Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    পরিমল ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প984 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – ১৩.৫

    ১৩.৫

    পরদিন সকাল সাতটায়, আটলান্টায় রাত সাড়ে নটায়, সিধুকে ফোন করে আপডেট দিল বাপ্পাদিত্য।

    শেষবার ফোন করার সময়ে ওর কন্ঠস্বরে একটা অন্যরকম উৎকণ্ঠা ছিল, ঘন আর তীক্ষ্ণ, বাবার ভবিষ্যৎ নিয়ে উৎকণ্ঠার থেকে ভিন্ন রকমের। এবারে সেটা খোলসা করল।

    ‘তাহলে ইন্ডিয়াতে আমার স্টেটাসটা ঠিক কী, বাবা? দেশে গেলে কি আমায় ও.সি.আই. হিসেবে ট্রিট করা হবে? তোমার ছেলে হয়ে আমি ঠিক কী ধরনের ফ্যাসাদে পড়ব?’

    বাপ্পা চুপ করে থাকে। মনে হয় যেন এক শুকনো কুয়োর ভেতর পড়ে গেছে ওপর থেকে সিধুর কথা ভেসে আসছে।

    ‘তোমাকে তো আগেই বলেছি বৃন্দা জুলাইয়ের শেষে বিয়েটা করে নিতে চাইছে। এই ফল্-এ ও ফ্লোরিডায় একটা কোর্সে জয়েন করবে। তার আগে আমাদের বিয়েটা সেরে নিতে হবে।’

    ‘তুই চিন্তা করিস না, সিধু। তোর তো ঠিকঠাক বার্থ সার্টিফিকেট আছেই, তাতে বাবা মা দুজনেরই নাম রয়েছে। তোর মায়ের তো কোনো সমস্যা নেই, ওর বার্থ রেকর্ড একদম ক্লিন।’

    ‘কিন্তু ও.সি.আই. পাসপোর্ট নিয়ে ঢোকার সময়ে যদি আমায় মার্ক করে? তারপর যদি ডেকে পাঠিয়ে লম্বা ইন্টারোগেশান প্রসেস চলে? আমার হাতে মাত্র দিন দশেকের উইন্ডো থাকবে। স্টুপিড ইন্ডিয়ান ব্যুরোক্রেসিকে খাইয়ে দেবার মতো সময় তো আমার হাতে থাকবে না!

    বাপ্পা টের পায়, ভেতরে একটা বিরক্তি ক্রমশ চড়ছে।

    ‘তুই কি বৃন্দাকে ওখানে চলে যেতে বলতে পারিস না?’ যতদূর সম্ভব স্বাভাবিক স্বরে বলে। ‘বিয়েটা তো ওদেশেই সেরে নিতে পারিস। পারিস না?’

    ‘ইমপসিবল!’ ফোনের ওপাশে সিধুর গলা চড়ে। ‘ওর ফ্যামিলি সেটা কখনোই হতে দেবে না। তাছাড়া সেটা করলে ওর পক্ষে ওয়ার্ক ভিসার জন্য অ্যাপ্লাই করাটা খুব কঠিন হয়ে পড়বে।’

    ‘তুই চিন্তা করিস না সিধু। কিছু একটা পথ নিশ্চয়ই বেরোবে। আমার কেসটা তো জেনুইন, সত্যি। জলজ্যান্ত সত্যি। সেটা তো আমার কাছ থেকে কেউ কেড়ে নিতে পারে না।’

    ‘কিন্তু সত্যিটা যে যথেষ্ট নয়, বাবা! এভিডেন্স লাগবে, রিয়েল হার্ড এভিডেন্স!’

    বাপ্পার নৈঃশব্দ্যে সিধু বোধহয় একটু বিচলিত হয়, গলার স্বর নরম হয়।

    ‘তোমাকে একটু দেখি, বাবা। অনেকদিন দেখিনি। ভিডিওটা অন করো না প্লীজ।’

    সামান্য ইতস্তত করে বাপ্পা চশমাটা চোখে গলায়। ফোনের পর্দায় সিধুর মুখ, দাড়ি রাখছে। একটু যেন ফোলা ফোলা লাগছে। ফোনটা থুতনির কাছে ধরার জন্য কি?

    ‘তুমি ঠিক আছ, বাবা?’

    আমি কি ঠিক আছি? আমি সত্যিই জানি না, বাপ্পা ভাবে। চিরচেনা ভূমির ওপর দিয়ে চলে ফিরে বেড়াচ্ছে, কিন্তু মনে হয় যেন কোনো ছায়া পড়ছে না। ছায়াটা চুরি হয়ে গেছে। এখন সেটা খুঁজে বের করতে হবে।

    ‘ইউ লুক ফাইন, বাবা! চিন্তা কোরো না, সব ঠিক হয়ে যাবে।’

    বাপ্পা হাসে, ফোনের দিকে হাতটা বাড়িয়ে ধরে।

    বিগত কোনো এক শতাব্দীতে মায়ের সঙ্গে মামার বাড়ি যাবার সময়ে গলির মুখ থেকে ট্রামে চড়ত এক সদ্যবালক, ট্রামের পাদানিতে তুলে দিয়ে তার মাথার চুলে হাত দিয়ে বুলিয়ে দিত ওর বাবা। হাতের ভঙ্গিতে তেমনই কিছু ফুটে উঠল কি? সিধু কী ভাবল বিদায়, নাকি আশীর্বাদ?

    *

    সিধুকে ফোন করার আধ ঘন্টার মধ্যে ধুলো আর গঙ্গার লিটার ট্রে সাফ করে সকালের চা-টা বানিয়ে নিয়ে দি টেলিগ্রাফ-এর তৃতীয় পাতায় পৌঁছনোর আগেই–কানাইয়ের ফোন এল। জমি নথিকরণের অফিসে যাবার খবরটা জেনে গিয়েছে। অনেকদিন পরে কানাইয়ের গলা শুনছে বাপ্পা, কেমন যেন বালির দানা গলায়। কিন্তু ও খবর পেল কী করে?

    ‘সব জায়গায় আমার লোক আছে রে!’ কানাই বলে, তারপর কন্ঠস্বরে সামান্য অভিমান মিশিয়ে— ‘সেই এলি, কিন্তু একবার তোর নিজের বাড়িতে এসে আমরা কেমন আছি দেখার প্রয়োজন মনে করলি না?’

    নিজের বাড়ি! বাপ্পা প্রসঙ্গ বদলে নতুনবউয়ের খবর নেয়, হেমন্তমামার খবর নেয়। আর কারোর কথা জিজ্ঞেস করতে সাহস পায় না। কে যে বেঁচে আছে আর কে যে নেই, নিশ্চিত নয় সে।

    কানাই দায়সারাভাবে খবরাখবর দিয়ে আসল প্রসঙ্গে আসে। ‘এসব কি শুনছি বাপ্পাদাদা? এসব কি সত্যি? সত্যিই তুই পুরোনো জমির রেকর্ড খুঁজে বেড়াচ্ছিস?’

    এই জন্যে ফোন? প্রথমেই বোঝা উচিৎ ছিল। সব জায়গায় কানাইয়ের লোক রয়েছে, জমি নথিকরণের অফিসেও। সন্টু দাস কি কানাইয়ের লোক? গায়ত্রীর কথাগুলো মনে পড়ে যায় বাপ্পার। কানাইকে সবটা খুলে বলাই ভালো, সে গায়ত্রীর সন্দেহ সত্যি হোক বা না।

    পোস্টকার্ডের কথাটা ছাড়া বাকিটা সংক্ষেপে বলার পর কানাইয়ের গলা শুনে মনে হলো না অবাক হয়েছে।

    ‘কীভাবে ম্যানেজ করবি ভাবছিস? তোর কাছে সব ডকুমেন্ট আছে নিশ্চয়ই?’

    ‘মোটামুটি আছে। তবে মায়ের সঙ্গে আমার লিঙ্কেজ ক্লেইম করার জন্য আরও দুয়েকটা ডকুমেন্ট দরকার।’ বাপ্পা বলে। পোস্টকার্ডের কথাটা বলতে গিয়েও আর বলে না।

    কানাইয়ের গলায় উদ্বেগ ফোটে, সাহায্য করতে চায়। স্থাবর সম্পত্তির বিষয়ে কানাইয়ের বিপুল জ্ঞান, বাপ্পা জানে। এও জানে, কানাই হলো সেই শেষ ব্যক্তি যার কাছে সে সাহায্য চাইবে।

    ‘তোর সাহায্য আমার অবশ্যই লাগবে, কানাই। কদিন ধরে ভাবছিলাম তোকে ফোন করব।’

    ‘হুম।’ বাপ্পার অসত্যবচন উপেক্ষা করে কানাই বলে— ‘কিন্তু সবার আগে তোর কাছ থেকে পুরো বিষয়টা ডিটেলে জানতে হবে। তুই কি কোনো উকিলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিস?’

    এখনও করেনি, বাপ্পা জানায়। ওরা শিগগিরই একদিন দেখা করবে ঠিক করে।

    *

    ঠিক এক সপ্তাহ পরে ঠিক একই সময়ে আবার গায়ত্রীর ফোন। ‘কেস’-এর অগ্রগতি জানতে চায়।

    ‘হাউ ইজ ইট মুভিং?’

    ‘মুভিং?’ শোনামাত্র বাপ্পার চোখের সামনে ভেসে ওঠে ফিতে বাঁধা সবুজ ফাইল, ES/276/3943, তার পেটের ভেতরে পোস্টকার্ডটা। সে যেন দেখতে পায় ফাইলটা দুদিকে ফ্ল্যাপের ডানা ঝাপটে আধো অন্ধকার পুরোনো কাগজের গন্ধে ভরা প্যাসেজের ভেতর ঘুরে মরছে, স্কাইলাইট গলে আসা মরা আলোর দিকে যেতে গিয়ে দেয়ালে মাথা কুটছে, ভেতর থেকে ঝরঝর করে ঝরে পড়ছে কাগজ। সিলিং ফ্যানের ঘুরন্ত ব্লেডে কাটা পড়বে? মাটিতে পড়ার আগেই হলুদ-কালো বেড়ালটা লাফ দিয়ে উঠে ধরবে? গায়ত্রীকে বলবে নাকি ছবিটা?— ‘কাট দিস ননসেন্স, বাপ্পা!’ ও শোনামাত্র বলবে।

    জমি নথিকরণ দপ্তরে অভিযানের কথা জানায় বাপ্পা। কানাই যে সেটা জেনেছে, সেটাও জানায়।

    ‘আমি বলিনি তোমায়?’ গায়ত্রীর কণ্ঠস্বরে বিজয়ীর উল্লাস। ‘সবটার পেছনে কানাই আছে, আমি শুরু থেকেই জানি!

    কতকালের চেনা এই স্বর! বাপ্পার প্রায় নৈয়ায়িক যুক্তির জালে ধরা পড়ে না এমন অনেক কিছু চিরকাল ওর ষষ্ঠেন্দ্রিয় দিয়ে শুঁকে ধরে ফেলতে পারে গায়ত্রী। ছোটোবেলা থেকে কাঁড়ি কাঁড়ি আগাথা ক্রিস্টি আর পি ডি জেমস নভেল পড়ার ফল।

    ‘আশা করি তুমি কানাইকে সবকিছু বলে বসোনি, সব খুঁটিনাটি ওকে জানাওনি?’

    জানাতে হয়নি, ও সব জানে। কানাই এই পুরো প্রক্রিয়াটা ঢের গভীরভাবে জানে, তার কারণ ও কিছুকাল রাজনীতি করেছে। গায়ত্রীকে সেটা ব্যাখ্যা করে বলতে খারাপ লাগে বাপ্পার। চিরকালই লেগে এসেছে। সেটা গায়ত্রী যখন কারোর গোপন অভিপ্ৰায় সঠিক ধরে ফেলেছে তখনই শুধু নয়, এতে যে বাপ্পার অহংবোধে আঘাত লেগেছে সেজন্যও নয়, যেমনটা ও দাবী করত। খারাপ লাগে এই জন্যে যে এইভাবে মানুষকে পরিস্থিতিকে বিচার করার প্রবণতাটা বাপ্পার খুব যান্ত্রিক লাগে।

    হয়তো সেই খারাপ লাগাটা কন্ঠস্বরে ফুটে উঠেছিল। মুখোমুখি কথাবার্তার তুলনায় ফোনে কথাবার্তা সব সময় সঠিক শব্দ চয়নের ওপর নির্ভর করে, অনেক সময় শব্দের থেকেও মধ্যবর্তী নৈঃশব্দ্যের ওপর নির্ভর করে। কেটে দেবার পর বাপ্পার মনে হলো যেন হঠাৎ করেই শেষ হলো, আরও কিছুক্ষণ চলতে পারত। অল্প অল্প বিবেকদংশন হতে লাগল। গায়ত্রী চাইলে ওর এই পরিস্থিতি নিয়ে মাথা না ঘামাতেই পারত, কোনো বাধ্যবাধকতা তো ছিল না। সিধুর কাছে কোনোরকম জবাবদিহি করারও ছিল না। কিন্তু তবুও ও আগ বাড়িয়ে যোগাযোগ করেছে, সাহায্য করতে চেয়েছে। অবশ্য ভেতরে ভেতরে বাপ্পা জানে, ওর এই বুঝভুম্বুল দশাটা চিরকাল উপভোগ করেছে গায়ত্রী। চিরকাল ওকে বেসামাল, ভাঙাচোরা অবস্থায় হেফাজতে নিয়ে এক বিচিত্র আনন্দ পেয়েছে ঠিক যেমন হেমন্তমামা কোনো যন্ত্র বা খেলনা ভাঙা বিকল অবস্থায় পেলে বেশি খুশি হতো। আস্ত হাতে পেলে নিজেই খুলে ভেঙে ফেলত। কখনো তাদের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারত, কখনো পারত না। কিন্তু ভেঙে খুলে না গেলে তার ওপর ওর পুরোপুরি অধিকার জন্মাতো না।

    মি’লেডি, গায়ত্রী মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে কোনো মানুষের আসল জিনিসটা তার ভেতরে কোথাও আছে। ও সেটার নাগাল পেতে চায়। তার বদলে নিজের সযত্নে লালিত যাবতীয় গোপন বিনিময় করতে চায়। গায়ত্রী যা জানে না, তা হলো কিছু মানুষের আসল জিনিসটা ওভাবে কখনোই নাগাল পাওয়া যায় না, ভেতর থেকে টেনে বের করা যায় না মাছের নাড়িভুঁড়িতে জড়ানো পিত্তথলির মতো। বিশেষ করে আমাদের এই কাহিনির নায়ক বাপ্পাদিত্যের মতো যাদের দুটো ভিন্ন পৃথিবীতে দ্বিনাগরিকত্ব রয়েছে সাতগাঁয়ে, কলকাতায়। এগারোটা বছর একই ছাতের নীচে কাটানোর পরেও যেটা বাপ্পা ওকে কোনোদিন বোঝাতে পারেনি, তা হলো কিছু কিছু জিনিস কথা সাজিয়ে কাহিনির আকারে বলা যায় না। এদিকে গায়ত্রী সব সময়ে কাহিনি চেয়েছে, মি’লেডি — কথা, কথা, কথা। বাপ্পাদিত্য ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। গায়ত্রীও ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। ওদের পথ বদলায়।

    গায়ত্রী এখন যার সঙ্গে থাকে তাঁর স্ত্রী সাত বছর আগে মারা গিয়েছেন। ভদ্রলোক ওর কলেজের সহপাঠী। ওঁর এক মেয়ের সঙ্গে একত্রে ওরা দিল্লিতে থাকে। সিধু যখন দেশে আসে— দুবছরে একবার—তখন ও কলকাতাতেই বেশি সময়টা কাটায়। কখনো গায়ত্রীকে নিয়ে শাস্তিনিকেতনে যায়। সেখানে গায়ত্রীদের পৈত্রিক বাড়িতে ওর নবতি মা ও এক মাসী থাকেন।

    কানাইয়ের গলায় উদ্বেগ ফোটে, সাহায্য করতে চায়। স্থাবর সম্পত্তির বিষয়ে কানাইয়ের বিপুল জ্ঞান, বাপ্পা জানে। এও জানে, কানাই হলো সেই শেষ ব্যক্তি যার কাছে সে সাহায্য চাইবে।

    ‘তোর সাহায্য আমার অবশ্যই লাগবে, কানাই। কদিন ধরে ভাবছিলাম তোকে ফোন করব।’

    ‘হুম।’ বাপ্পার অসত্যবচন উপেক্ষা করে কানাই বলে— ‘কিন্তু সবার আগে তোর কাছ থেকে পুরো বিষয়টা ডিটেলে জানতে হবে। তুই কি কোনো উকিলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিস?’

    এখনও করেনি, বাপ্পা জানায়। ওরা শিগগিরই একদিন দেখা করবে ঠিক করে।

    *

    ঠিক এক সপ্তাহ পরে ঠিক একই সময়ে আবার গায়ত্রীর ফোন। ‘কেস’-এর অগ্রগতি জানতে চায়।

    ‘হাউ ইজ ইট মুভিং?’

    ‘মুভিং?’ শোনামাত্র বাপ্পার চোখের সামনে ভেসে ওঠে ফিতে-বাঁধা সবুজ ফাইল, ES/276/3943, তার পেটের ভেতরে পোস্টকার্ডটা। সে যেন দেখতে পায় ফাইলটা দুদিকে ফ্ল্যাপের ডানা ঝাপটে আধো অন্ধকার পুরোনো কাগজের গন্ধে ভরা প্যাসেজের ভেতর ঘুরে মরছে, স্কাইলাইট গলে আসা মরা আলোর দিকে যেতে গিয়ে দেয়ালে মাথা কুটছে, ভেতর থেকে ঝরঝর করে ঝরে পড়ছে কাগজ। সিলিং ফ্যানের ঘুরন্ত ব্লেডে কাটা পড়বে? মাটিতে পড়ার আগেই হলুদ-কালো বেড়ালটা লাফ দিয়ে উঠে ধরবে? গায়ত্রীকে বলবে নাকি ছবিটা?— ‘কাট দিস ননসেন্স, বাপ্পা!’ ও শোনামাত্র বলবে।

    জমি নথিকরণ দপ্তরে অভিযানের কথা জানায় বাপ্পা। কানাই যে সেটা জেনেছে, সেটাও জানায়।

    ‘আমি বলিনি তোমায়?’ গায়ত্রীর কন্ঠস্বরে বিজয়ীর উল্লাস। ‘সবটার পেছনে কানাই আছে, আমি শুরু থেকেই জানি!’

    কতকালের চেনা এই স্বর! বাপ্পার প্রায় নৈয়ায়িক যুক্তির জালে ধরা পড়ে না এমন অনেক কিছু চিরকাল ওর ষষ্ঠেন্দ্রিয় দিয়ে শুঁকে ধরে ফেলতে পারে গায়ত্ৰী। ছোটোবেলা থেকে কাঁড়ি কাঁড়ি আগাথা ক্রিস্টি আর পি ডি জেমস নভেল পড়ার ফল।

    ‘আশা করি তুমি কানাইকে সবকিছু বলে বসোনি, সব খুঁটিনাটি ওকে জানাওনি?’

    জানাতে হয়নি, ও সব জানে। কানাই এই পুরো প্রক্রিয়াটা ঢের গভীরভাবে জানে, তার কারণ ও কিছুকাল রাজনীতি করেছে। গায়ত্রীকে সেটা ব্যাখ্যা করে বলতে খারাপ লাগে বাপ্পার। চিরকালই লেগে এসেছে। সেটা গায়ত্রী যখন কারোর গোপন অভিপ্ৰায় সঠিক ধরে ফেলেছে তখনই শুধু নয়, এতে যে বাপ্পার অহংবোধে আঘাত লেগেছে সেজন্যও নয়, যেমনটা ও দাবী করত। খারাপ লাগে এই জন্যে যে এইভাবে মানুষকে পরিস্থিতিকে বিচার করার প্রবণতাটা বাপ্পার খুব যান্ত্রিক লাগে।

    হয়তো সেই খারাপ লাগাটা কন্ঠস্বরে ফুটে উঠেছিল। মুখোমুখি কথাবার্তার তুলনায় ফোনে কথাবার্তা সব সময় সঠিক শব্দ চয়নের ওপর নির্ভর করে, অনেক সময় শব্দের থেকেও মধ্যবর্তী নৈঃশব্দ্যের ওপর নির্ভর করে। কেটে দেবার পর বাপ্পার মনে হলো যেন হঠাৎ করেই শেষ হলো, আরও কিছুক্ষণ চলতে পারত। অল্প অল্প বিবেকদংশন হতে লাগল। গায়ত্রী চাইলে ওর এই পরিস্থিতি নিয়ে মাথা না ঘামাতেই পারত, কোনো বাধ্যবাধকতা তো ছিল না। সিধুর কাছে কোনোরকম জবাবদিহি করারও ছিল না। কিন্তু তবুও ও আগ বাড়িয়ে যোগাযোগ করেছে, সাহায্য করতে চেয়েছে। অবশ্য ভেতরে ভেতরে বাপ্পা জানে, ওর এই বুঝভুম্বুল দশাটা চিরকাল উপভোগ করেছে গায়ত্রী। চিরকাল ওকে বেসামাল, ভাঙাচোরা অবস্থায় হেফাজতে নিয়ে এক বিচিত্র আনন্দ পেয়েছে ঠিক যেমন হেমন্তমামা কোনো যন্ত্র বা খেলনা ভাঙা বিকল অবস্থায় পেলে বেশি খুশি হতো। আস্ত হাতে পেলে নিজেই খুলে ভেঙে ফেলত। কখনো তাদের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারত, কখনো পারত না। কিন্তু ভেঙে খুলে না গেলে তার ওপর ওর পুরোপুরি অধিকার জন্মাতো না।

    মি’লেডি, গায়ত্রী মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে কোনো মানুষের আসল জিনিসটা তার ভেতরে কোথাও আছে। ও সেটার নাগাল পেতে চায়। তার বদলে নিজের সযত্নে লালিত যাবতীয় গোপন বিনিময় করতে চায়। গায়ত্রী যা জানে না, তা হলো কিছু মানুষের আসল জিনিসটা ওভাবে কখনোই নাগাল পাওয়া যায় না, ভেতর থেকে টেনে বের করা যায় না মাছের নাড়িভুঁড়িতে জড়ানো পিত্তথলির মতো। বিশেষ করে আমাদের এই কাহিনির নায়ক বাপ্পাদিত্যের মতো যাদের দুটো ভিন্ন পৃথিবীতে দ্বিনাগরিকত্ব রয়েছে সাতগাঁয়ে, কলকাতায়। এগারোটা বছর একই ছাতের নীচে কাটানোর পরেও যেটা বাপ্পা ওকে কোনোদিন বোঝাতে পারেনি, তা হলো কিছু কিছু জিনিস কথা সাজিয়ে কাহিনির আকারে বলা যায় না। এদিকে গায়ত্রী সব সময়ে কাহিনি চেয়েছে, মি’লেডি— কথা, কথা, কথা। বাপ্পাদিত্য ক্লাস্ত হয়ে পড়েছিল। গায়ত্রীও ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। ওদের পথ বদলায়।

    গায়ত্রী এখন যার সঙ্গে থাকে তাঁর স্ত্রী সাত বছর আগে মারা গিয়েছেন। ভদ্রলোক ওর কলেজের সহপাঠী। ওঁর এক মেয়ের সঙ্গে একত্রে ওরা দিল্লিতে থাকে। সিধু যখন দেশে আসে— দুবছরে একবার—তখন ও কলকাতাতেই বেশি সময়টা কাটায়। কখনো গায়ত্রীকে নিয়ে শান্তিনিকেতনে যায়। সেখানে গায়ত্রীদের পৈত্রিক বাড়িতে ওর নবতি মা ও এক মাসী থাকেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }