Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    পরিমল ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প984 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – ১০.১

    ১০.১

    গামা হারিয়ে যাবার পর গঙ্গাজল আনা, ফাইফরমাশ খাটার জন্য নিবারণ নামে এক ভারীকে বহাল করা হয়েছিল। এক বিকেলে বাগানে ইঁদারার মুখে গরাদ সরিয়ে বাগানে ফুলগাছে জল দিয়ে বন্ধ করতে ভুলে গেল নিবারণ। সন্ধ্যাবেলা ইঁদারায় পড়ে গেল চিন্তামণি। পরদিন দুপুরের পর দমকলের কর্মীরা ওর ফুলে-ওঠা দেহটা দড়ি দিয়ে টেনে তুললে দেখা গেল চিন্তামণির চোখের কোটর শূন্য, মণিদুটো নেই। দেখে মনে হবে মাছে ঠুকরে খেয়েছে, যদিও বাগানের ইঁদারায় কেউ কোনোকালে মাছ দেখেনি।

    গামা অদৃশ্য হতে চিন্তামণি নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েছিল। জরাগ্রস্থ হয়েছিল, হয়তো চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে এসেছিল। ওকে গোয়ালের বাইরে ছেড়ে রাখা হতো। সারাদিন বাগানের আশেপাশে, বাড়ির পেছনে আমবনে, শিয়ালকাঁটা ঝোপের ধারে দেখা যেত চিন্তামণিকে। জ্যোৎস্না রাতে কখনো কখনো ভেতর উঠোনে বাঁধানো ইটে শোনা যেত চিন্তামণির খুরের শব্দ।

    বাড়িটা ক্রমশ নির্জন হয়ে পড়েছিল। মশাইয়ের মৃত্যুর পর এতকালের টোল উঠে গেল। ছজন আবাসিক বিদ্যার্থী ছিল, তারা যে-যার গ্রামে ফিরে গেল।

    .

    তিতলির হাঁপানি ধরা পড়ল।

    শিশু বয়স থেকে সিঁড়ির অন্ধকার কোণে, পালঙ্কের নীচে, কুলুঙ্গিতে, তোলাঘরের সিন্দুকের ভেতর লুকোনোর অদম্য আকর্ষণ ছিল যার, একদিন তার ফুসফুস বিদ্রোহ করল, আচমকা পৃথিবীটা বায়ুশূন্য মনে হয়ে উঠল। রাত্রিবেলা টান উঠলে তিতলি মশারির বাইরে এসে জানলা খুলে গরাদ ধরে বসে থাকে, মুখটা বাইরের দিকে ঝুঁকিয়ে লম্বা লম্বা শ্বাস নেয়। ওর পিঠটা হাপরের মতো ওঠা-নামা করতে দেখে মনে হয় যেন পাঁজরের খাঁচায় বন্দি কেউ বুক ফাটিয়ে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে। হঠাৎ হঠাৎ শুরু হয়, কয়েক মিনিট চলার পর সম্পূর্ণ কেটেও যায়। অন্যসময়ে সে সুস্থ স্বাভাবিক, কোনোরকম উপসর্গ নেই।

    ‘মেয়েটা সারাদিন দস্যিপনা করে আদাড়ে পাদাড়ে ঘুরে বেড়ায়,’ বামুনদিদা বলল। ‘অশুভ বাতাস লেগেছে গো।’

    সরোজার ঘাটের সখী গঙ্গাজলেরা কেউ জলপড়ার নিদান দিল, কেউ দিল মাদুলি। বিশুর মনে পড়ল বনলতার কথা, তিতলি জন্মানোর আগে সে স্বপ্নে এসেছিল। মনে পড়ল মশাইয়ের মৃত্যুর আগে বলে যাওয়া সেই গোপন কাঁটার মতো রাত্রির কথা। দুধের শিশুকে মঠে গচ্ছিত রেখে নদীতে মরতে গিয়েছিল দিদিটা। মরার আগে দম বন্ধ হয়ে বুক ফেটেছিল।

    রামপ্রাণ উপসর্গ পরীক্ষা করে রোগনির্ণয় করলেন।

    ‘তোমরা যাকে বল হাঁপানি, হ্যানিম্যান সাহেবের শাস্ত্র অনুযায়ী এ হলো এক তিন-মুখো অপদেবতার একটি মুখ।’

    ‘অন্য দুটো মুখ কী?’ সরোজা বললেন।

    ‘চর্মরোগ আর যৌনরোগ। কড়া অ্যালোপ্যাথি ওষুধ দিয়ে এদের মধ্যে একটিকে চাপা দিলে অন্য একটি ফুটে বেরোতে পারে।’

    ‘ওইটুকু মেয়ে, এ আবার কেমন কথা!’ সরোজা প্রতিবাদ করলেন।

    ‘যদি একই মানুষের দেহে নাও ঘটে তাহলে পরের কোনো জাতকের মধ্যে হতে পারে,’ রামপ্রাণ বললেন। ‘এখন প্রশ্ন হলো, এই পরিবারে কিংবা ওর মায়ের দিকের পরিবারে আগের প্রজন্মে কারোর কি এর মধ্যে কোনো একটি রোগ ছিল?’

    এই প্রশ্নের কে উত্তর দেবে? এই পরিবারের অতীত প্রজন্মের কথা যে দুজন মানুষ বলতে পারতেন, শাকম্ভরী ও তাঁর ভাই মশাই, তাঁরা কেউই আর ইহলোকে নেই। রামপ্রাণ নিজে কিছু স্মরণ করতে পারলেন না। তাঁর কাছে সাতগাঁর মৎস্যভূমির সাড়ে আটশো মানুষের রোগের খুঁটিনাটি তথ্য আছে, চেম্বারে নোট বইয়ের আকারে বর্ণানুক্রমিক সাজানো আছে। তার মধ্যে আদিরামবাটির কেউ নেই।

    তিতলিকে আর্সেনিক অ্যালবাম-৩০ ছটি করে গুলি দিনে দু-বার জিভের নীচে রাখতে দিলেন রামপ্রাণ। বেগুন, মুসুরির ডাল, আটার রুটি থেকে শুরু করে ডিম, চিংড়ি, যেকোনো ধরনের সামুদ্রিক মাছ, কাঁকড়া এবং চকোলেট ভক্ষণে নিষেধাজ্ঞা জারি করলেন। তাতে টানের প্রকোপ কিছুটা কমল, কিন্তু ব্যাপারটা নতুনবউয়ের মনঃপুত হলো না।

    ‘ঠিক যে যে খাবারগুলো মেয়েটা খেতে ভালোবাসে সেগুলোই বাদ!’ স্বামীর কাছে একান্তে অনুযোগ করল সে। ‘মা হয়ে আমি এটা সইতে পারব না। এই চিকিচ্ছে পদ্ধতি চলবে না!’

    ‘এই পদ্ধতি মেনেই তো চলছে অধিকাংশ মানুষ,’ বসন্ত বলল।

    ‘সে যে মানে মানুক, হাতের তালুতে মেরে ওষুধের অণু-পরমাণু ভাঙেন আর গাছের সঙ্গে কথা বলেন যিনি, তেনার ওষুধে যে ভালো হচ্ছে হোক। আমার একটা মাত্র মেয়ে, ওর ওপর ওসব উদ্ভট পরীক্ষা আমি চালাতে দেব না।’

    নতুনবউয়ের এক জাঠতুতো দিদি মিনেসোটায় থাকেন। তিনি জানালেন, অ্যালার্জি পরীক্ষার মাধ্যমে এক নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি ওদেশে সম্প্রতি চালু হয়েছে। আমেরিকায় নাকি প্রচুর মানুষ হাঁপানি রোগে আক্রান্ত হয়, বিশেষ করে বসন্তকালে যখন বাতাসে নানা ধরনের ফুলের পরাগ ভাসে। এই নতুন চিকিৎসায় অনেকেই সুফল পাচ্ছে। কিছুকাল আগে এক ভারতীয় চিকিৎসক প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ফিরে ক্লিনিক খুলেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেল সেটি মাদ্রাজে, এবং জটিল পরীক্ষার মাধ্যমে বিশেষ অ্যালার্জি নির্ণয় করে চিকিৎসা শুরু করতেই ছয় থেকে আট সপ্তাহ লাগে।

    ‘আমি তিতলিকে ওই নতুন ডাক্তারের কাছে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাতে চাই,’ নতুনবউ সাফ ঘোষণা করল।

    ‘সেটা কীভাবে হবে?’ বসন্ত প্রতিবাদ করে। ‘বাবার অনুমতি ছাড়া এবাড়ির কেউ কখনো বাইরের ডাক্তার দেখায়নি।’

    ‘তাহলে অনুমতি নাও!

    ‘সেটা আমি এক্ষুনি পারব না। বাবার চিকিৎসায় আরও অন্তত কিছুদিন দেখা হোক।’

    ‘তাহলে চল আমরা কোয়ার্সভিলে গিয়ে উঠি। আর নয়তো আমি ছেলেমেয়ে নিয়ে কৃষ্ণনগরে চলে যাই।’

    দুটোই অসম্ভব প্রস্তাব। নতুনবউয়ের বাবা মারা যাবার পর কৃষ্ণনগরের জীর্ণ বাড়িতে ছেলেমেয়ে নিয়ে গিয়ে থাকার হুমকিটা যে ফাপা, সেটা বসন্ত জানে। আর স্বাধীন রোজগার থাকলেও ওর পক্ষে বাস উঠিয়ে কয়েক মাইল দূরে গিয়ে থাকা সম্ভব নয়। তার অন্যতম কারণ হলো ছেলেবেলা থেকেই সে বাবার হাতের মুঠোয়, আক্ষরিক অর্থেই আন্ত্রিক স্তরে: ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নিয়মিত বাবার ওষুধপথ্য ছাড়া বসন্তর দাস্ত অচল। সত্যি বলতে, ওর বৃহদান্ত্রে জন্মগত ফাঁসের সঙ্গে তিতলির হাঁপানি রোগের কোনো সম্পর্ক আছে কী না এই নিয়ে রামপ্রাণের মনে একটু খটকা ছিল।

    *

    অবশেষে সঙ্কটমুক্তির একটি রাস্তা খুঁজে বের হলো। সেই সময় ইসতিত্যুত দ্য ফঁস-এর পন্ডিচেরি শাখা তাদের কাজের পরিধি বিস্তার করছে। পুরোনো নথিপত্র সংরক্ষণের অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ নেবার জন্য সেখানে ডেপুটেশনের আবেদন করল বসন্ত, সেটি মঞ্জুরও হলো।

    সেই সময়ে সাতগাঁর তরুণ প্রজন্মের অনেকেই অন্যত্র চাকরি নিয়ে ভাগ্যের সন্ধানে চলে যাচ্ছে। তবে আদিরামবাটিতে ব্যাপারটা একটু ভিন্ন; এর আগে পাগলরামের ভিটে ছেড়ে যাওয়াটা সুখের হয়নি। তবু শেষ পর্যন্ত সরোজা ছেলের সিদ্ধান্ত সমর্থনই করলেন। সপরিবারে পন্ডিচেরিতে চলে গেল বসন্ত।

    সপ্তাহে তিনদিন করে বাসে মাদ্রাজে গিয়ে সেই বিলেত-ফেরত ডাক্তারের ক্লিনিকে তিতলির পরীক্ষানিরীক্ষা চলতে লাগল। ছয় সপ্তাহ ধরে ছুঁচ ফোটানোর পর সর্বমোট ৩২টি অ্যালার্জিকারক দ্রব্য শনাক্ত হলো। তার মধ্যে তিতলির খাদ্যতালিকা থেকে রামপ্রাণের ছেঁটে দেওয়া সুখাদ্যগুলো তো ছিলই, আরও অতিরিক্ত কিছু যোগ হলো। ইতিমধ্যে করমন্ডলের নোনা সামুদ্রিক আবহাওয়ায় তিতলির স্বাস্থ্য ফিরেছে, হাঁপানির টান চলে গিয়েছে। সাতগাঁর যে বিখ্যাত হাওয়া দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষদের মৎস্যভূমিতে বেঁধেছিল, দেখা গেল ওর ক্ষেত্রে সেটি কার্যকর নয়। ডেপুটেশনের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করল বসন্ত, তিতলিকে পন্ডিচেরির সেক্রেড হার্ট কনভেন্ট স্কুলে ভর্তি করল।

    এই সময়ে বাগানের ইঁদারায় পড়ে মারা যায় চিন্তামণি। পরদিন দমকলের লোকেরা এসে ওর ফোলা, চক্ষুবিহীন দেহটা তোলার পর ট্রাকে চাপিয়ে হুগলির খালপাড়ে বাদাবনের ভাগাড়ে নিয়ে গিয়ে সৎকার করা হয়।

    বামুনদি বলল—‘চিন্তামণি সুসাইট করেছে!’

    বিশুকা বলল—‘ইঁদারার পথে পাতালে গামাকে খুঁজতে গিয়েছে। দেহটা নিয়ে যেতে পারেনি, চোখদুটো শুধু গিয়েছে।’

    *

    অ্যান্টনির মৃত্যু ও অন্ত্যেষ্টির বিবরণ দিয়ে বাপ্পাকে চিঠি লিখেছিল তিতলি। এবারে তিতলি নেই, বাপ্পা সাতগাঁয় এসে সব জানল। গোয়ালঘরে চিন্তামণির নির্দিষ্ট জায়গাটা ফাঁকা দেখল। একপাশে হার্লে ডেভিডসন একা দাঁড়িয়ে আছে কালো ত্রিপলে ঢাকা, যেন শোক পালন করছে।

    তিতলি-কানাই নেই, চিন্তামণি নেই, অ্যান্টনি নেই, নতুনবউয়ের ট্রাঞ্জিস্টারে অনুরোধের আসর নেই, টোলের বাড়িতে পোড়োদের মুগ্ধবোধ মুখস্তের ধ্বনি নেই। এক বিচিত্র নৈঃশব্দ্যের ভেতরে বাপ্পা শোনে আদিরাম মন্দিরে ঘন্টাধ্বনি, মার্টিন্‌স লাইট রেলের হুইশিল, দক্ষিণের ঘরে ক্রিস্টাল রেডিওয় অশান্ত পূর্ব সীমান্তের খবর পড়ছেন দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়। টিনের বাক্সে স্নো-পমেটম বেচতে আসা ফেরিওয়ালির ডাক, হিন্দুস্থানী ঘুঁটেওয়ালিদের ডাক, পেতল-কাঁসার বাসনওয়ালার ডাক, শিল-কাটাই-অলা আর কুয়োর কাটা-তোলাবে-গো-র ডাকগুলো ভর দুপুরে উঠোনে নিমের ছায়ায় গাঢ় হয়ে ওঠে। বারান্দায় গ্র্যান্ডফাদার ক্লকের ঘন্টা আর বিশুকার উনত্রিশ দেবদেবীর আহার নিদ্রা জাগরণের ঘন্টাধ্বনি বাজে। তোলাঘরে অতিকায় শঙ্খের কুহরে কিট-কিট-কিট-কিট করে ডেকে চলে ঘুণপোকা, ডুগডুগিটার চামড়ায় লোম বাড়ে, চামরের চুল পাকতে থাকে হার্মাদি সিন্দুকের ভেতর।

    ফার্মেসিতে রামপ্রাণের রোগী দেখা চলে যথা নিয়মে, কুয়োর ধার থেকে নিমের ছায়া সরে গেলে গামছা আর পটাশিয়াম পারমাঙ্গনেট মেশানো জলের বালতি নিয়ে সরোজার অপেক্ষাও চলে যথাপূর্বং। কিন্তু মিষ্টি প্লাসেবো গুলির টানে বাপ্পার আর চেম্বারে যাবার মতো বয়স নেই, তিতলি নেই, জড়িবুটির ঝুলি নিয়ে আলিসাহেবের আসা-যাওয়া নেই। ইদানীং নাকি বছরের বেশিরভাগ সময় তিনি হিমালয়ে কাটান।

    এদিকে হেমন্ত ক্রমশ আরও ঘরকুনো হয়ে পড়েছে। সারাদিন ওই আলোবিহীন ঘরে থেকে থেকে গায়ের রং ফ্যাকাশে হয়েছে, দাড়ি রাখতে শুরু করেছে। পার্টি কমিউন ছেড়ে বাড়িতে ফিরে আসার পর যখন ফোটোগ্রাফির নেশায় মাতল, রামপ্রাণ একদিন সরোজাকে একান্তে বলেছিলেন—

    ‘সাতগাঁয়ে একটা ছবি তোলার দোকান নেই, লোকে ছবি তোলাতে সেই চাঁদেরডাঙায় যায়। ডকবাজারে এক পেশেন্টের বড়ো দোকানঘর ভাড়া নেওয়া আছে, ঘরটা ছেড়ে দেবে বলছিল। ওটা নিয়ে হিমুকে একটা স্টুডিও বানিয়ে দিলে কেমন হয়?’

    ‘তাহলে তোমায় রেডিও সারাইয়ের দোকানও করে দিতে হবে,’ সরোজা উত্তরে বলেছিলেন। ‘ঘড়ি সারাইয়ের দোকান, পাখা সারাইয়ের দোকানও দিতে হবে। আর কোন্ কোন্ কল সারাইয়ের দোকান যে দিতে হবে সে একমাত্র আদিরামই জানেন।’

    বসন্ত ফোটোগ্রাফির সরঞ্জাম এনে দেবার পর ছবি ডেভেলপ ও প্রিন্ট করা ছাড়াও বিকল ক্যামেরা সারাইয়ের কাজ করতে শুরু করে হেমন্ত। এছাড়া ঘড়ি, রেডিও, টর্চ, পাখা, বিভিন্ন ধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, এমনকি দম-দেওয়া জটিল বিলিতি খেলনাও সারাই করে। পাড়া-বেপাড়ার পরিচিত অপরিচিত যারা সেসব সারাতে নিয়ে আসে, তারা কেউ কেউ এজন্য ওকে পারিশ্রমিক দেয়। অনেকেই কিছু দেয় না। কেউ কেউ এমন সব পুরোনো বিরল মডেলের জিনিস নিয়ে আসে যার স্পেয়ার পার্টস হয়তো আর পাওয়াই যায় না। বিকল সামগ্রী ঘরের কোণে ডাই হয়ে পড়ে থাকে, ধুলো জমে। কখনো হেমন্ত তার মধ্যে থেকে কোনো যন্ত্রাংশ খুলে অন্য কোনো বিকল যন্ত্রে লাগিয়ে দেয়, এবং তারপর আগের সামগ্রীটির বিকল অংশের অনুরূপ কিছু পাওয়া গেলে সেটি বসিয়ে দিয়ে অপেক্ষা করে খুলে নেওয়া যন্ত্রাংশের কপি আসার জন্য। এভাবে এক অনন্ত চক্র চলতে থাকে, ঘরের চারদিকে ক্রমশ বিকল বাতিল গিয়ার, ইস্ক্রুপ, ওয়াশার, পিন, সার্কিটবোর্ড, নব, ভাল্‌ব, আর্মেচার ও মোটরের পাহাড় জমে।

    অনেকেই সারাই করতে দিয়ে আর কোনোদিন নিতে আসে না। আসবে না যে সেটা জেনেই হয়তো রেখে যায়, যেভাবে লোকে সরস্বতীর ঘাটে শীতলা কার্তিক শনি দেবতার মূর্তি রেখে যায়, গঙ্গাসাগরের মেলায় বয়স্কা আত্মীয়া রেখে হারিয়ে যায়। বহুকালের ব্যবহৃত বিকল গৃহসামগ্রী প্রবীণ আত্মীয়ের মতোই, মি’লেডি, তাকে না-যায় ফেলা না-যায় ঘরে তুলে রাখা।

    দক্ষিণ ঘরের দেওয়ালে তাকগুলোয় কাশীবাসী বৃদ্ধ বৃদ্ধা আর পরলোকগতদের রাশি রাশি পোর্ট্রেট ডাই হয়। ফোটোগ্রাফির নেশাতেই ছবি তোলে হেমন্ত— মুখে ঘন বলিরেখার জ্যামিতি, চোখের তারায় ক্ষীয়মাণ আলোর রেশ ধরে রাখার বিশুদ্ধ নান্দনিক চ্যালেঞ্জ তাকে ক্যামেরা হাতে ঘর থেকে টেনে বের করে। যারা ছাপাই কাগজ আর রাসায়নিকের খরচ দেয় তাদের কপি করে দেয়, নয়তো নিজের কাছে জমিয়ে রাখে। শীতের মরশুমে ছবির ব্যক্তিরা কেউ কেউ ঝরে যায়— স্বদেশে, প্রবাসে। কিন্তু হেমন্ত কখনো মৃতের ছবি তোলে না, শত অনুরোধে কিংবা মোটা টাকার লোভ দেখালেও না।

    *

    খেলার সাথি নেই, বাড়িটা উদাস হয়ে পড়েছে, সরোজা নদীতে স্নানে যাবার সময় বাপ্পাকে সঙ্গে নিয়ে যেতে লাগলেন। শীত পড়লে সরস্বতী শুকিয়ে গিয়ে বালির খাতে শীর্ণ ধারা হয়ে যায়। কিন্তু গ্রীষ্মে হিমালয়ের বরফ-গলা জলে পুষ্ট নদী, কাকচক্ষু, কাঠফাটা দুপুরেও আশ্চর্য ঠান্ডা তার জল। বাপ্পা সাঁতারটা শিখে ফেলল।

    বহুকাল আগে, হেমন্ত যখন ছোটো, বিশু ঠাকুর ও তার স্যাঙাৎ শিবু ঠাকুর ইস্কুলে গরমের ছুটি পড়লেই পাড়ার ছোটোদের নিয়ে নদীতে সাঁতার শেখাতে যেত। একবার ভরা কোটালের বানে জ্ঞাতিবাড়ির এক ছেলে ডুবে যায়, তারপর থেকে ওরা আর কাউকে সাঁতার শেখাতে নিয়ে যায়নি। বছর দুই আগে—তখনও তিতলির হাঁপানির টান শুরু হয়নি—পিতৃপক্ষে তর্পণের সময়ে বসন্ত দিনকয়েক বাপ্পা আর তিতলিকে আঘাটার কাছে স্থির অগভীর জলে সাঁতার শেখানোর চেষ্টা করে। ওদের কোমরে গামছা বেঁধে দুজনকে দুহাতে পেছন থেকে ধরে জলের ওপর ভাসিয়ে দিয়ে চিৎকার করত— ‘অ্যালি! অ্যালি! অ্যালি!’ বাপ্পা আর তিতলি কুকুরছানার মতো মাথা তুলে চোখ বন্ধ করে মরীয়া হাত-পা ছুঁড়ত। তিন-চার দিনে প্রচুর নদীর জল পেটে যাওয়া ছাড়া কিছু লাভ হয়নি।

    এবারে সরোজাই বাপ্পাকে সাঁতার শেখালেন। এবং যে অব্যর্থ উপায়ে যেকোনো প্রাকৃতিক বিদ্যা শেখানো যায়, শেখানো হয়ে এসেছে অতীত কাল থেকে, সেভাবেই শেখালেন অর্থাৎ, কিছুই শেখানোর চেষ্টা করলেন না। বাপ্পাকে ঘাটের তিনটি জলে-ডোবা সিঁড়ির চৌহদ্দিতে স্বাধীনভাবে থাকতে দিলেন, এদিকে নিজে বুকজলে দাঁড়িয়ে স্নানের সখী গঙ্গাজলেদের সাথে নিত্যকার জপতপ অবগাহন আর গল্পগুজবের সুরক্ষাবৃত্ত রচনা করলেন।

    তিন নম্বর সিঁড়িতে কোমর-ডোবা জলে বাপ্পা শোনে দিদার সখীদের ছোটো ছোটো সুখদুঃখের বার্তা বিনিময় দুপুরে কী রান্না হলো, রাতে কী রান্না হবে, কোন নিরামিষ্যিতে কখন হিং দিতে হয়, কোন ব্যারামের কী পথ্যি, কার বাড়িতে কোন এসো-জন বসো -জন এল, গেল… এইসব।

    বহুকাল পরে সেইসব দৃশ্যগুলো স্মৃতিতে ফুটে উঠলে বাপ্পার উপলব্ধি হবে: এইসব প্রবীণারা— যাঁদের কেউ কেউ বুক জলে দাঁড়িয়ে নদীকে সাক্ষী রেখে, পরস্পরের হাতে হাত রেখে আজন্ম বন্ধুত্বের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ গঙ্গাজল হয়েছেন নিত্যকার তুচ্ছ খুঁটিনাটিতে ভরা জীবনকে এক বিচিত্র আলোর সুতোয় বুনে তুলতেন, প্রাত্যহিক ঘরকন্নার কাজগুলো জপমালার মতো আউড়ে যেতে যেতে সময়কে শ্লথগতি করে তুলতেন, নিরন্তর আত্মীয়স্বজনের বার্তা বিনিময়ের মাধ্যমে লতায় পাতায় শিকড়ে জড়ানো এক বিপুল গোষ্ঠী-অরণ্যের মানচিত্র নির্মাণ করতেন। তাঁদের কথায় প্রবাদ প্রবচন বাগধারার ভেতরে স্বাভাবিকভাবেই জড়িয়ে থাকত মমতা আর অসূয়া, দয়া আর লোভ, কিন্তু সেসব তখন বোঝার মতো বয়স বাপ্পার হয়নি। তাঁরা কথায় কথায় হাসতেন, দীর্ঘশ্বাস ফেলতেন, মাঝেমাঝেই একে অপরের হাতে হাতে ধরে ডুব দিয়ে উঠতেন। কেউ কেউ কিছু বেশি সময় অবগাহন করে ভুস করে উঠে জানাতেন—-

    ‘আমার বাছুরডোবার ননদের মেজবৌমার মেয়ে হয়েছে কাল রাতে! এইমাত্তর জানালো!’

    ‘কে? পোটোর বুঝি নাতনি হলো?’

    ‘ছেলের কোলে মেয়ে এল না?’

    ‘তা হোক, ঘরে নক্ষ্মী এল!’

    সূর্যের আলোয় ওঁদের জলে-ভেজা মুখগুলো ঝিকমিক করত।

    জলে-জলে এই বার্তা বিনিময়ের ক্ষমতা নিয়ে বাপ্পার বিস্ময় কোনোকালে ঘোচেনি। হেমন্তমামার গ্যালেনা ক্রিস্টাল সেটেও আশ্চর্য বিস্ময় ছিল, কিন্তু সেখানে যে কন্ঠস্বর শোনা যেত সেটি প্রায় নৈর্ব্যক্তিক। টেলিফোনে সংলাপের মতো কোনোরকম তার বা যন্ত্রের সাহায্য ছাড়াই দুটি মানুষ একই নদীর দুই বিচ্ছিন্ন ঘাটে ডুব দিয়ে কীভাবে কথা বলে সেটা দিদাকে জিজ্ঞেস করলে সরোজা তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে হাত নেড়ে বলতেন—

    ‘ও কিছু না, যে কেউ চেষ্টা করলেই পারে। এদেশের নদীনালা কত মানুষের কত কথায় সারাক্ষণ গমগম করছে। আসল কায়দাটা হলো সেসব শুনতে পারা নয়, যে কথাগুলো শুনতে চাওনা সেগুলো না শুনতে পারা। যার কথা শুনতে চাও, যাকে কিছু বলতে চাও, মনটাকে তার কথার সঙ্গে বাঁধা।’

    তিন নম্বর সিঁড়িতে হাঁটু মুড়ে বসে বাপ্পা দুহাতের তর্জনি আর বুড়ো আঙুলে নাকের পাটা আর কান চেপে ধরে মাথাটা ধীরে ধীরে ডুবিয়ে দেয় জলের ভেতর, তারপর কান থেকে তর্জনি সরিয়ে নেয়। চোখের খোলা পাতায় সবজে-ধূসর আলো দোলে, কানে মৌচাকের মতো ভোঁ ভোঁ শব্দ হয়। কয়েক মুহূর্ত, তারপরেই বুক ফাটে, মাথা তুলে শ্বাস নেয় বাপ্পা। কিন্তু জলের ভেতরে ওই শব্দটা… অবিকল যেন হেমন্তমামার ক্রিস্টাল রেডিওয় ভেসে আসা স্ট্যাটিক! জীবিত মৃত মানুষের কন্ঠস্বর? বাপ্পা ভাবে। গ্যালেনা ক্রিস্টালের রেডিও বাতাসে অদৃশ্য চৌম্বক তরঙ্গকে মানুষের কন্ঠস্বরে বদলে নিতে পারে। আর বাপ্পা? বাপ্পা ফের জলের ভেতরে ডুব দেয়। জীবন্ত খলবলানো জল, জলের ভেতরে চোরা ঢেউ… গুনতে থাকে পাঁচ, দশ, পনেরো… ক্রমশ ফুসফুসে শ্বাস ধরে রাখা অনুশীলন করে।

    পরপর কয়েকদিন ধ্বনিপ্রবাহের মধ্যে থেকে দুর্বোধ্য কোলাহলগুলো না শোনার অভ্যাস করতে করতে, একটিমাত্র স্বরে মন বাঁধার অভ্যাস করতে করতে, একদিন শুনতে পেল অতি ক্ষীণ ঝমঝম ঝমঝম ধ্বনি হুগলি খালের ওপর দিয়ে সোয়া আটটার বন্দর-হুগলি লোকাল যাচ্ছে! মানুষের কন্ঠস্বর শুনতে পেল না, কিন্তু দিনের পর দিন হাঁটু মুড়ে বসে সামনে ঝুঁকে সম্পূর্ণ দেহটা জলে ডুবিয়ে মনটাকে তরল প্রবাহে মুক্ত করে গলতে দিয়ে একদিন সে জিভে অনুভব করল আলোর ধাতব স্বাদ। টের পেল, তার পা ঘাটের সিঁড়ি ছেড়েছে, মেরুদন্ডটা ধীরে ধীরে ভেসে উঠছে ওপর দিকে, দেহটা হেটমুন্ড ঊর্ধ্বপদ হতে চাইছে যেন! তিন- চারদিন এভাবে অভ্যাস করার পর পিঠটা জলতলের ওপর ভেসে উঠতে বাপ্পা ঝিকিমিকি আলোয় ভরা আকাশে মাথা তুলে শ্বাস নিল। দেখল, চার-পাঁচ হাত দূরে দিদাদের স্নানের বৃত্তে চোখ বুজে বিড়বিড় করে মন্ত্রোচ্চারণ করছেন একজন, একজন দুহাতের কোষায় জলাঞ্জলি দিচ্ছেন সূর্যকে, বাকিরা ডুব দিয়েছেন, ডুব দিয়েছেন দিদাও। জলের ওপর দিদার লালপেড়ে শাড়ির আঁচলটা ধোঁয়ার মতো ভাসছে, হাতছানি দিয়ে ডাকছে।

    বাপ্পা দু পায়ে জল ঠেলে, দু হাতে জল কেটে এগিয়ে গিয়ে খপ করে ধরে ফেলল আদাজিরেবাটাগন্ধী আঁচলটা।

    *

    চিত্তামণির মৃত্যুর পাঁচ মাস পরেও বিশু ঠাকুর মাঝরাতে মাঝে মাঝে ভেতরবাড়ির উঠোনে খুরের খপ খপ শব্দ শুনতে পাচ্ছিল। সে কথা সরোজা বৌঠানকে বলতে তিনি বামুনদির সঙ্গে চোখ চাওয়াচাওয়ি করলেন, বামুনদি ঠোঁটে আঁচল চেপে হাসি ঢাকল। সরোজা একান্তে রামপ্রাণকে জানাতে তিনি বললেন—

    ‘বোধ করি শিবুর সঙ্গে ছাড়িগঙ্গার ধারে বসে গঞ্জিকাসেবনটা একটু বেশিমাত্রায় হচ্ছে!’

    কিন্তু কোনো কটাক্ষে কর্ণপাত না করে বিশু পিতৃপক্ষের কালে প্রয়াত পূর্বজদের পাশাপাশি চিন্তামণির জন্যেও তিলতর্পণ করল সরস্বতীর ঘাটে। নিশুতিরাতে উঠোনে খুরের শব্দ বন্ধ হলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }