Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    পরিমল ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প984 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – ৩.৩

    ৩.৩

    নসা সেনোরা দো সান্তো রোসারিওর নামে নিবেদিত গির্জা, যেটি পরে ম্যাওবেড়ালের গির্জা নামে লোকমুখে পরিচিত হবে, এ দেশে প্রথম শুধু নয়, সবচেয়ে উঁচু তার চুড়ো। এতদঞ্চলে উচ্চতম ধর্মতলার আদিম বটগাছটার থেকেও সেটি উঁচু। বহুদুর থেকে, এমনকি গাজির বাগান ছাড়িয়ে ত্রিবেণী থেকেও সেটি দেখা যায়, গির্জার ঘন্টার ধ্বনি দুই নদীর ওপার থেকে শোনা যায়। সুউচ্চ খিলানময় প্রার্থনাকক্ষ, বারোটি থামযুক্ত ক্রশের আকারের মধ্যভাগ, গির্জার পোশাক ও তৈজস রাখার কক্ষ, এবং একটি আতুরশালা ও যাজকাবাস নিয়ে গির্জাটি দাঁড়িয়ে আছে প্রায় দশ বিঘা জমির ওপর। রয়েছে বাগান এবং গোর দেবার জন্য নির্দিষ্ট স্থান। বাদশাহী সনদের পর লিসবন থেকে অর্থ এসেছে, এবং নির্মাণ সম্পূর্ণ হবার পর আনুষ্ঠানিক উৎসর্গের সময়ে গোয়া থেকে নৌকাযোগে অগস্টিনীয় শাখার এক বিশপের নেতৃত্বে কুড়িজন যাজক ভ্রাতা এসেছেন। তাঁদের মধ্যে ন’জন থেকে গেলেন। এই সবুজ সজল ভূমির মলয় বাতাস আর চোখের পাতায় শিশিরের মতো নেমে আসা তন্দ্রার আবুলি প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে বহু পুরুষকে বেঁধেছে এই বাংলায়, তাদেরও বেঁধে নিল।

    প্রথম থেকেই গির্জার নিত্যকার কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত রুয়ানো। কিন্তু ততদিনে তিনি উপলব্ধি করেছেন তাঁর জীবনের প্রধান বৃত্তি মানুষের আত্মার শুশ্রূষা ততটা নয় যতটা তার ধারক দেহটির রোগমুক্তি। প্রার্থনাকক্ষের থেকেও আতুরশালাতেই বেশি সময় কাটে। বাগানের ধারে একটি হোগলাপাতার কটেজ বানিয়ে থাকেন। তার একদিকে তাঁর পরীক্ষাগার, যেখানে স্থানীয় গাছগাছড়ার ওষধি গুণাগুণ নির্ণয় করেন। পাশেই খোলা দাওয়ায় ডিসপেনসারি। সেখানে তিনি বহিরাগত রোগীদের চিকিৎসা করেন। সার্জেন- পাদরি ইনফান্টের ডিসপেনসারিতে শ্বেতাঙ্গ কৃষ্ণাঙ্গ, নবদীক্ষিত ও বিধর্মীর মধ্যে কোনোরকম ভেদাভেদ নেই।

    পোর্তো পেক্যেনোয় জীবন বয়ে চলে ধীর নদীর ছন্দে। ইতিমধ্যে হোগলাপাতার ঝুপড়ি বসতিটা আমূল বদলে গিয়েছে। পোড়া ইট আর চুনসুরকির কেল্লা উঠেছে, নদীপাড়ে সারিসারি সুরম্য ভিলা, চওড়া জ্যামিতিক পথে মোরাম বিছানো। ছায়াঘেরা বীথি আর বাগান গড়ে উঠছে চারদিকে। খাদ্যও এখানে সুলভ। চরভূমির সবুজ তৃণভোজী গরুর স্বাদু দুধের মাখন চিজ, জলায় অঢেল মাছ আর শীতকালে পাখি, এছাড়া ভেড়ার বিকল্প হিসেবে কুচকুচে কালো ছাগের মাংস, যাকে স্থানীয়রা বলে কারা বেঙ্গালা। রুয়ানো বাগানে খানিকটা জমিতে সব্জির চাষ করেছেন, আলু, টোম্যাটো, গাজর ও কড়াইশুঁটির বীজ দেশ থেকে আনিয়ে এই বাংলার উর্বর পলিমাটির সঙ্গে তাদের পরিচয় ঘটিয়েছেন। ফলনও হচ্ছে ভালোই। এছাড়া দক্ষিণের মশলাদ্বীপ, এমনকি চীনসাগরের দিক থেকে আসা জাহাজিদের মারফৎ ওষধি গাছের বীজ চারা আনানোর ব্যবস্থা করেছেন, সাতগাঁর ব্রাহ্মণ কবিরাজদের সঙ্গে সেইসব জড়িবুটি ও তার জ্ঞান আদানপ্রদান করেন। মানব দেহতন্ত্রের রহস্য থেকে রুয়ানো ডে ইনফান্টের অনুসন্ধিৎসা ক্রমশ ঘুরে গিয়েছে এই অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় উদ্ভিদজগতে।

    পাকাপোক্ত জাহাজঘাটা, জাহাজ সারাইয়ের সুখাঘাটা আর সারা বছর ব্যবহারের উপযোগী বড়ো বড়ো ফ্যাক্টরি ছাউনি নিয়ে পোর্তো পেকোনো ক্রমশই ব্যস্ত বিকিকিনির কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। তাকে আর কোনোমতেই ক্ষুদে বন্দর বলা চলে না। হোগলার অস্থায়ী বসতির স্মৃতিটা কেবল রয়ে গিয়েছে তার নামে। এই অঞ্চলের ব্যাপারীরা এখনও তাকে বন্দর-হুগলি বলেই ডাকে, ফিরিঙ্গিরা বলে বন্দর- উগোলিম। বেশ কিছুকাল ধরেই পাঁচশো টন ও তদুর্ধ্ব জাহাজ শীর্ণ হয়ে আসা সরস্বতীর ধারে সাতগাঁয় না ভিড়ে সোজা চলে আসে এখানে। তবে গঙ্গার এই শাখাটিরও যাকে লোকে বন্দরের নামে মিলিয়ে ডাকে হুগলি বা উগোলিম

    নাব্যতা হ্রাস পায় শীতে, যখন হিমালয়ের বরফগলা জল কমে আসে। তখন সেই নীচের দিকে বেতোরে মাল খালাস করে ছোটো নৌকায় তুলে টানতে হয়। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে মার্চ পর্যন্ত এমনই চলে। এইসময় বন্দর-হুগলির জাহাজঘাটায় জাহাজ থাকে না প্রায়, নদীর ধারে সরাইগুলো নির্জন হয়ে পড়ে। সার্জেন-পাদরির ডিসপেনসারিতেও রোগী কমে আসে।

    এই সময়ে রুয়ানো ডে ইনফান্টে ভ্রমণে বের হন। শীতে আবহাওয়া মনোরম, পথঘাট শুষ্ক। পাল্কিতে চেপে দূর গ্রামের মাঠেঘাটে বনেবাদাড়ে ঘুরে ওষধি লতাপাতা সংগ্রহ চলে। মাঝে মাঝে নৌকা নিয়ে উজানে নদীর মুক্তবেণীর মুখে ঘন বনের মাঝে মসজিদের চারপাশে খুঁজে বেড়ান, কখনো উজিয়ে আরও ওপরের দিকে গঙ্গার মূল খাতে চলে যান। ছাগচর্মের মুশিলা ভর্তি করে অজানা চারা পাতা ফুল বীজ মূল পরীক্ষাগারে এনে শুকিয়ে নিয়ে অনুপুঙ্খ রেখাচিত্র আঁকেন। তাদের চেহারা চরিত্র সম্পর্কে নোটসহ সেইসব ড্রয়িং পাঠিয়ে দেন গোয়ায়, গার্সিয়া ডি’ওটা নামে এক চিকিৎসকের ঠিকানায়।

    ডি’ওটা যদিও জাতিতে ইহুদি, ক্রান্তদেশীয় গাছগাছড়া সম্পর্কে তার প্রবল আগ্রহ দূর বাংলায় এই দেশোয়ালি যাজকের সঙ্গে প্রগাঢ় পত্রমিতালি ঘটিয়েছে। নিয়মিত চিঠি আদানপ্রদান চলে। তবে ব্যাপারীদের ঢাও কিংবা সাম্পানে উপমহাদেশের দীর্ঘ উপকূল ঘুরে চিঠি আসতে যেতে অনেকটা সময় লাগে। রুয়ানো কোনো বিশেষ প্রজাতির বীজ চেয়ে পাঠালে সেই বার্তা যখন ডি’ওর্টার কাছে গিয়ে পৌঁছয়, ততদিনে হয়তো মালাবারে বর্ষা এসে গিয়েছে, কিংবা ওই প্রজাতিটি শীতঘুমে চলে গিয়েছে। একটি বছর ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হয়। তবু এই বিচিত্র বিলম্বিত সংলাপ চলতেই থাকে বছরের পর বছর, তাতে ছেদ পড়ে না। দুজনে মিলে ভারতবর্ষ নামে এই বিশাল দেশটার দুই প্রান্তের উদ্ভিদ নিয়ে যৌথভাবে একটি মহাগ্রন্থ লেখার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

    রুয়ানো ডে ইনফান্টের এই প্রকল্পে যুক্ত হবার পেছনে অন্য একটি কারণও আছে। লতাপাতা ফুল ফল বীজ শিকড় বাকল ছত্রাকের আশ্চর্য বৈচিত্র্যময় গঠনতন্ত্রের জগতে ডুব দিয়ে তিনি ভুলতে চান সেইসব আর্তনাদগুলো যা তাঁকে ক্ষতবিক্ষত করে দিবারাত্র, জেলিয়া নৌকার গারদের নীচে ঠাসাঠাসি নগ্ন দেহগুলো, সেইসব যন্ত্রণাক্লিষ্ট পশুর মতো মানুষের চোখগুলো, তাদের নিতম্বে দাগানো দগদগে ত্রিভুজের সিল, বিষ্ঠা আর চামড়াপোড়া গন্ধ, এত বছরেও যার তীব্রতা কমেনি, যা তাঁর স্মৃতিতে হানা দেয় বাদাবনের বাঘের মতো। শুধু ঘুমের মধ্যে স্বপ্নের ভেতরে নয়, দিনের বিভিন্ন প্রহরে, অতর্কিতে, সন্ধ্যার আগে বাগানে ঝিঁঝিপোকাদের কলতানে, পাপস্বীকারের কুঠুরির জালের ওপাশে ফিসফিসে কন্ঠস্বরে।

    যখন অসহনীয় হয়ে ওঠে, রুয়ানো গির্জার ডিঙি নৌকাটা নিয়ে একা দাঁড় টেনে নিয়ে চলে যান উজানে। জনপদ ছাড়িয়ে, পাড় বরাবর টানা ফসলের ক্ষেত কলার বন ছাড়িয়ে, গাজির বাগানের জনহীন বন মসজিদ ছাড়িয়ে, ভাঙা পাথরের ঘাট আর হেলে-পড়া মিরাদর ছাড়িয়ে – যেখানে একদা মুখোমুখি বসতেন এক পণ্ডিত ও এক তুর্কী শাসক ভেসে যান যেখানে গঙ্গার স্রোত খলবল করে অবিরাম পাক খুলে চলেছে ত্রিধারায়। ঘোলের মাঝামাঝি এসে দাড় উঠিয়ে নেন, নৌকাটা জলের ঘূর্ণিতে পাক খেতে থাকে কার্টুনির হাতের মাকুর মতো। ভাটির দেশের নদীর এই খামখেয়ালি স্বভাব, দিবারাত্র পাড়ের ভাঙাগড়া, ছটফটে কুলকুল ধ্বনি যা ভাটা ঘুরে জোয়ার লাগার সময় শান্ত ফিসফিস করে খালের মুখগুলোয়

    সব মিলিয়ে এক জটিল জীবন্ত সত্তা, যা দিনের পর দিন দেখে দেখে ঘোর লেগে যায় রুয়ানোর। জলের ধারাগুলো শিরাউপশিরার মতো পলি বয়ে এনে বদ্বীপভূমির পেশি নির্মাণ করে চলেছে, ঠিক যেমনটা ঘটে চলে মানব দেহতন্ত্রে অলক্ষ হৃৎপিন্ড যেন ধুকপুক করে চলেছে জোয়ারভাটায়।

    রুয়ানোর মনে পড়ে যায় জারগোজায় ফ্যাকুলতে দা মেদিসিনায় পড়া পিটার অ্যাবেলার্ডের তত্ত্ব। দার্শনিক অ্যাবেলার্ড ব্যাখ্যা করে দেখিয়েছেন কীভাবে এই মহাবিশ্ব আসলে অন্তহীন চক্রবৃদ্ধি হয়ে চলা এক প্রক্রিয়া, যেখানে একই গঠনতন্ত্র বার বার ফুটে উঠছে আপাত বিসদৃশে জিরাফ থেকে শুরু করে পাইনের বীজে। ভাবতে ভাবতে বৈঠাটা কোলের ওপর রেখে জলে ঝুঁকে পড়েন রুয়ানো, স্রোতের জঙ্গমে আঙুল ডুবিয়ে বিড়বিড় করে ওঠেন— ‘সিক এট নন! সিক এট নন!’

    গাজির বাগানের উত্তরে নদীর মুক্তবেণীতে একটি গোটা ঋতুচক্র ধরে স্রোতের চরিত্র পর্যবেক্ষণ করলেন রুয়ানো, সরস্বতী হুগলি আর যমুনার খাতের মুখে সোলার টুকরো ভাসিয়ে তাদের গতিবিধি লক্ষ করলেন, জোয়ারভাটার বিভিন্ন পর্যায়ে দড়ি ডুবিয়ে আপেক্ষিক নাব্যতার পরিসংখ্যান নিলেন, এবং মাটি আর গাটা-পার্চা দিয়ে নদীর ত্রিমুখী খাতের একটি ত্রিমাত্রিক মডেল বানাতে শুরু করলেন।

    এইসময়ে শুরু হয় তাঁর আপনমনে বিড়বিড় করে অনর্গল কথা বলার অভ্যাস। নিজেকে প্রশ্ন করা, নিজেই উত্তর দেওয়া, গার্সিয়া ডি’ওর্টার সঙ্গে এক অনন্ত কাল্পনিক সংলাপ যা উদ্ভিদজগত ছেড়ে বইতে থাকে অন্য খাতে, আক্ষরিক অর্থেই।

    ‘ভাদুরে রোদ পাদরিসায়েবের মাথায় উঠেচে গো! ঘিলুখান ভাজা ভাজা হয়ে গ্যাচে!’ মাঝিমাল্লারা আক্ষেপ করে।

    সেপ্টেম্বর মাসের এক সোমবার রুয়ানো ডে ইনফান্টে নতুন কেল্লায় এলেন পেদ্রো আলভারেজের সঙ্গে দেখা করতে। তাঁর দুহাত ভর্তি একগুচ্ছ মানচিত্র, সারণী, আর নীল সবুজ হলুদ রঙে চিত্রিত গাটা-পার্চার রিলিফ ম্যাপটা। অনেকদিন পরে রুয়ানোকে দেখে বিস্মিত হলো পেত্রো। চামড়ায় রোদে পোড়া কালচে ছোপ, মুখে মেচেতার দাগ, পাটের ফেঁসোর মতো চুলদাড়ি, ফ্যাকাসে চোখের চারপাশে গভীর বলিরেখা। গল্পকথার ভবঘুরে ইহুদির মতো চেহারা হয়েছে। রুয়ানো যখন মানচিত্রগুলো টেবিলের ওপর মেলে ধরে কথা বলতে শুরু করলেন, পেদ্রোর বিস্ময় দানা বেঁধে উঠল ঘোর সন্দেহে।

    ‘তিনটি মৌসমচক্র ধরে আমি গঙ্গার গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করেছি,’ রুয়ানো হাঁফাতে হাঁফাতে দ্রুত লয়ে বলে চলেন। ‘মূল ধারা এবং তার শাখাগুলো, কীভাবে জল বয়ে আসে আর তিনটি শাখানদীতে বিভক্ত হয়ে যায়, কেমন ভাবে নদীতলের গঠন বদলায়, কখন কোথায় পাড় ভাঙে আর চর জাগে। এইসব আমি খুঁটিয়ে দেখেছি, এখানে তার তথ্য পরিসংখ্যান রয়েছে। আমি একটি প্রকল্প নিয়ে আপনার কাছে এসেছি। এটি যদি রূপায়ণ হয় তাহলে বন্দর-হুগলির জাহাজঘাটায় পাঁচশো টন বা তার থেকেও বেশি ওজনের জাহাজ বছরের যেকোনো সময় যাওয়া-আসা করতে পারবে।’

    এরপর তিনি মানচিত্রের সাহায্যে এক বিচিত্র পরিকল্পনার রূপরেখা পেশ করলেন নদীর খাতে শল্যবিদ্যার প্রয়োগ! গঙ্গা যেখানে ত্রিধারা হয়েছে, তার দু লীগ নীচে একটি খাল শীতকালে সম্পূর্ণ শুকিয়ে যায়। সেই খালটি গভীর করে খুঁড়তে হবে, এবং জলের চাপ যেখানে এসে বেঁকে সরস্বতীর খাতে মেশে সেখানে পাড়ের বাঁক একশো মিটার কেটে নিয়ে কাদা আর বালি পূর্বদিকে যমুনার মুখে এনে ফেলতে হবে। এমনিতেও যমুনা অপেক্ষাকৃত রুগ্ন একটি ধারা, বর্ষার প্লাবনে অতিরিক্ত জল সুঁতি খাল দিয়ে বয়ে নিয়ে যায় বিদ্যাধরীর উজানে। ফলত প্লাবনের জল ঘুরে গিয়ে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় মধ্যবর্তী গঙ্গার খাত আরও গভীর করে তুলবে।’

    ‘পুরো অপারেশানটা হবে দুটো বর্ষার মাঝে, রুয়ানো বলেন। ‘এই কাজে কতজন শ্রমিক লাগবে, কতগুলো নৌকা আর ভেলা লাগবে, কতগুলি কাঠের বল্লা লাগবে, কোন আকারের, কত পরিমাণ বাঁশ লাগবে পাড়ের সুরক্ষা দেয়াল বানাতে, এমনকি নদীর তল থেকে বালি সেঁচে তুলতে কতগুলি বেতের ঝুড়ি লাগবে, সেইসব হিসেব কষে এনেছি আমি। এই যে।’

    রুয়ানো চামড়ার মুশিলা খুলে আরও এক তাড়া কাগজ বের করে টেবিলে রাখেন।

    পেদ্রো আলভারেজ ব্যস্ত মানুষ, নতুন কেল্লায় আপিস খোলার পর ব্যস্ততা আরও বেড়েছে। তবু ধৈর্য ধরে সার্জেন- পাদরির কথাগুলো শেষ পর্যন্ত শুনল।

    ‘এর চেয়ে উন্মাদ কোনো পরিকল্পনা আমি জীবনে শুনিনি!’ ঠাণ্ডা গলায় বলল পেদ্রো।

    ‘অবশ্যই তা নয়,’ রুয়ানো বললেন। ‘আজ থেকে কয়েকশো বছর আগে নীল নদে বাঁধ দিয়ে মিশরীয়রা এর চেয়ে ঢের উন্মাদ কাণ্ড ঘটিয়েছিল।’

    ‘আর এ জন্য যে বিপুল অর্থ আর বিশাল শ্রমিকবাহিনী লাগবে? সেসব কোথা থেকে আসবে?’ পেদ্রো চোখ সরু করে তাকায়।

    দেখা গেল রুয়ানো ডে ইনফান্টে এই বিষয়টাও কড়ায় গন্ডায় হিসেব কষে এসেছেন। নদীখাতে শল্যচিকিৎসার পরে যে বণিকেরা তাদের বড়ো বড়ো জাহাজ নিয়ে সটান বন্দর-হুগলি আসতে পারবে তাদের কাছে মুচলেকা বিক্রি করা যেতে পারে। তার মূল্য নির্ধারণ হবে বেতোরে নোঙর করে ছোটো নৌকায় মাল চাপিয়ে আনার সময় ও মূল্য হিসেব করে। তার কারণ তাদের সেই পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হবে। এছাড়া হুগলি নদী দিয়ে বছরভর যানচলাচল বেড়ে যাবে, এই অঞ্চলের হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মানুষ নৌকায় চেপে ভাটির দিকে কালীক্ষেত্রে তীর্থ করতে যাবে, হাটবাজারের ব্যাপারিরা যাবে। তাদের কাছ থেকেও কর আদায় করা যাবে।

    ‘আর শ্রমিকবাহিনীর কথাই যদি ওঠে, এই কাজে এমন এক গোষ্ঠীকে কাজে লাগানো যায় যাদের ব্যাপারে আমার চেয়ে ভালো জানে এই শহরে এমন আর কেউ নেই!’ টেবিলে দুবার তর্জনি ঠুকে রুয়ানো ঘোষণা করলেন।

    ‘তারা কারা?’

    ‘ক্রীতদাস!’

    .

    রুয়ানো ডে ইনফান্টের হাতে লেখা খুঁটিনাটি নকশা, সারণী ও হিসেবের তালিকা সংবলিত একটি প্রকল্পের প্রস্তাব পেদ্রোর সুপারিশ সহ পাঠানো হলো গোয়ায়। এছাড়া রুয়ানো নিজে নসা সেনোরা দো সাস্তো রোসারিওর প্রধান যাজক হিসেবে লিখলেন দেশের রাজাকে। হেনরি দ্য চেস্ট শুধু পর্তুগালের সাম্রাজ্যের সর্বময় শাসনকর্তাই তো নন, তিনি ক্যাথলিক চার্চের প্রধান কার্ডিনালও বটে। কিন্তু কোনো উত্তর এল না না গোয়া থেকে, না লিসবন থেকে। এরই মধ্যে রুয়ানো জাহাজঘাটার ধারে সরাইগুলোয় ঘুরে ঘুরে বড়ো বণিক, মহাজন আর জাহাজীদের আবেদন নিবেদন শুরু করলেন। কিন্তু তাঁর পরিকল্পনাটা এতই উদ্ভট, এবং ভবিষ্যৎ লাভের জন্য বাজি রেখে মুচলেকাপত্র কেনার ব্যাপারটা এতই অভূতপূর্ব যে কেউ কর্ণপাত করল না।

    শেষকালে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল এমন এক গোষ্ঠীর মানুষ যাদের কথা রুয়ানোর মাথাতেই আসেনি। গোকুলচন্দ্র রায় হিন্দু ব্রাহ্মণ, সাতগাঁ বন্দরে দালালি করে প্রভূত অর্থ এবং প্রতিপত্তি অর্জন করেছেন। তিনি বন্দরের মুসলমান নাখোদাদের জনে জনে বুঝিয়ে মাস দুয়েকের মধ্যেই দুশো স্বর্ণমুদ্রার একটি তহবিল তুলে দিলেন। এরপরেই বরফ গলল, সার্জেন- পাদরির প্রকল্প মান্যতা পেল, বন্দর- হুগলির জাহাজীদের গিল্ড অর্থসাহায্য করতে এগিয়ে এল।

    সাতগাঁর মৎস্যভূমিতে গোকুলচন্দ্র রায় কিংবদন্তি প্রতিম হয়ে উঠলেন। অনেককাল পরেও লোকে যখন জানতে চাইত কীভাবে তিনি এই অসাধ্য সাধন করলেন, অমায়িক ব্রাহ্মণ মুচকি হেসে বলতেন

    ‘এ আর কঠিন কী কাজ! ভগীরথ পথ কেটে মা গঙ্গাকে এনে সগর রাজার ষাট হাজার মৃত পুত্রের সদ্‌গতির ব্যবস্থা করেছিলেন। এই ইতিহাস তো সবারই জানা। কোনো নাখোদা সন্দেহ করলে বলতুম যাও বাপু, আমার কথা বিশ্বাস না হয় মকর সংক্রান্তির দিনে সাগরে গিয়ে তিরিশ লাখ স্নানার্থীকে জনে জনে জিজ্ঞেস করে এসো!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }