Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    পরিমল ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প984 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – ১০.৪

    ১০.৪

    বাড়িভর্তি লোকজন, শোকের ছায়া, বাপ্পার জীবনে অনিশ্চয়তার মেঘ। এসবের মাঝেই বসন্তরা পন্ডিচেরি ফিরে গেল। বাপ্পা তিতলিকে একলা পেল না, ওকে মায়ের অসুখের কথা জানানোর সুযোগ পেল না।

    শিউলির অসুস্থতা, রথীনের ঘন ঘন বদলি, স্কুল পালটানোর মধ্যে দিয়ে ঠাঁইনাড়া হতে হতে আলোছায়ার ভেতর, অর্ধসত্যের ভেতর, দেহে মনে পরিবর্তনগুলোর ভেতর দিয়ে ভিন্ন ধরনের নিঃসঙ্গতার অনুভূতিটা এক নতুন অচেনা শহরে বাস করতে আসার মতো যেমনটা ঘটেছিল রথীনের জীবনে, তরুণ বয়সে গৌহাটি ছেড়ে কলকাতায় চলে আসার পর। নিজের ভেতরে এক অচেনা ছমছমে কলকাতাকে আবিষ্কার করতে শুরু করেছে বাপ্পা দাঙ্গাবিধ্বস্ত, মন্বন্তরপীড়িত, কল্লোলিনী। সাতগাঁয় কেবলমাত্র বিশুকার কাছে গিয়ে বসলে একটা স্থির আশ্রয়ের অনুভূতি হয়। হেমন্তমামার ঘরে গিয়েও সেটা হয়।

    অশৌচ শেষ হবার পরেও আর চুলদাড়ি কামায়নি হেমন্ত, গালভর্তি দাড়িতে মুখ ঢেকেছে। এদিকে দক্ষিণের ঘরটা নানান ধরনের পুরোনো, বাতিল, সারাতে- দেওয়া, নিতে-না-আসা যন্ত্রপাতিতে ভরে উঠেছে। এই ঘরে সারাটা দিন কাটায় সে, বাইরে বেরোয় না, কাউকে এমনকি ঘর পরিষ্কারের জন্যও ঢুকতে দেয় না।

    সরোজা যখন ছিল, হেমন্তর প্রতিরোধ উপেক্ষা করে দু-তিনদিন অন্তর ঘরে ঢুকে সব জানলা দরজা খুলে বাইরের আলো হাওয়া ঢুকতে দিত; মেঝেয় টেবিলে ডাই হয়ে থাকা ঘড়ি রেডিও, বৈদ্যুতিক মোটর ইত্যাদির কলকব্জা গুছিয়ে রাখত। এরপর শিউলি বার কয়েক চেষ্টা করে হাল ছেড়ে দিয়েছে।

    ‘কোথায় কোন জিনিসটা আছে সেসব আমার মাথায় থাকে। এলোমেলো করে দিলে আমি কোনো কাজ করতে পারব না,’ হেমন্ত বলেছে।

    সরোজার পারলৌকিক কাজ মিটে যাবার পরে, কলকাতায় নতুন চিকিৎসা শুরু হবার আগে শিউলিরা কিছুদিন সাতগাঁয়ে থেকে গেল। মালদায় অফিসের কাজকর্ম গুটিয়ে এনে রথীন কলকাতায় রাইটার্স বিল্ডিংস-এ আসার প্রস্তুতি নিতে লাগল।

    রামপ্রাণ বাইরে থেকে অটুট আছেন। একজন চিকিৎসক হিসেবে মৃত্যু তাঁর বিশ্বস্ত শত্রু। কিন্তু ভেতরে ভেতরে তিনি ফোঁপরা হয়ে যাচ্ছিলেন সেই নারীর অভাবে, যিনি জীবনের এতগুলো বছর তাঁর পাশে থেকেছেন, বিয়ের পর একদিনের জন্যেও বাপের বাড়িতে গিয়ে থাকেননি, যাঁর সঙ্গে একটিবার মাত্র তাঁর গুরুতর মনান্তর ঘটেছে, এবং যাঁকে তিনি— ‘ওগো শুনছ’ ছাড়া আর অন্য কোনো নামে ডাকেননি। শিউলি এসে থাকায় শোকের কিছুটা উপশম হলো। গামা নেই, নিবারণকে ছাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ডকবাজারে চায়ের দোকান দিয়েছে নিবারণ। রামপ্রাণ মেয়ের ওপর কিছুটা নির্ভরশীল হয়ে পড়লেন।

    ইদানীং তিনি আলিসাহেবের পরামর্শে পাঁচ রকমের মরশুমি সব্জি ভাপিয়ে তাতে মধু, লেবুর রস, হিমালয়ের গোলাপি লবণ ও দারুচিনি, লবঙ্গ, জায়ফল, জয়িত্রী আর গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে প্রাতরাশ করেন। সারাদিনে ওটাই তাঁর একমাত্র খাদ্য। পাঁচ রকমের গরম মশলা একসঙ্গে নয়, একেক দিনে একেকটি, সুনির্দিষ্ট ক্ৰমে পাঁচদিন পর পর ঘুরে চলে। সপ্তাহে যেহেতু সাতটি দিন, তাই কোনো এক বারের মশলা পরের বারে গিয়ে বদলে যায়। সরোজা এই জটিল চক্র মনে রাখতেন, একদিনও ভুল হয়নি। শিউলি ক্যালেন্ডারে লিখে চালিয়ে যেতে লাগল। শারীরিক উপসর্গ নিয়ে আগের মতো না হলেও যতটা পারে ফার্মেসির কাজে সাহায্য করতে লাগল।

    এই ক’বছরে শ্রীশ লাহিড়ির চোখের দৃষ্টি আরও কমেছে, ওষুধ চিনতে ভুল হয়। ঠোঁটের কোণে শ্বেতীর দাগ ছড়িয়ে পড়েছে সর্বাঙ্গে। রামপ্রাণের ওষুধেকাজ হয়নি। ওঁকে সাহায্য করার জন্য শিবু চক্রবর্তীর এক শ্যালককে রাখা হয়েছিল, কয়েকদিন কাজ করার পর সে আর আসেনি। দুপুর পড়ে এলে সরোজার মতোই কুয়োতলায় বেসিনের পাশে গামছা, সাবান আর পটাশিয়াম পারমাঙ্গানেট মেশানো জলের গামলা নিয়ে এসে দাঁড়ায় শিউলি। খুচরো পয়সা আর কড়ি জীবানুমুক্ত করে তুলে গুনে একটি লাল রঙের খেরোর খাতায় প্রতিদিনের আয়ের হিসেব রাখে। এই কাজে বাপ্পা মাকে সাহায্য করে। ইতিমধ্যে পাটিগণিত আর বীজগণিত অনেকটা আয়ত্ত হয়েছে তার।

    পয়সার স্তূপে মাঝেমধ্যেই অচল কড়ি, ইংরেজ আমলের ফুটো পয়সা, সিকি, আনা, এছাড়া ফিরিঙ্গিডাঙার বিভিন্ন দেশের মুদ্রা—কোনোটি যিশু খ্রিস্টের মুখ আঁকা, কোনোটিতে রাজমুকুট ও ঈগল পাখি, সস্ত, যোদ্ধা, ডানাওয়ালা ঘোড়া, এমনকি সুলতানি আমলের তামার মুদ্রাও থাকে। শিউলি সেসব একটি কাপড়ের বটুয়ায় তুলে রাখে। কখনো অদ্ভুতদর্শন মুদ্রা দেখলে বাপ্পা রথীনকে দেখানোর জন্য রেখে দিতে চায়। ওর বাবা সব জানে, হাতে নিয়ে নেড়েচেড়ে ঠিক বলে দিতে পারবে কোনটি মহম্মদ বিন তুঘলকের আমলের সিক্কা, কোনটি ভেনিসিয় ড্যুকাট, কোনটি হিস্পানি ডলার, আর কোনটাই বা মলাক্কার মিয়াম। কিন্তু বাবা কাছে নেই, বাপ্পা তাই নিয়ে যায় বিশুকার কাছে। বিশুকা মুদ্রার সনাক্তকরণ করতে পারে না, কিন্তু তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সাতগাঁ বাণিজ্যনগরীর কাহিনি শোনায়।

    .

    এরই মধ্যে একদিন বিশুকা বাপ্পাকে ঠাকুরবাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে বলল-

    ‘তোকে একটা জিনিস দেখাব। কাউকে বলবি না তো?’

    বাপ্পা অভ্যাসবশে বলে— ‘দিব্যি কাটছি কাউকে বলব না!’

    বিশুকা লক্ষ্মীনারায়ণের মূর্তির সামনে রাখা একটি ছোট্ট ঘাসের ঝাঁপির ভেতর কড়ির মধ্যে থেকে বের করে আনে একটি নীলাভ মুদ্রা, যার দুদিকেই হিজিবিজি লেখা, কোনো ছবি নেই।

    ‘কী এটা?’

    ‘মোহর!’ বিশুকা রহস্যময় হাসি হাসে।

    আজন্ম বিশুকার নানা ধরনের হাসি দেখেছে বাপ্পা। কিন্তু এই হাসিটা কেমন যেন অচেনা। ঠোঁটে হাসি থাকলেও চোখের চাউনি উদাস আর বিষণ্ণ। বাপ্পা হঠাৎ ভয় পেয়ে যায়।

    *

    মৃত্যুর আগে মশাই বুকের ভেতর জমিয়ে রাখা যে গোপন সত্যটি বলে গিয়েছিলেন, সেটি জানার পর অনেক রাত দু চোখের পাতা এক করতে পারেনি বিশু। বহু বছর আগে ভোরবেলায় ক্লুনির মঠের সন্ন্যাসিনীরা ব্রেড বাস্কেটে ভরে যাকে এনেছিল, মশাই যাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন, এই পৃথিবীতে সে বিশুর সবচেয়ে আপন। তার মায়ের পেটের দিদি বনলতার ছেলে। বাপ-মা হারা শিশুটির এই পৃথিবীতে নিজের বলতে আছে কেবল সে। সেই কোনকালে ছোটোবেলায়, মনে হয় যেন গতজন্মে, খুড়দাদু গঙ্গারাম দুই ভাইবোনকে চরম দারিদ্র্য আর ক্ষুধা থেকে উদ্ধার করে এই আদিরামবাটিতে আশ্রয় দিয়েছিলেন। এ ক্ষেত্রে সেটা আর ঘটল না, আদিরামবাটির দরজা বন্ধ হলো।

    মামামশাইয়ের অন্ত্যেষ্টির পরদিন বিশু পায়ে হেঁটে গিয়েছিল কোয়ার্সভিলে হুগলির পাড়ে সিস্টার্স দ্য ক্লুনি কনভেন্টে, মঠের লোহার গজাল আঁটা দরজায় কড়া নেড়েছিল। অনেকক্ষণ পরে দরজার পেটে একটা ছোট্ট খুপরি দরজা খুলে গেল। এক প্রবীণা সন্ন্যাসিনী, কৃষ্ণকায়া মালয়ালী, বিশুর আসার হেতু জেনে বললেন-

    ‘সে অনেক কাল আগের কথা, শ্বেতাঙ্গ সন্ন্যাসিনীরা কেউ আর এই মঠে নেই। রেফারেন্ডামের পর সবাই দেশে ফিরে গিয়েছে। সেই অনাথ আশ্রমটিও উঠে গিয়েছে অনেক বছর হলো। সেখানকার শিশুরা এতদিনে বড়ো হয়ে গিয়েছে। কে কোথায় ছড়িয়ে গিয়েছে তার কোনো হদিশ কনভেন্টের নথিতে নেই।’

    মৃত্যুর আগে বনলতা ছেলের নাম রেখেছিল অভিমন্যু। এতদিনে সে বড়ো হয়েছে, এই বিশাল পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষের ভিড়ে কোথায় সে হারিয়ে গিয়েছে কে বলতে পারে? সে কি জানে তার অতীত? তার শিরায় বইছে বনলতার রক্ত। যুদ্ধের সময়ে সে সদ্য তরুণ, হয়তো ব্রিটিশ ভারতের সৈন্যদলে নাম লিখিয়েছে, কিংবা হয়তো নেতাজী সুভাষের আজাদ হিন্দ ফৌজে যোগ দিয়ে স্বাধীনতার যুদ্ধে নেমেছে। লাল কেল্লায় বিচারাধীন ইন্ডিয়ান ন্যাশানাল আর্মির বন্দিদের দলে অভিমন্য নামে কি কেউ ছিল?

    বিশু ঠাকুর মনে করতে পারে না। তার কল্পনায় স্থির দীপশিখার মতো জ্বলে এক শিশু, ব্রেড বাস্কেটে চেপে এসেছিল, ফিরিঙ্গি সন্ন্যাসিনীর গলায় রুপোর ক্রশ ছোট্ট মুঠিতে ধরার চেষ্টা করছিল। বিশুর মনের উঠোনে সেই শিশুটি আজও হামাগুড়ি দিয়ে খেলা করে। বিশু মনে মনে তাকে পায়ের মল গড়িয়ে পরিয়ে দেয়, কপালে রক্তচন্দনের টিপ এঁকে দেয়। সারারাত ছেঁড়া ছেঁড়া ঘুমের মধ্যে বাড়িময় খেলে বেড়ায় সে। উনত্রিশ বিগ্রহের মাঝে হামাগুড়ির ভঙ্গিতে অষ্টধাতুর বালগোপাল মূর্তির মধ্যে তাকে খুঁজে পেল বিশু।

    শ্রাবণ মাসের বৃহস্পতিবার বালগোপালের নিত্যপুজোয় গঙ্গাজলে স্নান করানোর সময়ে বিশু তার সিংহাসনে একটি রৌপ্যমুদ্রা পেল। নীলাভ রঙ দেখে সেটি বহু প্রাচীন বলে আন্দাজ হয়, এবং এতকালে যে চোখে পড়েনি ভেবে আশ্চর্যই হয়। সন্ধ্যাবেলা দেবেন স্যাকরার কাছে নিয়ে গেল।

    ডকবাজারে পেছনের গলিতে দেবেন স্যাকরার দোকান এই অঞ্চলের সবচেয়ে পুরোনো। যেকালে জাহাজে রূপোর বাঁট আসত বন্দরে, সেইসময় থেকে ওরা আছে। বহুকাল আগে এখানে সুবর্ণ বণিক, গন্ধবণিক ও শঙ্খবণিকদের রমরমা কারবার ছিল, দাক্ষিণাত্যের সেনারা বাংলার রাজা হবার পর তারা উৎখাত হয়। যে দু-এক ঘর থেকে যায় তাদের মধ্যে একটি দেবেন স্যাকরাদের বংশ। এককালে সাতগাঁয় বিভিন্ন বাড়ির দুর্গাপুজোয় প্রতিমাকে সোনার গয়না দেবার রীতি ছিল। সেসব আজ অতীত। ফিরিঙ্গিডাঙা থেকে সাহেবরা চলে যাবার পর মেমসাহেবদের শখ মেটাতে বিলিতি ডিজাইনে গয়নার বরাতও আর জোটে না।

    মলিন নোনা-খসা দেয়াল কবেকার দেবদেবীর ক্যালেন্ডারে ঢাকা, কড়িকাঠ থেকে ঝুলন্ত বালবের আলোয় মুদ্রাটা নেড়েচেড়ে দেখে প্রবীণ দেবেন স্যাকরার কপালে সন্দেহের রেখা ফুটল। চোখে ঠুলি লাগিয়ে উলটেপালটে দেখতে লাগলেন, কাচের বাক্সের ভেতর সরু দাড়িপাল্লায় ওজন করলেন, কষ্টিপাথরে বাজিয়ে তার ধ্বনি পরখ করলেন, অবশেষে বললেন—

    ‘এ হলো সুলতানি বিলন মোহর। আরবি তো আর পড়তে জানিনা, তবে দেখে মনে হচ্ছে সাতগাঁর তুঘলকি টাকশালের ছাপ রয়েছে। কিন্তু ঠিক কোন আমলের সেটা আমি বলতে পারব না।

    তাঁর পেশার মান্য রীতি অনুযায়ী মোহরটি কীভাবে বিশুর হাতে এল সে ব্যাপারে কোনোরূপ আগ্রহ প্রকাশ করলেন না দেবেন স্যাকরা।

    ‘আমি যদি এটা বিক্রি করতে চাই কত দাম পাওয়া যাবে?’

    ‘এতে রুপোর ভাগ অতি অল্পই আছে ভায়া,’ দেবেন স্যাকরা বললেন। ‘এক আনায় পাঁচ রতিও হবে না। তার আর কতই বা দাম? মজুরি পোষাবে না।’

    ‘আর এর ঐতিহাসিক মূল্য?’

    ‘আমি তো ইতিহাস নিয়ে কারবার করি না,’ দেবেন স্যাকরা হাসেন, ওপরের পাটিতে সোনার গজদাঁত চিকচিক করে ওঠে। ‘আমি সোনারুপোর কারবারি।’

    আট দিন পরে শনিবার আবার বালগোপালের সিংহাসনে দুটি একই রকমের মোহর পেল বিশু। তার ঠিক তিন দিন পরে বুধবার আবার একটি। প্রথম মোহর প্রাপ্তির দিনটি ছিল দ্বিতীয়া তিথি, পরের বার ছিল একাদশী, তৃতীয় দিন ছিল পূর্ণিমা। প্রথম দিনে একটি মোহর, দ্বিতীয় দিনে দুটি, তৃতীয় দিনে আবার একটি। বিশু তার সর্বক্ষণের সঙ্গী জ্যোতিষী শিবুকেও কিছু জানালো না, নিজেই আদিরাম প্রেসের পাঁজি খুলে দেখল। কিন্তু অযাচিত প্রাপ্তির কোনোরকম গ্রহযোগ খুঁজে পেল না। কৌতূহলের বশে রাধাকৃষ্ণ, জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রা, মদনমোহন, হংসেশ্বরী থেকে শুরু করে একে একে প্রতিটি বিগ্রহ তুলে দেখল, কিন্তু সাক্ষীগোপালের ছয় ইঞ্চি কাঁসার মূর্তির নীচে ফাঁপা অংশে একটি ভাঁজ করা কাগজ ছাড়া আর কিছু পাওয়া গেল না। কাগজটি বহু প্রাচীন, তার ওপর হরীতকীর কালিতে লেখা ঝাপসা হয়ে গিয়েছে, পড়া যায় না।

    আদিরামবাটিতে দুর্গাপুজো বন্ধ হয়ে গেল। সাতগাঁয় আদি পাশ্চাত্য বৈদিকদের জনসংখ্যা কমে আসছে। নতুন প্রজন্ম কাজেকর্মে কলকাতায় কিংবা রাজ্যের বাইরে অন্যত্র থিতু হচ্ছে। আগের প্রজন্ম পরপারে কিংবা কাশীবাসী না হলে তাদের পিছু পিছু চলে যাচ্ছে। ঠাকুরবাড়ির নিত্যকাজে অর্থের টান পড়েছে। দূরে থেকেও যারা পারিবারিক কুলদেবতার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য মানি অর্ডারে টাকা পাঠায়, তাদের সংখ্যা খুব বেশি নয়। তিন রাত্রি, পাঁচ রাত্রি, সাত রাত্রির জ্ঞাতি পরলোকগত হলে পোস্টকার্ডে মৃত্যুসংবাদ আসে। পোস্টকার্ড এসে পৌঁছতে যে সময়টা লাগে, সেই কটা দিন অশৌচ পালনে ছেদ পড়ে। সাধারণত যত দূরের জ্ঞাতি, মৃত্যু সংবাদ আসতে ততটাই সময় লাগে, এবং এর ফলে কখনো অশৌচের নির্ধারিত কাল পার হয়ে যায়। কিন্তু অজ্ঞাতবশত আচার পালনে বিঘ্ন ঘটলে পাপ নেই, বিশু সেটা মামামশাইয়ের কাছে জেনেছে। পরের প্রজন্ম, যারা আর কোনোদিন সাতগাঁয়ে ফিরবে না, একটা পোস্টকার্ড লিখে মৃত্যুসংবাদ জানানোর পরিশ্রমটুকুও করে না। এবং এভাবেই, শত শত বছর ধরে বংশবৃক্ষের অরণ্যে অন্তর্লীন শিকড়ে শিকড়ে বাঁধা সম্পর্কের ফাঙ্গাস-জালিকা ছিন্ন হতে থাকে। ধীরে ধীরে ভেতর থেকে শুকিয়ে আসতে থাকে জটিল আচাররীতির ওপর গড়ে ওঠা একটি বর্ণ সমাজ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }