিউলি, জানোই তো বছরের এই সময়টা অফিসে কত কাজ জমে থাকে।’

    ‘আমি যেদিন মরব সেদিনও তোর বাবা অফিস করবে, দেখিস!’ শিউলি একবার ঠাট্টা করে বলেছিল বাপ্পাকে, এবং অদ্ভুতভাবে সেটা সত্যিও হয়, যদিও শিউলি যা বলতে চাইছিল ঠিক সেভাবে নয়। তবে সে অনেককাল পরের কথা, মি’লেডি।

    বাপ্পার ছোটোবেলায় সেইসব শীতের ভোরে রথীন ওদের গলির মুখে ট্রামের স্টপ পর্যন্ত এগিয়ে দিতে আসত। বাপ্পাকে পাদানিতে তুলে দিয়ে চুলে আলতো বিলি কেটে দিত আর শিউলির দিকে ফিরে হাত নাড়ত। বাপ্পা চলন্ত ট্রামের জানলা দিয়ে দেখছে ঘুমন্ত শহরটা জাগছে, সারি সারি শাটার-নামানো দোকানের মাথায় সাইনবোর্ডে ছবি দেখে কীসের দোকান মনে মনে আন্দাজ পাবার চেষ্টা করছে, দেখছে চায়ের দোকানের সামনে গুটিশুটি মানুষের ভিড়, দুহাতে অঞ্জলির মতো ধরা মাটির ভাঁড় থেকে ধোঁয়া উঠছে, দেখছে গঙ্গার দিক থেকে স্নানার্থীর দল ভিজে কাপড়ে ফিরছে, তাদের কম্পিত ঠোঁটনিঃসৃত প্রার্থনা শীতবাস্প হয়ে উঠছে কমিকস বইয়ে কথার বুদবুদের মতো। তারপর যখন ট্রামগাড়িটা হ্যারিসন রোড থেকে বাঁক নিয়ে কুয়াশায় মুড়িঝুড়ি ঘুমন্ত নদীর ওপরে উঠে পড়বে, হাওড়া ব্রিজের অতিকায় ক্যান্টিলিভারে গম্ভীর কাড়া-নাকাড়া বেজে উঠবে কুম্ভকর্ণের নিদ্রাভঙ্গের মতো।

    হাওড়া স্টেশন থেকে হলদে-সবুজ লোকাল ট্রেনে চেপে একঘন্টায় বন্দর- হুগলি জংশন, সেখান থেকে গাড়ি বদল করতে হয়। সাতগাঁ যাত্রার সবচেয়ে আকর্ষণীয় পর্বটা শুরু হয় এখান থেকেই। স্টেশনের উত্তর প্রান্তে প্ল্যাটফর্ম যেখানে ঢালু হয়ে রেলের লাইনে মিশেছে, তার ডানদিকে রয়েছে নীচু লাল টালির ছাউনি। একটি ন্যারোগেজ রেলের লাইন বেঁকে গিয়েছে সবুজ গাছগাছালির ভেতর। ছাউনির নীচে দাঁড়িয়ে একটি ছোট্ট খেলনা রেলগাড়ি–বোতল-সবুজ রঙে সোনালি ট্রিমিং দেওয়া তিনটি কামরা আর একটি লাল-কালো ইঞ্জিন, তার বয়লারের গায়ে খোদাই করা–W.G. Bagnall and Company, Stafford। চিমনিটি ফানেলের আকারের, আর বয়লারের মুখের সামনে সাদা রঙের কাউক্যাচারের জাল–দেখলেই বাপ্পার মনে হতো ইঞ্জিনটা দাঁত বের করে হাসছে।

    ক্ষুদে ডেল্টা ক্লাস ইঞ্জিনটি ইংল্যান্ডের স্ট্যাফোর্ড শহরে তৈরি হয়েছিল মিশরে পিরামিডের গর্ভ থেকে প্রত্ন ধনরত্ন নীল নদের উপত্যকা দিয়ে বন্দরে টেনে আনার জন্য। অনেক পরে ঔপনিবেশিক ব্যবস্থাপনার বিচিত্র খামখেয়ালে এটি বাংলার মার্টিন্‌স ফিডার রেলওয়ে কোম্পানির হাতে আসে। একটিই ট্রেন সারাদিনে আট বার বন্দর-হুগলি থেকে সাতগাঁ এগারো মাইল পথ আসা-যাওয়া করত, হুগলি আর সরস্বতী নদীর মাঝে মাছের আকারের ভূমির পৃচ্ছ থেকে মাথা পর্যন্ত, যেখানে এসে গঙ্গা মুক্তবেণী হয়েছে।

    বন্দর-হুগলিতে গাড়ি বদলের সময়টা খুব অল্প, আর একবার মার্টিন্‌স কোম্পানির ছোটো গাড়ি ছেড়ে গেলে পরের গাড়ির জন্য প্রায় দুই ঘন্টার অপেক্ষা। ততক্ষণে হয়তো মৃতের অন্ত্যেষ্টিকর্ম হয়ে যাবে। তাই প্ল্যাটফর্মে নেমেই শুরু হবে মা-ছেলের বিপজ্জনক অ্যাডভেঞ্চার। শিউলি বাপ্পার হাতটা বগলের কাছে খামচে ধরবে, আর তারপর দুজনে ছুট-ছুট-ছুট সময় বাঁচাতে দুটি স্টেশনের সংযোগকারী ফুটব্রিজ এড়িয়ে, প্ল্যাটফর্মের প্রান্তে ঢালু দিয়ে নেমে নুড়িপাথরের বিছানায় লাইনের গুচ্ছ পেরিয়ে নীচু টালির ছাউনিটার দিকে দে-ছুট। শীত সকালের আলোয় ইস্পাতের লাইনগুলো চিকচিক করছে ব্লেডের মতো, সিগন্যাল পোস্টে রক্তলাল চক্ষু মটমট করছে, লাল-কালো ইঞ্জিনটা বুক ভরে বাস্প নিয়ে দমবন্ধ করে দেখছে, হুইসিলের লিভারে হাত রেখে নীল উর্দিপরা, মাথায় নীল ফেট্টি-বাঁধা লোকো ড্রাইভার দেখছে, ধবধবে সাদা কোট-প্যান্টালুন পরা গার্ডসাহেব সবুজ পতাকা হাতে উৎকণ্ঠাভরে দেখছে, এক বেপরোয়া নারী ও এক ছোট্ট বালক একের পর এক রেললাইন পার হয়ে ছুটে আসছে। ওরা কামরায় উঠে পড়তেই হুইসিল বেজে উঠবে, ঝাঁকুনি দিয়ে চলতে শুরু করবে ট্রেনটা।

    ‘আমায় ছুঁয়ে দিব্যি কাট বাবাকে কক্ষনো লাইন পেরোনোর কথা বলবি না!’ শিউলি দম নিতে নিতে বলবে।

    বাপ্পা, তখনও মায়ের বজ্রমুঠিতে ধরা, বলবে–‘দিব্‌বি কাটছি মা কক্‌খুনো বলব না!’

    উপহারের বাক্স যেমন রঙীন রিবনে বাঁধা থাকে, সেভাবেই বাপ্পার ছেলেবেলার সাতগাঁ বাঁধা ছিল গুচ্ছ গুচ্ছ দিব্যিতে। ‘আমায় ছুঁয়ে দিব্যি কাট…’–লুকিয়ে হেঁশেল থেকে খাবার চুরি করে ছোটো ভাইয়ের সঙ্গে ভাগ করে নিতে নিতে দিদিরা যেমন করে বলে, অনেকটা সেই ভঙ্গিতেই বলত শিউলি। বাপ্পাও চিরবাধ্য ছেলের মতো দিব্যি কাটত। মামাবাড়ির লোকজনের মাঝে থাকলে শিউলি মুখ ফুটে কিছু বলত না, শুধু ছেলের মাথায় আলতো করে হাত ছুঁইয়ে বিশেষ ভঙ্গিতে তাকাতো। সেই ছোট্ট বয়সেই বাপ্পা শিখে গিয়েছে কোন স্মৃতি মনের কোন খোপে রাখতে হয়, কোন খোপটা কলকাতার আর কোনটা সাতগাঁর। এ যেন দুটি ভিন্ন দেশে দ্বিনাগরিকত্ব, দিব্যিগুলো ছিল যাতায়াতের পাসপোর্ট।

    .

    মি’লেডি, সাতগাঁর জন্মের পঞ্জীকরণ হয়নি। এই সংক্রান্ত কোনো নথি কোথাও নেই। তবে সবাই জানে তার জন্মদাতা কনৌজের রাজা প্রিয়বন্তের সাত পুত্র। তাঁরা ছিলেন পৌরাণিক হিপি। রাজপ্রাসাদের বিলাসব্যসনে হাঁপিয়ে উঠে একদিন সাত ভাই গৃহদেবতা রামের বিগ্রহ নিয়ে সাত ময়ূরপঙ্খীতে ভেসে পড়ল গঙ্গায়। তারপর অনেক কুজ্ঝটিকাময় অরণ্য, অনেক রৌদ্রচুম্বিত উপত্যকা, বণিক ও তীর্থযাত্রীতে মুখরিত অনেকানেক জনপদ পেরিয়ে ভাসতে ভাসতে এসে পড়ল পুবের এই বঙ্গদেশে। এ ছিল ত্যাজ্যভূমি। যযাতি তাঁর তৃতীয় পুত্র দ্রুহুকে এখানে নির্বাসন দেন। আর্যাবর্তের কেউ বঙ্গের মাটিতে পা রাখলে স্বদেশে ফিরে প্রায়শ্চিত্তকর্মের প্রথা ছিল। কিন্তু সাত রাজপুত্র ভেসে এসেছিল পবিত্র গঙ্গাবক্ষে। রাজমহল পাহাড় পেছনে ফেলে ক্রমশ দক্ষিণে ভেসে আসতে আসতে দুপাড়ে মাইল মাইল সবুজ পলিমাতৃক ভূমি আর মিঠে দখিনা বাতাসে তাদের চিত্ত চঞ্চল হল, ময়ূরপঙ্খীর রেশমি পালগুলো ব্যাগপাইপের মতো ফুলে উঠে তাদের হৃদয়ে বেজে উঠল অশ্ৰুত সঙ্গীত, মখমল তৃণভূমিতে শরত মেঘের মতো সাদা গাভীর দুধ আর জুঁইয়ের পাপড়ির মতো ভাত আস্বাদন করে জিভে সুপ্ত স্বাদকোরকগুলি ফের জেগে উঠল। এক অপরাহ্ণে তারা এসে পড়ল সেখানে, যেখানে গঙ্গা মুক্তবেণী হয়েছে ত্রিধারায়। গঙ্গার দুই শাখা ভাগীরথী আর সরস্বতীর মাঝে পলি জমে জমে সৃষ্টি হয়েছে এক আশ্চর্য মৎস্যাকৃতি ভূখন্ড–মহীরুহে ছাওয়া, পাখির কলকাকলিতে মুখরিত, পত্রপল্লবের ফাঁক দিয়ে আসা সূর্যের রশ্মিতে ছোপানো চিত্রল হরিণ দলে উষ্ণ সজীব এক বনাঞ্চল।

    তারা ঠিক কীসের সন্ধান করছিল, কীসের খোঁজে তারা রাজপ্রাসাদের বিলাসব্যসন ছেড়ে বেরিয়ে পড়েছিল, সেই অনির্বচনীয় রহস্য সাত রাজপুত্র আবিষ্কার করল একযোগে। একটিও বাক্যবিনিময় হলো না, সাত ভাই পরস্পরের দিকে চাইল কেবল। তীরে এসে ভিড়ল সাত তরী।

    এখানে বাস করে বঙ নামে এক প্রোটো-দ্রাবিড়ীয় জনজাতি। তাদের দেবতার নামও বঙ, কিংবা বোঙা। রাজপুত্রেরা দেখল, এই বঙরা মোটেই হিংস্র বৈরী স্বভাবের নয়, যেমনটা তারা জেনেছিল। ওদের মুখমন্ডলে তিনটি চোখ বা পায়ে ক্ষবও নেই যেমনটা পরিব্রাজকেরা লিখেছিল। এক শান্তিপ্রিয় জাতি, যারা নরম ভাষায় কথা বলে, সরিষার তেলে রান্না করে, গোড়ালিমুক্ত চটি পরে, আর অঙ্গে জড়ায় সেলাইবিহীন এক ধরনের বস্ত্র, যা পালকের মতো হালকা আর কুয়াশার মতো অর্ধস্বচ্ছ। তারা সাত রাজপুত্রের জন্য সরস্বতীর পাড়ে শুকনো পাতা আর ডালপালা দিয়ে সাতটি আশ্রম বানিয়ে দিল, তাদের দেবতা রামের প্রস্তর বিগ্রহের জন্যে বানিয়ে দিল কাদামাটির ছাউনি। কালে কালে সাতটি আশ্রম ঘিরে গড়ে উঠল সাতটি গ্রাম, রামের মন্দির। ক্রমে ক্রমে জন্ম নিল সাতগাঁ, সরস্বতীর পাড়ে বন্দরনগরী।

    এই নদী পুরাণের সেই সরস্বতী নয়, মি’লেডি, যা ঋকবেদের সূত্র বেয়ে নেমে এসে উত্তর-পশ্চিম ভারতের এক বিতর্কিত ভূখন্ডের ওপর দিয়ে বইছে। এই সরস্বতী একান্তই বাংলার, একদা গঙ্গার প্রধান শাখা।

    মানচিত্রে তাম্রলিপ্ত আবছা হয়ে মিলিয়ে যাবার সময় থেকেই সাতগাঁ বন্দরের উত্থান। পর্তুগিজ বৈদ্য টম পিরিসের লেখায় তার উল্লেখ পাওয়া যাচ্ছে। পিরিসের সমসাময়িক বিপ্রদাস পিপিলাইয়ের মনসামঙ্গল কাব্যেও রয়েছে সাতগাঁর সুসজ্জিত বাড়িঘর আর ঘন্টাধ্বনিতে মুখরিত মন্দিররাজির বর্ণনা। কনৌজের রাজপুত্রদের এই দোয়াবে বেঁধে নিয়েছিল যে মলয় সমীর, তারই টানে একদিন ত্রিকোণ লাটিন পাল তুলে ভেসে এল আরব বণিকদের জোড়া মাস্তুলের ঢাওগুলো। গ্রীষ্মের শুরু থেকে বর্ষা ঋতুর অবসান পর্যন্ত দক্ষিণ দিক থেকে বয় এই মৌসুমী হাওয়া। সাতগাঁর তাঁতিরা এই হাওয়া গরান কাঠের তাঁতে বেঁধে নিয়ে বুনে তুলত শিশিরের মতো স্বচ্ছ এক ধরনের বস্ত্র, যা আরবরা নিয়ে যেত সুদূর পশ্চিমে। ওরা এর নাম দিয়েছিল বত্ হাওয়া, কেউ বলত মসলিন। চীনের রাজপ্রাসাদ থেকে রোমের হারেম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এই মহার্ঘ্য বস্ত্রের কদর। ফিনফিনে মসলিনে স্বেদসিঞ্চিত অঙ্গ ঢেকে বাদামী ত্বকের ক্রীতদাসদাসীরা জ্যোৎস্নালোকিত বাগানে দুলে দুলে শ্রান্ত সম্রাটদের হিমেল জঘনে অগ্নিসংযোগ ঘটাত।

    পাল রাজাদের আমলেও বাঙালি বণিকেরা এই জাদুবস্ত্র ও বৌদ্ধ পুথি আর জাতকের কাহিনিতে জাহাজ বোঝাই করে পাড়ি দিয়েছে পুবের মশলাগন্ধী দ্বীপগুলোয়। এরপর দাক্ষিণাত্যের হিন্দু সেন রাজারা বাংলা দখল করল। বঙ্গোপসাগর–যা ছিল বহির্জগতের দুয়ার হয়ে উঠল নিষিদ্ধ কালা পানি। নৌবণিক ও হস্তশিল্পীরা অনেকেই ছিল বৌদ্ধ। নতুন জাতপাতদীর্ণ, ব্রাহ্মণ পুরোহিত নিয়ন্ত্রিত সমাজে তারা হয়ে পড়ল ব্রাত্য, এমনকি অদ্ভুত। তাদের শূন্যস্থান পূরণ করতে এল আরব বণিকেরা, মুখে মুখে সাতগাঁর জয়গাথা ছড়িয়ে পড়ল বন্দরে বন্দরে। প্রাইমাম এম্পোরিয়াম ইন্ডে হয়ে উঠল সাতগাঁ, যার জাহাজঘাটার বাতাস দিবারাত্র দপদপ্ করে মান্দারিন আরবি সোয়াহিলি বাংলা ফারসি আর তামিল ভাষার কলধ্বনিতে, মশলা, কস্তুরি থেকে শুরু করে আরবি ঘোড়া আর ক্রীতদাসদের ঘামের গন্ধে।

    সেই সস্তা অঢেল বাজার দেখে চোখে ঝিলমিল লেগে গিয়েছিল মরোক্কোর ইবন বতুতার। দুটি মাত্র স্বর্ণমুদ্রা দিয়ে তিনি খরিদ করেছিলেন বারো গজ বত্‌ হাওয়া আর আসুরা নাম্নী এক সুন্দরী অক্ষতযোনি ক্রীতদাসী। এই বঙ্গদেশে ইবন্‌ বতুতা ছিলেন প্রথম ড্যাঞ্চিবাবু, মি’লেডি।

    .

    বুড়িপিসিমার অন্তর্জলীযাত্রা সরস্বতীর ঘাটের পথে বেরিয়ে পড়ার আগে ওরা পৌঁছতে পারবে কী? শিউলির উৎকণ্ঠা ক্রমশ তীব্র হচ্ছিল। ছোট্ট বাপ্পা দেখছিল মায়ের আরক্তিম মুখ, নাকের চারপাশে বিন্দু বিন্দু ঘাম ফুটে উঠছে। কিন্তু ডেল্টা ক্লাস ইঞ্জিন আর তিনটি সবুজ কামরার ছোটো রেলগাড়িটার বুঝি কোনো তাড়া নেই। পাড়াগেঁয়ে ষাঁড়ের মতো মন্থর নিতম্ব দুলিয়ে, আকাশে নাক তুলে ঘোঁৎ ঘোঁৎ করে ধোঁয়া ছেড়ে সে ছায়াঘেরা আমবাগান, মাঠঘাট, বাঁশঝাড়, গোরস্তান, পোড়ো পরিত্যক্ত ভিলা বাংলো ছাড়িয়ে, বাঁয়ে মুমূর্ষু সরস্বতী আর ডাইনে প্রাণবন্ত হুগলিকে রেখে, চষা ক্ষেতের ওপর দিয়ে মৎস্যভূমির পেট বরাবর চলেছে। তার জানলা দিয়ে পোড়া কয়লার গুঁড়োর সঙ্গে ভেসে আসে সোঁদা মাটির গন্ধ, সজনে ফুলের গন্ধ, পাটপচা গন্ধ আর সেই শীতের সকালে পাকা ধানের গন্ধ। ইঞ্জিনের বাঁশিতে খোঁটায় বাঁধা বাছুরেরা তাতাথৈথৈ নাচে, তেঁতুলের নীচু ডাল থেকে মাছরাঙা ডুব দেয় সবুজ পানাপুকুরে, খালি-গা মাথায়-টোকো মাঠফিরতি মুনিষেরা লাফ দিয়ে উঠে পড়ে কামরার পাদানিতে। এই ডিহি বাংলায় ইউরোপীয় উপনিবেশের এক অতীব ইতিহাসবিধুর ভূখন্ডের ওপর দিয়ে, একে একে চাঁদেরডাঙা (কোয়ার্সভিল), দিনেমারডাঙা, ওলন্দাজডাঙা, আর্মানিডাঙা, পোর্তোঘাটা পেছনে ফেলে কু-ঝিক্‌ ঝিক্‌ খেলনা রেলগাড়ি চলে সাতগাঁর দিকে। মেরুন-সাদা ডোরাকাটা টিনের ছাউনি-অলা হল্ট স্টেশনের নামগুলো বাপ্পার স্মৃতিতে গাঁথা হয়ে গিয়েছিল ক থেকে চন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত বাংলার ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ মুখস্ত হবারও ঢের আগে। জানলার বাইরে পর পর পাতা উলটে যাওয়া দৃশ্যপটগুলোও। দুফে সাহেবের জঙ্গলাকীর্ণ পোড়ো চিনির কল ছাড়ালেই পাদরিবাগানের প্রাগৈতিহাসিক আমগাছগুলো, যাদের অর্কিডে ছাওয়া ডালপালা দেখে মনে হয় রোমশ স্বার্থপর দৈত্যের দল। তারপর আসে কেরেস্তান গোরস্তানের শ্যাওলা মোড়া পাথরের গম্বুজ আর সেনোটাফগুলো, যেখানে আরেকটু বড়ো হয়ে বাপ্পা দুখী সাহেবের ভুত দেখবে। এই জায়গাটা পার হবার সময় চোখ বন্ধ করে ফেললেও কানে ঠিক বাজবে ট্রেনের চাকায় কেরেস্তান-গোরস্তান- কেরেস্তান-গোরস্তান ধ্বনি, যতক্ষণ না রেলগাড়িটা নীলকুঠি পার হয়, আর দূরে গাছগাছালির পেছন থেকে উঁকি দেয় ম্যাওবেড়ালের গির্জার লাল টালির চুড়ো।

    জোরে হাওয়া দিলে ম্যাওবেড়ালের গির্জায় বেড়ালের কান্নার মতো ধ্বনি ওঠে। মামারবাড়িতে বিশুকার কাছে বাপ্পা জেনেছে: সেবার মোগল বাদশার কামানের তোপে গির্জাটা ভেঙে চুরমার হলো, তারপর আবার মেরামত করা হলো, মিস্তিরিরা বেখেয়ালে দেয়ালের ফাটলে সদ্যোজাত পাঁচটি বেড়ালছানা সমেত ইট গেঁথে দিয়েছিল। এতকাল পরেও হাওয়ার রাতে মা বেড়ালীটা এসে ডাকে আর ছানাগুলো আর্ত সাড়া দেয়। সেই থেকেই পর্তুগীজ অগস্টিনীয় সন্ন্যাসীদের পুরোনো গির্জাটির নাম হয়ে যায় ম্যাওবেড়ালের গির্জা।

    ম্যাওবেড়ালের গির্জা দেখা যাওয়ার মানে হলো সাতগাঁ আর খুব বেশি দূরে নয়। রেলগাড়িটা এবার ক্যানালের ওপর দিয়ে ঝমাঝম করে ছোট্ট একটা লোহার ব্রিজ পার হবে, রোদেপোড়া ন্যাংটো ছেলের দল লাফ দিয়ে পাদানিতে উঠে পড়বে ব্রিজের মাঝখান থেকে ক্যানালের জলে ঝাঁপ দেবে বলে। ওরা দুষ্টু বাপে-খেদানো ছেলের দল–বিশুকা বলেছে–ইস্কুলে যায় না, সারাদিন এর-ওর বাগানে ফল চুরি করে বেড়ায় আর কাদামাটি মেখে জলে পড়ে থাকে। ক্যানালটা পার হবার পরেই এসে পড়বে অন্তিম ইস্টিশন সাতগাঁ। এগারো মাইল যাত্রায় সাতটি ইস্টিশন পেরিয়ে এসে ফোঁস ফোঁস করে শ্বাস ছাড়বে লাল-কালো ইঞ্জিনটা। এখানে লাইনের প্রান্তে একটি চাকা লাগানো সেতু আছে; ইঞ্জিন ঠেলে ঘোরানো হয়।

    বহু প্রতীক্ষিত সেই দৃশ্য বাপ্পা জীবনে প্রথমবার দেখতে পেল সেদিন শীতের সকালে, মায়ের বুড়িপিসীমার অন্তর্জলিযাত্রার দিন। কিন্তু সেটি উপভোগ করার মতো মনের অবস্থা তার ছিল না। তার কারণ ইস্টিশনের গেটে দাঁড়িয়েছিল মূর্তিমান আতঙ্ক। তার খাড়া ধারালো নাক, কালো টুপির নীচে পাটের ফেঁসোর মতো চুল ঘাড়ে এসে নেমেছে, ঢ্যাঙা কঙ্কালসার চেহারা, কাঁধের ওপর ফেলা কালো কোটের হাতাদুটো পত্পত্ করছে হাওয়ায়, হাতে ধরা ইস্পাতের টিকিট-পাঞ্চ যন্ত্ৰ।

    টিকিট চেকারটিকে দেখলেই বাপ্পার মনে পড়ে যেত হাড়গিলে পাখির কথা। কলকাতায় বইয়ের আলমারিতে কোম্পানি পেইন্টিং-এর একটি অ্যালবামে তার ছবি ছিল। বহুকাল আগে ওরা কলকাতার আকাশে বাতাসে ছেয়েছিল রথীন বলেছিল একবার ভাগাড়ে আবর্জনা খুঁটে খেত। অ্যালবামের ছবিতেও গভর্নর হাউসের উঁচু গেটের মাথায় বসে আছে হাড়গিলের দল। হাড়গিলেরা ছোটো বাচ্চাদের চোখের মণি খুবলে খায়, এমন একটা জনশ্রুতি ছিল। সাতগাঁ রেলস্টেশনে সেই বিপন্ন পক্ষীকুলের শেষ প্রতিভূ টিকিট-পাঞ্চ উঁচিয়ে কটকট করে শব্দ করে পাখির ঠোঁটের মতো, কর্কশ গলায় ডাকে – ‘টিকিট-টিকিট!’ তার কাঁধে ঝোলানো কোটের বুক পকেটে মার্টিন্‌স রেলওয়ে কোম্পানির পেতলের ব্যাজ, তাতে লেখা— A.C. Ghoshal, TC। ট্রেন থেকে নেমে যাত্রীরা টিকিট দেখায়, কেউ কেউ জামার বুকপকেটে মৃদু চাপড় মেরে চলে যায়।

    বাপ্পার হাত ধরে শিউলি দ্রুত পায়ে গেট পার হতে যেতেই হাত বাড়িয়ে পথ আটকাল চেকার সাহেব। ‘টিকিট প্লীজ!’

    শিউলির মুঠি বাপ্পার বাহুতে চেপে বসে সেকেন্ডের জন্য, পরক্ষণেই চামড়ার ব্যাগের ভেতর থেকে বের করে আনে ছোট্ট নীল কাপড়ের বটুয়া, যাতে টাকা আর খুচরো পয়সা থাকে। কিন্তু টিকিট মেলে না। বন্দর-হুগলিতে ছোটো ট্রেন ধরার তাড়াহুড়োয় কেনা হয়েছে কি? বাপ্পা মনে করতে পারে না। ছুটে লাইন পার হবার সময়ে কি পড়ে গেল। শিউলি ব্যাগের ভেতর হাতড়ায়, হাড়গিলে পাখি কট-কট- কট করে টিকিট-পাঞ্চ বাজায়, ভয়ে বাপ্পার কান্না পেয়ে যায়। কেন ওর সবুজ ফ্লানেলের কার্ডিগানে, ইলাস্টিক-দেওয়া প্যান্টুলে একটাও পকেট নেই? তাহলে তো সে নিজেই টিকিটদুটো রাখতে পারত!

    ‘হারি আপ! হারি আপ! টিকিট! টিকিট!

    শিউলি এবার ব্যাগের ভেতর হাত চালাতে থাকে ডুবন্ত মানুষের মতো। এদিকে ক্রমশ ইস্টিশান খালি করে দিয়ে যাত্রীরা চলে যাচ্ছে, ফিরতি ট্রেনের যাত্রীরা আসতে শুরু করেছে। ঢোলা খাকি জামা আর হাফ প্যান্ট পরা দুজন রোগামত গ্যাঙম্যান ইঞ্জিনের কাপলিং খুলে ছোট্ট লাইনের সেতুর দুই প্রান্তে ঠেলে ঘোরাতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে ব্যাগের ভেতর থেকে জিনিসপত্র পড়তে শুরু হয়েছে: বাপ্পার নীল টি-শার্ট, ডোরাকাটা প্যান্ট, আরেকটা শার্ট, লাল মাফলার, চিরুনি, চাবির গোছা, মেরুন ব্লাউজ, টুথব্রাশ… একটি সাদা ব্রা প্ল্যাটফর্মে ঝরে পড়ে মরা বকের মতো। বাপ্পা উবু হয়ে সেগুলো একে একে কুড়িয়ে নিতে নিতে মাথাটা ওপর দিকে তুলে দেখতে পায় ঘাম আর চোখের জল মায়ের মুখে ইঞ্জিনের ভুষোকালির পরতের ওপর নকশা কেটেছে, দেখতে পায় ইঞ্জিনটা ঘোরানো হয়ে গেছে, কামরাগুলো আবার ভরে উঠেছে বন্দর-হুগলিগামী যাত্রীতে, দেখতে পায় AC Ghoshal, TC-র চোখে এক বিচিত্র ঝিলিক।

    ‘হুম, বোঝা গেছে!’ বরফের মতো গলায় সে বলে। ‘স্টেশন মাস্টারের অফিসে এবার আসতে হবে যে!’

    অন্যদিন হলে মামারবাড়ি থেকে কেউ-না-কেউ বাপ্পাদের স্টেশনে নিতে আসে। কিন্তু আজ সকলেই অন্তর্জলীযাত্রার কাজে ব্যস্ত, গেটের বাইরে একটিও চেনামুখ দেখতে পায় না শিউলি। শীতের সকালটা হঠাৎ কেমন যেন ম্রিয়মান হয়ে আসছে, আকাশে পাতলা মেঘের আস্তরণ। বাপ্পার শীত করতে থাকে। ইতিমধ্যেই সে জেনেছে, বিনা টিকিটে ট্রেনে চাপলে কয়েদখানায় পোরা হয়। কয়েদখানাটা কি ওই মেরুন-সাদা ছাউনি ঘরটার ভেতরে? ওখানে কি ওরা বাপ্পাদের পাথর ভাঙতে দেবে? কম্বলে শুতে দেবে? লাসি খেতে দেবে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }