Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    পরিমল ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প984 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – ১২.৬

    ১২.৬

    কাশীর হরিশচন্দ্র ঘাটে শাকম্ভরী দেবীর অন্ত্যেষ্টির সময় পরিবারের কেউ ছিল না। টেলিগ্রামে মৃত্যুর খবর আসার পর রামপ্রাণ গয়ায় গিয়ে তাঁর আত্মার উদ্দেশ্যে পিন্ডদানের সংকল্প করেছিলেন। কিন্তু কিছুতেই আর সেটা হয়ে ওঠেনি। ইতিমধ্যে তাঁর নিকটতম আরও দুই নারী প্রয়াত হয়েছে। গয়া হয়ে কাশী যাবার পরিকল্পনা করলেন; সেইমতো ব্রেক জার্নির টিকিট কাটা হলো, শুধু যাবার টিকিট।

    সংসারে রামপ্রাণের সর্বশেষ কর্তব্য ছিল ছোটো ছেলে হেমন্তকে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে দেখা। কিন্তু ক্রমশই সেটি অসম্ভব হয়ে উঠল। পার্টি ছেড়ে আসার পর প্রথম দিকে হেমন্ত যখন ফোটোগ্রাফি নিয়ে মেতে উঠেছে, তখন একবার তিনি সরোজাকে বলেছিলেন, ডকবাজারে দোকানঘর ভাড়া নিয়ে ওকে একটা ছবি তোলার স্টুডিও করে দেবেন।

    ‘তাহলে তোমায় রেডিও সারাইয়ের দোকানও নিতে হবে,’ সরোজা উত্তরে বলেছিলেন। ‘ঘড়ি সারাইয়ের দোকান, পাখা সারাইয়ের দোকানও নিতে হবে।’

    কিন্তু বিকল যন্ত্রের কলকব্জা খুলে সেগুলি ফের আগের সংস্থানে বসানোর দক্ষতাই ভুলে গেল হেমন্ত, এক অলীক প্রযুক্তির মরীচিকার সন্ধানে যাত্রা শুরু করল। মস্কোর রাদুগা প্রেস থেকে জ্যোৎস্নাময়ের পাঠানো কল্পবিজ্ঞানের বইদুটো সাতগাঁয়ে এসে পৌঁছতে যতদিন লাগল, ততদিনে সে গবেষণায় অনেক দূর এগিয়েছে। দিনের বিভিন্ন সময়ে আদিরামবাটির আশেপাশে তাকে উদভ্রান্তের মতো বিচরণ করতে দেখা যায়। একমুখ চুলদাড়ি, পরনে মলিন ধুতির কাছা লুটোচ্ছে, গলায় পৈতেয় বাঁধা হার্মাদি সিন্দুকের চাবি।

    ওকে ওভাবে দেখে বিশুর মনে পড়ে যায় চিন্তামণির কথা। গামা হারিয়ে যাবার পর জ্যোৎস্না রাতে ইটবাঁধানো উঠোনে ওর খুরের শব্দ শোনা যেত বাড়িময়। হেমন্ত যখন আকাশের দিকে মুখ তুলে বিড়বিড় করে আর দাড়ি চুলকোয়, মনে পড়ে যায় শেষ বয়সে গঙ্গারামের কথাও। নির্জন দুপুরে আমপাকা রোদে বাড়ির পেছনে শিয়ালকাঁটার ঝোপে ওকে দেখা যায়, মাটিতে নীচু হয়ে কী যেন খুঁজছে।

    সাতগাঁ ছেড়ে যাবার আগে রামপ্রাণ ৮৫৩টি কেস হিস্ট্রির খাতা নিজে হাতে পুড়িয়ে দিয়ে গেলেন। আরও কয়েকশো পুরোনো খাতা একটি চটের বস্তার মধ্যে পড়েছিল ফার্মেসিতে আলমারির মাথায়, ধুলো-পড়া ল্যাবরেটরির ফর্দ আর রসিদের স্তূপের নীচে চাপা পড়েছিল। কেস হিস্ট্রিগুলো সবই বহুকাল আগে মৃত মানুষদের। ওই খাতাগুলোর কথা রামপ্রাণের মনে ছিল না; কিংবা হয়তো ওগুলো আর নষ্ট করার প্রয়োজন বোধ করেননি। সেই খাতাগুলো উদ্ধার করেছে হেমন্ত। বহু বছর আগে মারা গিয়েছে যে মানুষেরা, তাদের অনুপুঙ্খ তথ্য সংগ্রহ করে তার ডেটাবেস ভরে তুলেছে জটিল সূক্ষ্ম অবিশ্বাস্য কলে, যাতে ধরা পড়বে সেইসব মৃতের আত্মাদের আত্মার বিকীরণ, যা নাকি এক বিশেষ তরঙ্গমাত্রায় পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে প্রবেশ করছে দিবারাত্র। এজন্য বিশেষ কম্পাঙ্কের বেতার তরঙ্গ সম্প্রচার শুরু করেছে। রাধানগরের মনুখুড়ো যে বিচিত্র শঙ্কুর আকারের পাথরটা এনেছিল, যেটি শিয়ালকাঁটার ঝোপে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিলেন সরোজা, সেই পাথরটা ওখানেই কোথাও পড়েছিল। ঝোপের ভেতর থেকে নিজস্ব কম্পাঙ্ক সৃষ্টি করে হেমন্তর সম্প্রচারে বাধা সৃষ্টি করছে এমন একটা সন্দেহের বশেই দুপুরবেলায় ঝোপঝাড়ে আঁতিপাতি করে খুঁজে চলে সে।

    কোনো-কোনোদিন বিকেলবেলা খুঁজতে খুঁজতে সে চলে যায় ডকবাজারে।

    ‘পরাণ ডাক্তারের ছোটো ছেলেটা না?’ ওকে চিনতে পেরে নিজেদের মধ্যে বলাবলি করে ব্যাপারিরা।

    রাস্তার পাশে চায়ের দোকান দিয়েছে নিবারণ। হেমন্তকে ডেকে এনে বেঞ্চিতে বসায়, ওর হাতে দেয় এক গ্লাস চা আর একটি কোয়ার্টার পাউন্ড পাঁউরুটি।

    হেমন্ত প্রত্যাখান করে না। দেখলে মনে হবে, যে মানুষটা চায়ে পাউরুটি ডুবিয়ে খাচ্ছে আর যে মানুষটা অস্থির বিষণ্ণ চোখে কী যেন খুঁজে চলেছে, দুই ভিন্ন মানুষ। খেতে খেতে হাতের পাঁউরুটি শেষ হবার আগেই গেলাসের চা ফুরিয়ে যায়। এবং যেন এক বিস্ময়কর অতিলৌকিক কান্ড ঘটে গেছে, এভাবে বিস্ফারিত দৃষ্টিতে আধখাওয়া পাঁউরুটির দিকে তাকিয়ে হেমন্ত বলে ওঠে—

    ‘যাহ! কী হবে এবার? চা যে ফুরিয়ে গেল!’

    নিবারণ বিষণ্ণ হেসে গেলাসে চা ঢেলে দেয় আবার, বারবার।

    .

    গয়ায় গিয়ে তাঁর জীবনে চারজন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষের বিদেহী আত্মার উদ্দেশ্যে পিন্ডদান করলেন রামপ্রাণ। এক পুরুষ ও তিন নারী। সেখান থেকে গেলেন কাশীতে। কাশী থেকে বিশুকে চিঠি লিখলেন। সেই চিঠি বাপ্পাকে পড়ে শোনালো ওর বিশুকা।

    যে বয়সে মানুষ ইহজগতের মায়া কাটাইয়া পরলোকে যায়, সেই বয়সে আমি জীবনে প্রথমবার সাতগাঁর মৎস্যভূমি হইতে বাহির হইয়াছি। রেলগাড়িতে উত্তর ভারতের যে বিস্তীর্ণ অঞ্চল দেখিতে দেখিতে আসিলাম, পৌরাণিককালে এই অঞ্চল দিয়াই আদিরামবাটি বংশের আদি ব্রাহ্মণেরা সাতগাঁয়ে আসিয়াছিলেন, এ কথা ভাবিয়া রোমাঞ্চিত হইয়াছি। ইতিমধ্যে গত সপ্তাহে কনৌজে আমাদের আদিভূমিতেও ঘুরিয়া আসিলাম। সেখানে সুগন্ধীর কারখানায় দেখিলাম কীভাবে বিশাল বিশাল মাটির ভাঁটিতে দিবারাত্র কাঠের আগুনে আতর প্রস্তুত হয়। এই পদ্ধতি অনেকটা হোমিওপ্যাথি ওষুধ প্রস্তুত করার মতোই, কিন্তু আরও সূক্ষ্ম। কল্পনা করিতে ইচ্ছা হয়, ভবিষ্যতে হয়তো এমন উচ্চশক্তির ঔষুধ প্রস্তুত করা সম্ভব হইবে যাহা সেবনের বদলে আতরের মতো কেবল শুঁকিলেই তাহা মানব দেহে কার্যকর হইবে।

    কাশীর বর্ণনা আর কী দিব? তুমি পূর্বে আসিয়াছ, তুমি জানো। কাশী শব্দের অর্থ যে দীপ্যমান আলোক নগরী, তাহা এখানে আসিবার পরদিন প্রত্যুষে উত্তরবাহিনী গঙ্গার বুক হইতে জলে প্রতিফলিত সূর্যরশ্মিতে উদ্ভাসিত লাল পাথরের ঘাট ও সৌধরাজি দেখিয়া প্রথম হৃদয়ঙ্গম করিলাম। কিন্তু শৈশবকালে টোলে মশাইয়ের কাছে কাশীপুরাণের বর্ণনা শুনিয়া কল্পনায় যে ছবিটি আঁকা হইয়াছিল, সেই নগরীর ছায়া খুঁজিয়া পাইলাম না। রামাচার্য যেকালে কাশীতে আসেন বিদ্যালাভের জন্য, সেই কালের পুকুর ও জলাশয়গুলি সবই বিলুপ্ত হইয়াছে। যে গোদাবরী দশাশ্বমেধ ঘাটের নিকট গঙ্গায় মিশিত, সেটি বর্তমানে গোধুলিয়া নামে রাস্তা হইয়াছে। তেমনই মন্দাকিনীর বর্তমান নাম ময়দাগিন। ইহারা কর্মব্যস্ত বাজার চৌক বই কিছু নহে। কাশী নগরীও ধ্বংস ও পুর্ননির্মাণ হইয়াছে, শহরের দুই প্রান্তে বরুণা ও অসি নদীদ্বয় শীর্ণকায় নৰ্দমামাত্ৰ। রামাচার্যের কালের আশ্রমকুঞ্জবহুকাল ধরেই সরু অলিগলির গোলকধাঁধায় পর্যবসিত হয়েছে।

    কাশীতে আরও এক পক্ষকাল থাকিব, তারপর হরিদ্বার যাইব। সেই কবে হইতে হিমালয় আমায় ডাকিতেছে।

    ‘দাদু কি আর কখনো সাতগাঁয়ে ফিরবে না?’ বাপ্পা জিজ্ঞেস করে।

    ‘ফিরবে, ফিরতেই হবে। এই জন্মে না হোক পরের কোনো জন্মে। এই মাটির টান ছেড়ে কোথায় যাবে? তাহলে শোন…’

    সাতগাঁর হাওয়াতাতি বিশুকা গল্প বলে, সাতশো বছর আগের এক মানুষের গল্প।

    সে অনেক কাল আগের কথা, দরপ খান তখনও এই মুলুকে আসেনি। সুদূর তুর্কিস্তানে জন্মেছিলেন সেই মানুষটি। কোনিয়া শহরে বিখ্যাত মুয়ালেম আহমদ ওয়াসাবির কাছে শাস্ত্রশিক্ষা নিলেন। যেদিন শিক্ষা সম্পূর্ণ হলো, ওয়াসাবি সাহেব তাকে উটের দুধ থেকে তৈরি ফিরিন সুলাচ নামে কোনিয়ার বিখ্যাত মিঠাই একদলা দিয়ে বললেন–

    ‘খাও! রোজ যেদিকে সূর্য ওঠে সেই দিক ধরে যাও। এতদিনে যা শিখলে সেই কথা মানুষের মাঝে প্রচার করতে করতে এগিয়ে যাও, যতদিন না এমন স্থানে এসে পৌঁছবে যেখানে মাটি মিষ্টি আর মোলায়েম, ঠিক এই ফিরিনের মতো।’

    মুর্শিদের নির্দেশমতো একুশ মাস একুশ দিন একুশ প্রহর ধরে মধ্য এশিয়ার অগণন মরুভূমি গিরিপথ নদী অরণ্য পেরিয়ে, অনেক নগর সরাই বাজারে নানান গোত্রের মানুষের মাঝে কাটিয়ে অবশেষে সেই পুবের দেশে এসে পৌঁছলেন দরবেশ। দেশটার নাম বাংলা। এ এক আশ্চর্য দেশ। এখানে বাতাস বয় ঘুমন্ত শিশুর শ্বাসের মতো, চারদিকে যতদূর দেখা যায় মাইল মাইল সবুজ নদীবিধৌত তৃণভূমি। সেই তৃণভূমিতে হাঁটু মুড়ে বসে কিবলার দিকে মুখ করে প্রার্থনা সারলেন যুবক, ভূমি চুম্বন করলেন। কী আশ্চর্য, ঠোঁটে লাগা মাটির স্বাদ ফিরিনের মতো ঘন আর মিঠে। এখানেই আস্তানার খুঁটি গাড়লেন যুবক দরবেশ।

    বাপ্পার মনে পড়ে যায় এই গল্পটা সে দমদমের বাসায় খোকাজেঠুর কাছে শুনেছে। সেই দরবেশের নাম ছিল হজরত শাহ জালাল, আর জায়গাটার নাম ছিল সিলেট। একই গল্প, জলে-জলে গল্পের নদী।

    ‘এই গল্প তুমি কার কাছে শুনেছ, বিশুকা?’ বাপ্পা জিজ্ঞেস করে।

    ‘আলিসাহেব। এই দেশের মাটির টানে, বাতাসের টানে আলিসাহেব হিমালয় থেকে বারবার ফিরে আসে। তোর দাদুও ঠিক ফিরে আসবে।’

    সন্ধ্যাবেলা আদিরাম মন্দিরের সিঁড়িতে বিশুকার পাশে বসে বাপ্পা গল্প শোনে। ছোটোবেলায় ঠিক এভাবেই বিশুকার দুপাশে বসতো সে আর তিতলি, দুজনের মাথা পেতে দিত বিশুকার দুই হাঁটুর ওপর। হঠাৎ কী মনে করে বাপ্পা নীচু হয়ে বিশুকার হাঁটুতে মাথা পেতে দেয় আগের মতো। সেই চেনা সরষের তেল আর ফুল-বেলপাতা মেশা গন্ধটা পায়। বাপ্পার চুলে বিলি কেটে দেয় বিশুকা।

    সকালে মন্দিরে গিয়ে কুলদেবতা আদিরামকে প্রণাম করে দিন শুরু হয় বিশুর। চাতালে বিড়বিড় করে মন্ত্রোচ্চারণ করতে করতে তিনবার মন্দির প্রদক্ষিণ করে, দেয়ালে কপাল ছোঁয়ায়। বছরের পর বছর প্রতিদিন নির্দিষ্ট কয়েকটি স্থানে কপাল ছোঁয়াতে ছোঁয়াতে পোড়ামাটির প্যানেলে সেই জায়গাগুলো মসৃণ আর তৈলাক্ত হয়ে গিয়েছে। শিশু বয়সে তিতলি বিশুকার কোলে চড়ে মন্দির পরিক্রমার সময়ে এক হাতে ওর চোখ চেপে ধরে হাতের কব্জি ধরে দেয়ালে চেপে ধরত। বিশুকা অন্ধের মতো তর্জনি বুলিয়ে বলে দিত—

    ‘আচ্ছা, এটা হলো মকরমুখী নৌকো, বহর সাজিয়ে বণিকের দল সাগরে যাচ্ছে… এই হলেন রাবণ, সন্নিসি বেশে সীতার পাতার কুটিরে এয়েছেন… এই যে আগডুম বাগডুম ঘোড়াডুম সাজিয়ে ডোমের দল যুদ্ধ করতে যাচ্ছে…’

    এরপর বিশুকা তার পুষ্যি দেবদেবীর জন্য ভোগ রাঁধবে, পুজোর উপাচার সাজাবে–ভদ্রকালীর রক্তজবা, নারায়ণ শিলার তুলসীপাতা চন্দনবাটা, বালগোপালের জন্য শিমুল তুলোর বিছানা, বৈশাখে শিবলিঙ্গের মাথায় তেকাঠিতে হাঁড়ি বেঁধে জল-ফোটা, আষাঢ়ে জগন্নাথের সর্দিজ্বরের পথ্য, সেরে উঠলে নতুন জামা পরিয়ে রথে চড়িয়ে মামাবাড়ি ঘুরিয়ে আনা। দিবানিদ্রার পর তাঁদের জাগিয়ে সন্ধ্যারতি দেয় বিশুকা। ডান হাতে প্রদীপ, চামরের ব্যাজন, বাঁ হাতে ঘন্টা ধরে নাড়ে। সেইসঙ্গে কব্জিতে দড়ি বেঁধে দেয়ালে ঝোলানো ডুগডুগিতে টান দিতে বেজে ওঠে। পিতল ঘন্টার টুনুনান্টাং ধ্বনি আর ডুগডুগির শব্দে বিগ্রহরা প্রীত হন শুধু তাই নয়, ধ্বনি তরঙ্গে বাতাসে রোগজীবাণু মরে–বিশুকা বলে–বাতাস নির্মল বিশুদ্ধ হয়ে ওঠে।

    একাদশীর সন্ধ্যাবেলা পুজো সেরে বাপ্পা আর কানাইকে ডেকে নকুলদানা দিচ্ছে, বাপ্পা বলল–

    ‘তোমার বা হাতটা নড়ছে কেন?’

    সত্যিই বিশুকার বাঁ হাত যান্ত্রিক নড়ে যাচ্ছে সন্ধ্যারতির ঘন্টা নাড়ার মতো। স্থির হয়ে থামাতে চেষ্টা করে, পারে না। ডান হাত দিয়ে চেপে ধরলে থেমে যায়, কিন্তু হাতে একটা চাপ টের পায়। মনে হয় যেন হাতটার একটা স্বাধীন স্বয়ংক্রিয় সত্তা রয়েছে। ছেড়ে দিলে আবার নড়ে চলে, থামে না। মাঝরাত্রে ঘুম ভেঙে জেগে উঠে দেখে নড়েই চলেছে হাতটা।

    ‘হায় আদিরাম, এ কোন পাপে হলো!’ অন্ধকারে ডুকরে ওঠে বিশু।

    অষ্টধাতুর বালগোপালের নীচে পাওয়া সেই সুলতানি মোহরগুলোর কথা মনে পড়ে যায়। দেবেন স্যাকরার কাছে বিক্রি করতে নিয়ে গিয়েছিল। তবে কি ভগবান পরীক্ষা করছিলেন? বাঁ হাতের এই বিচিত্র ব্যাধির বর্ণনা দিয়ে রামপ্রাণকে চিঠি লিখল বিশু। শেষ চিঠিটি তিনি ঋষিকেশের যে আশ্রম থেকে লিখেছিলেন, সেই ঠিকানায়।

    সাতগাঁয় আমের মরশুম। প্রবাসীরা সন্তানাদি নিয়ে বাড়ি আসছে। তাদেরই সঙ্গে এল ছোঁয়াচে চোখের রোগ কনজাঙ্কটিভাইটিস, তার নাম নাকি— ‘জয় বাংলা’। জানা গেল, সীমান্ত অঞ্চলে শরণার্থী শিবির থেকে ছড়িয়েছে। এবার শরণার্থীরাও শিগগিরই হুগলি পেরিয়ে এপারে চলে আসবে—সবাই বলাবলি করতে লাগল —সাতগাঁর পোড়ো পরিত্যক্ত বাড়িগুলো দখল করবে। হেমন্তর ক্রিস্টাল রেডিওয় চুঁইয়ে আসে খবর, সীমান্তের ওপারে মুক্তিবাহিনির সঙ্গে খানসেনাদের প্রবল যুদ্ধ চলেছে। মাঝে মাঝে শোনা যায় এক পুরুষ নেতার বাঙাল উচ্চারণে বক্তৃতা। ডকবাজারের দেয়ালে আলকাতরার পোঁচড়ে কারা যেন লিখে গেছে–

    ‘আমারে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা না!’

    ‘জয় বাংলা’ এল আদিরামবাটিতেও, কানাইয়ের চোখ রক্তজবার মতো লাল হয়ে উঠল। ছুটিতে সাতগাঁয়ে আসা জ্ঞাতিবাড়ির কচিকাচারা মন্দিরের আশেপাশে ছুটোছুটি করে খেলা করে। কানাইকে এমনিতেও ওরা খেলায় নেয় না,— ‘জয় বাংলা’ হবার পর ওকে অদ্ভুত বানিয়ে দিল। সন্ধ্যাবেলা বারান্দায় হোমটাস্ক করতে বসে কানাইয়ের যাবতীয় হতাশা আর ক্ষোভের নিশানা হয়ে ওঠে বাপ্পা। তুচ্ছ কারণে ঝগড়া করে, মুখ ভেংচায়, ছড়া কাটে–

    দিনে মশা রেতে মাছি
    এই নিয়ে কলকেতায় আছি!

    বাপ্পাও নিরাপদ দূরত্ব থেকে গলার শির ফুলিয়ে, বাবার কাছে শেখা জ্ঞান ফলিয়ে তর্ক করে: কলকাতা শহরে দিনে মশা রাতে মাছি, বাড়ির থেকে কবরখানা বেশি, রাস্তার ধারে ল্যাম্পপোস্টে হাড়গিলেরা ওৎ পেতে থাকে পথচারীদের চোখ খুবলে নেবার জন্য, আকাশ থেকে পাখির গুয়ের মতো জাপানি বোমা পড়ে– এমনটাই বলে বটে সাতগাঁর লোকেরা। কিন্তু সেটা ভুল। কলকাতায় দিনের বেলাতেও মশা ওড়ে, কারণ শহরটা বাদাবন কেটে তৈরি হয়েছে, কিন্তু জাপানি বোমা পড়েছিল কেবলমাত্র যুদ্ধের সময়ে, আর তাতে কেউ মরেনি, আর হাড়গিলেরা সেই কবে হারিয়ে গিয়েছে শহর থেকে, আর ওরা শান্ত জমাদার পাখি হিসেবেই ছিল, কোনোদিন জ্যান্ত কোনো কিছু খেত না, আর মানুষের চোখ খুবলে খেত এটা ডাহা মিথ্যে কথা।

    অত কথা শোনার ধৈর্য কানাইয়ের নেই। বিচিত্র উচ্চারণে নতুন ছড়া কাটে সে–

    বাবু তো বাবু বাপ্পাবাবু কলকেতায় বাড়ি
    বেগুনপোড়ায় নুন দেয় না যে বেটা সে হাড়ি!

    এইসব ছড়া যে কানাই নতুনবউয়ের কাছে শুনে শিখেছে সেটা বোঝার মতো বয়স বাপ্পার হয়েছে। ওর সন্দেহ হয় এসবের সঙ্গে যোগ রয়েছে সেই দিনটার, যেদিন দাদু ওকে আর মাকে নিয়ে গিয়েছিল বড়ো বড়ো থামওয়ালা সেই বাড়িটায়। সেই দিনটার কথা আবছা মনে পড়ে; সেখানে অনেক মানুষের ব্যস্ততা, গাছের নীচে টাইপরাইটারের খটাখট শব্দ, আকাশি রঙের শার্ট আর ঢোলা পাজামা পরা একটা লোক ফোকলা দাঁতে বিচিত্র বাংলায় একটা টাইপ করা কাগজ থেকে লেখা পড়ে শুনিয়েছিল। দাদু আর মায়ের দেখাদেখি বাপ্পাও পাঁচ আঙুলে কালি লাগিয়ে ছাপ দিয়েছিল, তারপর মাথার চুলে ঘষে কালি মুছে নিয়েছিল।

    সেই ঘটনার সঙ্গে মায়ের অন্ত্যেষ্টির ছাই ওষধিবাগানে মাটি খুঁড়ে পুঁতে দেবার কোনো সম্পর্ক আছে কী? সেটা কাউকে জিজ্ঞেস করেনি বাপ্পা। রামপ্রাণ সাতগাঁ ছেড়ে যাবার পর ওষধিবাগানে আগাছা বাড়ছে, নাগকেশরের ফল বেদির ওপর পড়ে ফেটে ছড়িয়ে আছে। শেষবার এসে আলিসাহেব যে গাছটা পুঁতেছিলেন সেটায় ফুল আসেনি এখনও। তবু বাগানে ঢুকে বেদির ওপর চুপচাপ বসে থাকতে ভালো লাগে। নাগকেশরের ডালে ঘুঘু ডাকে, জড়িবুটির ঝোপ থেকে তাজা গন্ধ আসে। মনটা হালকা হয়ে আসে, মনে হয় যেন মায়ের খুব কাছে চলে এসেছে।

    বাগানের গেটের চাবি ভাঁড়ারের দরজার চৌকাঠের হুকে ঝোলানো থাকে, সেদিন দেখল নেই।

    ‘ওষধিবাগানের গেটের চাবিটা কোথায় গেল রে? তুই দেখেছিস?’ কানাইকে জিজ্ঞেস করল বাপ্পা।

    ‘কেন?’

    ‘আমি বাগানে ঢুকতে গিয়ে খুঁজে পেলাম না।’

    ‘বাগানটা তোর নিজের নাকি?’ হঠাৎ ঝাঝিয়ে ওঠে কানাই।

    বাপ্পা রুখে ওঠে। —- ‘আমার না তো কি তোর?’

    কানাই ওর দিকে তীব্র দৃষ্টিতে তাকায়, নাকের পাটা ফুলে উঠেছে। তীক্ষ্ণ গলায় বলে–

    ‘এই বাড়িটা তোর বাপের জমিদারি নাকি!’

    ‘তুই আমার বাপ তুললি?’ নিজের কান দুটো তেতে উঠেছে টের পায় বাপ্পা।

    ‘বেশ করেছি।’ কানাই থুতু ছিটিয়ে বলে। ‘তোর বাবা তো পোস্টোকার্ডের জমিদার!’

    বাপ্পা এক পা এগিয়ে এসে ওর বুকে সজোরে ধাক্কা দিতেই ছিটকে পড়ে যায় কানাই। উঠে পড়ে চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে মায়ের কাছে নালিশ করতে ছোটে।

    বাপ্পার মনে পড়ে, কিছুদিন আগে লুডো খেলতে গিয়ে বার বার ঘুঁটি কাটা যেতে অস্থির হয়ে গিয়ে লুডোর বোর্ড উলটে দিয়ে কানাই বলেছিল— ‘বাঙালের পো’। কিন্তু— ‘পোস্টকার্ডের জমিদার’ কথাটা ও জানল কীভাবে?

    *

    হাঁটতে হাঁটতে পর্তুগিজ গেট ছাড়িয়ে চলে যায় বাপ্পা। পথের ধারে শিমুল গাছগুলোয় তুলো ফুটেছিল কিছুকাল আগে, তার কিছু কিছু এখনও গাছে লেগে রয়েছে। বর্গিব্যাটারির বারুদঘরের পেছন দিকটা ভেঙে পড়েছে নদীতে। দুপুরবেলা ঘাটে লোকজন নেই, সকলে স্নান সেরে বাড়ি ফিরে গিয়েছে।

    গরম বাড়তে সরস্বতীর শীর্ণ খাত জলে ভরেছে। সেদিন বিশুকা বলছিল, এবার যা গরম পড়েছে হিমালয়ের বরফ গলে নামছে। অনেক বছর আগে ঘাটের যে সিঁড়িতে শাকম্ভরী দেবীর অন্তর্জলীযাত্রা দেখেছিল, সেই সিঁড়ি ডুবিয়ে বইছে জল। খাতের বুকে জেগে-থাকা চরগুলো বেশিরভাগ ডুবে গেছে।

    বাপ্পা শেষ সিঁড়িতে এসে বসে দুটো পা হাঁটু পর্যন্ত ডুবিয়ে দেয় জলে। শীতল অনুভূতি, নদীর অতল থেকে উঠে আসছে।

    বিশ হাত দূরে একজন একটা কালো গোলাকার ভেলার মতো জিনিসের ওপর চিৎ হয়ে ভেসে আছে। তার মুখ আকাশে তোলা, চোখ বন্ধ, মাঝে মাঝে হাত দুটো জলের ওপর নাড়ছে মন্থর ডানার মতো। সূর্যের রশ্মি জলের ওপর চুর চুর হয়ে যেন লক্ষ লক্ষ হীরের প্রজাপতি দপদপ করছে ওকে ঘিরে।

    আচমকা কাধের ঝটকায় দেহটা ঘুরে গিয়ে স্রোত কাটাতে থাকে, কালো গোলাকার জিনিসটা ভেসে আসে ঘাটের দিকে।

    ‘এই ধর ওটা!’ চিৎকার করে ওঠে মানুষটা।

    একটি মোটরগাড়ির চাকার টিউব, তার গায়ে অসংখ্য তাপ্পি মারা; ঘাটের কোল ঘেঁষে ভেসে চলে যাবার আগেই ফের চিৎকার ভেসে আসে —- ‘ধর! ধর ওটা!’

    বাপ্পা কিছু না ভেবেই গায়ের জামাটা খুলে ছুঁড়ে দেয় ঘাটের রানায়, জলে নেমে পড়ে দুহাত বাড়িয়ে টিউবটা টেনে ধরে।

    দিদা মারা যাবার অনেকদিন পরে আবার অবগাহনের অনুভূতি। দেহের প্রতিটি কোষে ফিরে আসছে সেই স্মৃতি। টিউবটা দুহাতে আঁকড়ে ধরে ভাটার টানে ঘাট ছেড়ে দশ-বারো হাত এগিয়ে যায়। পা দুটো ছুঁড়ে জল কাটে। স্রোতের হাতে আত্মসমর্পণ করতে শরীরটা হালকা হয়ে ভেসে ওঠে। এবারে টিউবটা বাম বগলের নীচে চেপে ধরে ডান হাতে স্রোত কাটায় বাপ্পা।

    ইতিমধ্যে সাঁতরে এগিয়ে এসেছে সে, টিউবটা উলটো দিক থেকে ধরে ফেলে। জলের ওপর মুখ তোলে–

    ‘তুই তো দেখি ভালোই সাঁতার জানিস রে!’

    সেই ছেলেটা! নীল চোখ, পাকা খড়ের মতো চুল, পাতলা ঠোঁট। ডান ভুরুর ওপর কাটা দাগ রয়েছে। মুখমন্ডলে জলের ফোঁটায় রোদ ঝলকাচ্ছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়
    Next Article জীবন স্রোতের আঁকেবাঁকে – অর্পিতা সরকার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Our Picks

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }