Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    পরিমল ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প984 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – ৩.১০

    ৩.১০

    অগস্টিন দুফের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন গুঁফো গোঁসাই। স্টুডিওয় ছবি তোলার ব্যবসায় লাভের মুখ দেখার পর চিনিকলের মালিক দুফে একটি বায়োস্কোপ যন্ত্র কিনে স্ট্র্যান্ডের ধারে ফ্যাক্টরদের ক্লাবে বিভিন্ন পার্টিতে চলমান ছবি দেখিয়ে মনোরঞ্জন করত। সেই বায়োস্কোপ চালাতেন গুঁফো গোঁসাই। এক ফিয়েস্তার রাতে স্টুডিওয় বিধ্বংসী আগুন লাগল, পুড়ে মারা গেল অগস্টিন দুফে। বায়োস্কোপযন্ত্রটি গুঁফো গোঁসাইয়ের হস্তগত হয়। তিনি সেটি নৌকায় চাপিয়ে ছাড়িগঙ্গার ধারে বিভিন্ন গ্রাম্য মেলায় ঘুরে ঘুরে খোলা আকাশের নীচে বায়োস্কোপ দেখিয়ে উপার্জন করতেন। তখন কলকাতায় জামশেদজী মদন নামে এক পার্শী ব্যাবসায়ী কোম্পানি খুলে বিভিন্ন পৌরাণিক পালার মুভি বানাচ্ছে। গুঁফো গোঁসাইয়ের মেলার বায়োস্কোপে সেইসব রিল ছাড়াও কোয়ার্সভিলে ক্লাবে পাওয়া কিছু কিছু ইংরেজ-বিরোধী ফিল্মও ছিল জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকান্ড, বঙ্গভঙ্গবিরোধী মিছিল, আলিপুর বোমা মামলার তথ্যচিত্র ইত্যাদি। জনসাধারণকে সরকার বাহাদুরের বিরুদ্ধে খেপিয়ে তুলছে গুঁফো গোঁসাই, এই অভিযোগে তাকে একদিন মেলা থেকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ, বায়োস্কোপের সরঞ্জাম আর নৌকাটি বাজেয়াপ্ত করল।

    প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর অনেককাল পরে প্রৌঢ় বয়সে দ্বিতীয়বার বিবাহ করেন গুঁফো গোঁসাই, বাঁটুল সেই বিবাহের সন্তান। রাজবন্দি হয়ে জেলে রয়েছেন গুঁফো (সেখানেই তিনি মারা যাবেন), এদিকে বাঁটুলের মায়ের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল। উকিল দিয়ে কেস লড়ার মতো সামর্থ্য ছিল না, জমানো টাকাকড়ি নিঃশেষ হবার পর আত্মীয়রাও কিছুদিনের মধ্যেই মুখ ফিরিয়ে নিল। এরই মধ্যে গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো এসে জুটল হামজা নামে এক কাবুলিওয়ালা।

    হামজার কোদালের মতো মুখে মেহেন্দি-রাঙানো দাড়ি, দৈত্যাকার চেহারা। কবে নাকি গুঁফো গোঁসাই নৌকা কেনার জন্য কর্জ করেছিলেন, এখন সে টাকা ফেরৎ চায়। আসল না হোক সুদ চায়। এত বছরে চড়া চক্রবৃদ্ধি হারে সেই সুদের পরিমাণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিপুল। দিনেমারডাঙার চটকল বস্তি এলাকায় হামজার ডেরা। বালক বাটুল অসহায়ের মতো দেখে, প্রায়ই সে ভরদুপুরে এসে তাদের দরজায় করাঘাত করে। মাথায় চেক-কাটা পাগড়ি, পরনে ঢোলা সালোয়ার, কুর্তার বোতাম খোলা, নৌকার পাটাতনের মতো বুকে ঘন তামারং রোম, সুনাটানা চোখ নাচিয়ে শিঙার মতো গলায় মাকে বলে— ‘চুদ দেও! চুদ!’

    হামজা সুদ চায়, কিন্তু ওভাবেই সে শব্দটি উচ্চারণ করে। প্রতিবার উচ্চারণের সময়ে গলা-অব্দি ঘোমটায় ঢাকা ক্ষীণকায়া নারী কীভাবে শিউরে ওঠে সেটা জেনে- বুঝেই করে। দিনের পর দিন এই অসহনীয় দৃশ্য দেখে দেখে একদিন বাঁটুলের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল। ছুটে গিয়ে কাবুলিটার কোমরে ধাক্কা দিতে মনে হলো যেন ভারি গয়নার নৌকা, সামান্য দুলেও উঠল না। ভুরু কুঁচকে দুহাত বাড়িয়ে বাঁটুলকে সোলার পুতুলের মতো শূন্যে তুলে তার নিজের মুখের কাছে আনল হামজা, তারপর খ্যাক খ্যাক করে হেসে উৎকট রসুনের গন্ধে ভরা শ্বাসে বাঁটুলকে ভাসিয়ে দিয়ে বলল –‘পুস্‌কি!’

    মাটি থেকে দু হাত ওপরে ঝুলন্ত বাঁটুল, বুকের মধ্যে অন্ধ ক্রোধের আগুন জ্বলছে। উন্মুক্ত হয়ে সে বাঁ হাতে হামজার লাল দাড়ি খামচে ধরল, ডান হাতে সর্ব শক্তি দিয়ে ওর দুই চোখে পর পর দুটো ঘুষি চালাল। ওই বেঁটেখাটো চেহারার বালকের হাতে যে এত জোর কাবুলিটা কল্পনাও করতে পারেনি, ছোটোবেলা থেকে বাবার সঙ্গে মেলায় ঘুরে ঘুরে বায়োস্কোপ দেখাতে গিয়ে সে যে দেড়-মনি সীসের ব্যাটারি বয়েছে সেটা জানত না। কিছু বুঝে ওঠার আগেই চোখে তারাবাজি দেখতে লাগল হামজা, ওকে ছেড়ে দিয়ে হাত দুটো চোখের ওপর চেপে ধরল। বাঁটুল এবার পায়ের নীচে ভূমি পেয়ে ওর কাঁধের উচ্চতায় উরুসন্ধি লক্ষ করে তৃতীয় এবং চতুর্থ ঘুষিটি চালালো। আর্তনাদ করে উঠে হামজা এক হাতে চোখ অন্যহাত দুপায়ের ফাকে চেপে পস্তু ভাষায় দুর্বোধ্য গালি দিতে দিতে টলতে টলতে গলি দিয়ে নিষ্ক্রান্ত হলো।

    গোটা সাতগাঁয়ে খবর হলো, গোঁসাইয়ের পো কাবুলি পিটিয়েছে। রাতারাতি ওর নাম হয়ে গেল কাবুলি-খেদা বাঁটুল। এই পড়ে-পাওয়া খ্যাতিতেও মনের মধ্যে কাঁটার মতো বিঁধে রইল আতঙ্ক। পাড়ার লোকেরাও ওকে সতর্ক করল, হামজা ফিরে আসবে। হয়তো এবার দলবল নিয়ে আসবে। কিন্তু ভিটে ছেড়ে মাকে নিয়ে অন্যত্র পালিয়ে যাবার মতো সামর্থ্য বাঁটুলের ছিল না। অগত্যা সে পেশিচর্চা শুরু করল।

    সরস্বতীর ধারে বহুকালের পরিত্যক্ত বর্গিব্যাটারি, তার বারুদ ঘরে কামানের গোলার স্তূপ। কামান দাগার প্রয়োজন হয়নি, বর্গিরা নদী পেরিয়ে সাতগাঁর মৎস্যভূমিতে আসেনি। প্রতিদিন ভোরবেলায় কাকপক্ষী ওঠার আগে গিয়ে সেই কামানের গোলা ভেঁজে, ডন বৈঠক দিয়ে হামজা ফেরার সেই ভয়ঙ্কর দিনটার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে লাগল বাঁটুল।

    এইসময় রোজ সে দেখত নির্জন স্নানের ঘাটে গঙ্গা কবিরাজ এসে আহ্নিক করেন, সারা গায়ে গঙ্গামাটি মেখে বসে থাকেন সূর্যোদয় পর্যন্ত। ছেলেবেলায় উনি বাবার খেলার সাথী ছিলেন, পরে এই অঞ্চলের বিখ্যাত কবিরাজ হবার পরেও সেই কথা ভোলেননি। গুঁফো গোঁসাইয়ের জেল হবার পর খবর পেয়ে ওর মারে কয়েকবার অর্থসাহায্যও করেছেন। প্রতিদিন ওঁকে দূর থেকে দেখে ইচ্ছা হয় গিয়ে প্রণাম করে, বর্তমান দুর্দশার কথা সবিস্তারে জানায়। কিন্তু কিছুতেই আর সাহসে কুলিয়ে উঠতে পারে না বাঁটুল।

    সেদিন মাঝনদীতে ইংরেজ পুলিশের লাল-সাদা ডোরাকাটা স্টিমারটা দেখেই চিনতে পেরেছিল। এইরকমই একটা স্টিমার এসে ওর চোখের সামনেই বাবাকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল ছাড়িগঙ্গার ধার থেকে। বাঁটুল দেখল, এক সাহেব সার্জেন বন্দুকধারী কনস্টেবল নিয়ে রবারের ভেলায় চেপে ঘাটে এসে গঙ্গারাম চক্রবর্তীকে

    যেন পড়ে শোনালো, তারপর সিক্ত বসনে তাঁকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে চলে গেল। ঘাটের সিঁড়িতে ওঁর হরিণচর্মের আসন ও গন্ডারের খড়ের বড়ো কোষাটা পড়েছিল। গুগুলো আদিরামবাটিতে নিয়ে গিয়ে খবরটা দিল সে।

    .

    সেবার সাতগাঁয় নববর্ষ এল তীব্র বিস্ময় আর বিষাদের আবহে, যার অভিঘাত আদিরামের মন্দিরে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কামানের গোলার আঘাতের সঙ্গে তুলনীয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় ব্রাহ্মণদের বিবদমান গোষ্ঠীগুলো একজোট হলো। তার নেতৃত্ব দিলেন গঙ্গারামের ভাইপো রামরাম শাস্ত্রী, ওরফে মশাই। একশো পঁচাশি জন বিশিষ্ট ব্যক্তির স্বাক্ষরিত পিটিশন পাঠানো হলো ভাইসরয়কে। কলকাতার বাংলা ইংরিজি পত্রপত্রিকাগুলোতে লেখা বেরোতে লাগল। হাটে বাজারে, বটতলায় ছাপা কাগজে নানান ধরনের তত্ত্ব উড়ে বেড়ান। অ্যাক্রয়েড ঘোষ যে টেলিপ্যাথি নামক একটি পদ্ধতির সাহায্যে জেলখানা থেকে বার্তা বিনিময় করতেন সেটা সবাই জানত। উনি নিজেই একবার আদালতে সে কথা কবুল করেছিলেন। গুজব রটল, ইংরেজ পুলিশ যন্ত্রের সাহায্যে সেই বেতার তরঙ্গ মেপেছে, এবং এই ব্যাপারে বৈজ্ঞানিক জগদীশ বোসের হাত রয়েছে। গঙ্গারাম চক্রবর্তীর অবিলম্বে মুক্তি চেয়ে প্রতিদিন ডজন ডজন চিঠি এসে জমা হতে লাগল ভাইসরয়ের দপ্তরে। এরই মধ্যে মশাই টোলের বাড়ির পুথিখানায় উইলিয়াম জোনসের স্বাক্ষরিত বহু পুরোনো তুলোট কাগজে লেখা একটি দস্তাবেজ খুঁজে বের করলেন, যাতে লেখা রয়েছে— সাতগাঁ হলো জ্ঞানচর্চার সার্বভৌম স্থান, এখানকার আবাসিক ব্রাহ্মণদের অনুমতি ছাড়া কোনো মূল্যবান ঐতিহ্যবাহী বস্তু স্থানান্তর করা যাবে না। উইলিয়াম জোনস ছিলেন এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা, কিন্তু এই দস্তাবেজটি তিনি স্বাক্ষর করেছেন সুপ্রিম কোর্টের পিউনি জজ হিসেবে। জ্যাঠামশাইয়ের মুক্তি চেয়ে রাধারাণী শহরের নামজাদা ব্যারিস্টার নিয়োগ করলেন। তাঁরা আদালতে গিয়ে সওয়াল করলেন, গঙ্গারামকে যেভাবে যে অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাতে স্পষ্টতই ভারতীয় দন্ডবিধির অমূল্য সামগ্রী আইন (ইন্ডিয়ান ট্রেজার ট্রোভ অ্যাক্ট) লঙ্ঘিত হয়েছে। সেই আইনে পরিষ্কার বলা আছে— ‘মাটিতে লুক্কায়িত অনন্য যেকোনো কিছু’ (এনিথিং অফ ইউনিক ভ্যালু হিন ইন দ্য সয়েল) লুণ্ঠন করা যাবে না। সেদিন গ্রেপ্তারের সময় গঙ্গারাম মাটির প্রলেপে ঢাকা ছিলেন, এবং সাতগাঁর বিদ্বৎসমাজে তাঁর অনন্য মূল্য সম্পর্কে কোনো সংশয়ের অবকাশ নেই।

    তিনটে রাত ফোর্ট উইলিয়ামে কাটানোর পর চৌঠা বৈশাখ গঙ্গারাম চক্রবর্তী মুক্তি পেলেন। মি’লেডি, তার কারণ অমূল্য সামগ্রী আইন কিংবা উইলিয়াম জোনসের সই-করা কাগজ নয়, ভাইসরয়ের দপ্তরে আসা শত শত প্ৰতিবাদপত্রও ঠিক নয়। ব্রিটিশ সরকার ব্রাহ্মণহত্যার আশঙ্কা করেছিল। অনেককাল আগে ব্রাহ্মণ মহারাজা নন্দকুমারের ফাঁসির পর প্রতিপত্তিশালী সাবর্ণ হিন্দু সমাজে কী ধরণের আলোড়ন হয়েছিল, উচ্চবর্ণেরা দলে দলে কলকাতা ছেড়েছিল, সেটা শাসকের স্মৃতি থেকে মুছে যায়নি। গ্রেপ্তারের পর থেকে তিন দিন গঙ্গারাম খাবারের একটি দানাও দাঁতে কাটেননি কোনোরূপ প্রতিবাদ থেকে নয়, মানসিক চাপ থেকে তাঁর অস্ত্রাশয়ে প্রদাহ বেড়ে গিয়েছিল।

    পুলিশের স্টিমার যখন তাঁকে ফিরিয়ে নিয়ে এল, সাতগাঁ ও আশেপাশের ফিরিঙ্গিডাঙার অসংখ্য মানুষ নদীর পাড়ে জড়ো হয়ে গঙ্গারাম চক্রবর্তীকে বীরের অভ্যর্থনা দিল। কিন্তু তাঁর রোগজীর্ণ শরীর এই ধাক্কাটা নিতে পারল না। জ্যৈষ্ঠের তাপবাস্প বঙ্গোপসাগরের বুক থেকে নিম্নচাপ হয়ে ওঠার আগেই সাতগাঁর শেষ বিখ্যাত রত্ন শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন। ভাইপোর ছেলে রামপ্রাণ তাঁর মুখাগ্নি করল।

    .

    মাথার ওপর বৃক্ষের মতো ছিলেন যে মানুষটি, যাকে সে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসত, সেই দাদামশাইয়ের এই লাঞ্ছনা ও মৃত্যু বনলতার কোমল মনে গভীর রেখাপাত করে। সেই চৈত্র রাতের ঘটনার একমাত্র সাক্ষী ছিল সে। গঙ্গারামের নির্দেশে মাঝরাতের রহস্যময় অতিথির জন্য ফলার নিয়ে আসে। ঘুমজড়ানো চোখে দেখেছিল মেটেঘরের মেঝেয় মাদুরের ওপর দাদামশাইয়ের মুখোমুখি বসে আছেন এক পুরুষ, প্রদীপের আলোয় আলোকিত ওঁর মুখে ব্রণর ক্ষতচিহ্ন, চিবুকে পাতলা দাড়ি, মাথার মাঝখানে সিঁথি কাটা বাবরি চুল। বনলতা কাঁসার জামবাটিতে চিড়েদই আর রেকাবিতে পাকা পেঁপে কেটে এনেছিল। উনি সামান্য লজ্জিত ভঙ্গিতে একটি চামচ চাইলেন। এর আগে জীবনে কখনো কাউকে চামচ দিয়ে চিড়েদই খেতে দেখেনি বনলতা, পাকা পেঁপের ফালি একটুও স্পর্শ না করে অদ্ভুত কায়দায় চা দিয়ে খুবলে খেতেও কখনো দেখেনি। গঙ্গারাম গ্রেপ্তারের পর যখন সে সবকিছু জানল, প্রদীপের আলোয় দেখা সেই নিরীহ চেহারার আগন্তুকের সঙ্গে তার অগ্নিঝরা পথে চলার ছবিটা মেলাতে পারেনি।

    এগারো বছর পরে সে নিজেও সেই পথে হাঁটবে।

    .

    বাগবাজারের বাড়িতে আহত বিপ্লবী সহর্ষের আত্মগোপন বনলতা ছাড়াও আরেকজনের ওপর প্রভাব বিস্তার করেছিল তারিণীচরণ। বিন্দুমাধব মল্লিকের সামনে সেদিন রাধারাণী ওর এই বাড়িতে আশ্রয়প্রার্থী হয়ে আসার কথা মনে করিয়ে দিতে আত্মসম্মানে ঘা লেগেছিল। যদিও ওর প্রবাস জীবনের খুঁটিনাটি রাধারাণী জেনে যাবার পরেও তারিণীর স্বভাব বদলায়নি। কলকাতার সাহেবপাড়ায় নিত্যনতুন ভোগলালসার চোরাগলিতে উচ্ছৃঙ্খল দিনযাপনের পেছনে প্রচুর অর্থব্যয় হতো। পাঁজি আর চিকিৎসাশাস্ত্রের বই ছাপানোর ব্যবসায় আয় যেমন বেড়েছিল, সংসারে ব্যয়ও কিছু কম বাড়েনি। আমেরিকা থেকে অত্যাধুনিক লাইনোটাইপ যন্ত্র আমদানি করা, সুনির্মলকে লন্ডনে পড়তে পাঠানোর খরচ তো ছিলই, এছাড়া রাধারাণী পাগলরামের ধারা বজায় রেখে ফি বছর দশ বারো জন দুস্থ ছাত্রছাত্রীর ভরণপোষণের ভার নিত। এদিকে ক্রমশই দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে উঠছিল যে তারিণী আদিরাম প্রেসের সুনাম নষ্ট করছে। বিভিন্ন অসাধু মেইল-অর্ডার কারবারিদের থেকে টাকা নিয়ে ভুয়ো জিনিসের বিজ্ঞাপন পাঁজিতে ছেপে দিচ্ছে। বাংলার বিভিন্ন প্রাস্তে প্রতারিত পাঠকদের থেকে গুচ্ছ গুচ্ছ চিঠি আসতে লাগল। শেষকালে বাধ্য হয়ে রাধারাণী স্বামীর সব ধরনের দায়দায়িত্ব কেড়ে নিল, সরবরাহকারী থেকে শুরু করে বিজ্ঞাপনদাতাদের সতর্ক করল তারা যেন ওর সঙ্গে কোনোরকম আর্থিক লেনদেন না করে। তারিণীচরণকে সে রোজ কিছু পরিমাণ হাতখরচ দিতে লাগল, যা ওর বিলাসব্যসনের জন্য অতি সামান্য। সেই টাকায় গাড়ি হাঁকিয়ে তেল পুড়িয়ে সঙ্গীস্যাঙাত্ জুটিয়ে পাখি শিকারে যাওয়া যায় না, পার্ক স্ট্রিটে পানশালায় কিংবা ফিরিঙ্গি নাচনিদের বারেও যাওয়া যায় না, এমনকি ফ্লুরিজে রোজ প্রাতরাশ করতেও যাওয়া যায় না। ক্রমে তার চারপাশ থেকে মোসায়েবের দল কর্পূরের মতো উবে যেতে লাগল। তারিণী চৌরঙ্গি অঞ্চলে জাহাজী লস্করদের সস্তা মদের ঠেকে, টেরিটিবাজারে চীনা আফিমখোরদের ডেরায় যাতায়াত শুরু করল। এবং শীঘ্রই সিফিলিস বাঁধিয়ে বসল।

    সেটা জানতে পেরে রাধারাণী তাকে নির্বাসন দিল ছাপাখানার লাগোয়া সেই ঘরটায়, যেখানে অনেক বছর আগে তারিণী এই বাড়িতে তার আশ্রিত জীবন শুরু করে। মাঝরাতে মদ্যপ অবস্থায় টলতে টলতে সে দোতলায় উঠে রাধারাণীর বন্ধ দরজায় টোকা দিত— ‘শরীলটা শেতল করার জন্য’।

    মি’লেডি, বহু বছর আগে শাকম্ভরী দেবীর জীবনেও এইরকম এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। চাঁদেরডাঙায় শ্বশুরবাড়ি থেকে গঙ্গারাম তাকে উদ্ধার করে আনার পর কিছুকালের মধ্যেই স্বামী মথুরের জটিল নিউরোসিফিলিস ধরা পড়ে, পশ্চিমি চিকিৎসার পরিভাষায় যাকে বলা হতো কিউপিডের রোগ। এই রোগের বীজাণু প্রথমে মেরুদন্ডের স্নায়ু ও তারপরে ক্রমশ মস্তিষ্কে ছড়িয়ে গিয়ে সুখের কেন্দ্রগুলোকে অকেজো করে দেয়। এর ফলে লিবিডোর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায়, প্রবল যৌনপ্রবৃত্তি জেগে ওঠে। সেই সঙ্গে মানুষ স্মৃতিভ্রষ্ট হতে শুরু করে। মধ্যরাতে মথুর রায় একা একা চাঁদেরডাঙা থেকে ডিঙি নৌকা বেয়ে সাতগাঁয় চলে আসত, আদিরামবাটির পেছনে আমবনে এসে শাকম্ভরীর শোবার ঘর আন্দাজ করে ডাকাডাকি করত। যে দেহটির ওপর তার আইনসিদ্ধ অধিকার রয়েছে, সেটি পাবার জন্য প্রথমে জড়ানো গলায় আস্ফালন করত, তারপর ক্রমশ তা রূপান্তরিত হতো কাতর অনুনয়ে। কামিনী বেলি জুঁই শেফালি হাসনুহানা ইত্যাদি বিভিন্ন রাতে-ফোটা ফুলের নাম ধরে ডাকত সে, যা শুনে মনে হবে বুঝি শাকম্ভরীর মন গলানোর জন্য। কিন্তু আসলে সেসবই কাটুনিডাঙার দেহপোজীবিনীদের নাম, স্মৃতিবিভ্রমে স্ত্রীর নাম ডাকতে গিয়ে ওই নামগুলিই অচেতনে বেরিয়ে আসত মুখ দিয়ে। শাকম্ভরীর মন অবশ্যই তাতে গলত না। তিনি শক্ত করে বুক বেঁধে দরজায় খিল তুলে দিতেন।

    রাধারাণীও তাই করল। এবং তার ফলে তারিণী ক্রমশ নিষ্ঠুর হয়ে উঠল, পাশের ঘরে আত্মগোপন করে থাকা আহত সহর্ষের সঙ্গে ওর যৌন সম্পর্কের কুৎসিত ইঙ্গিত করতে লাগল। বন্ধ দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে স্খলিত কণ্ঠস্বর চড়িয়ে বলতে লাগল ―

    ‘সবই ওকে দিচ্ছ? আমার জন্যে কি কিছুই নেই, রাণী?’

    রাধারাণী যখন দরজার ওপাশ থেকে ফিসফিস করে অনুনয় করত–‘কী সব বলছ তুমি? সবাই শুনতে পাচ্ছে! এসব বলে হাতকাটা ছেলেটাকে আর যন্ত্রণা দিও না!’ তখন দ্বিগুণ তেজে তারিণী চিৎকার করত, যাতে একতলায় চাকর কর্মচারী ও আশ্রিতদের কানেও পৌঁছয়–

    ‘ঠিকই বলছি! ওর হাত নেই তো কী! যে অঙ্গটা তোমার কাজে লাগবে সেটা তো আস্ত আছে না কি?’

    দুঃস্বপ্নের ভেতর দিয়ে রাধারাণীর দিন কাটছিল। এরই মধ্যে বনলতা সহর্ষের সংস্পর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সন্ত্রাসবাদীদের দলে নাম লেখালো। পরে জানা যায়, সে নিয়মিত বেথুন কলেজের কেমিস্ট্রির ল্যাবরেটরি থেকে বোমা তৈরির রাসায়নিক সরিয়ে গোপনে বাইরে পাচার করছিল। এসবই সে করে বাগবাজারের বাড়িতে থেকেই, কিন্তু সেই সময় রাধারাণী নানা দিক থেকে এতটাই বিপর্যস্ত ছিল যে এসব তার নজরে পড়েনি।

    নজরে যখন এল ততদিনে অনেকটাই দেরি হয়ে গেছে, বনলতা দলে সর্বসময়ের কর্মী হয়ে আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে গেছে। তার কিছুদিনের মধ্যেই ওদের ষড়যন্ত্রের ছক ফাঁস হয়ে গেল, দুজন সন্ত্রাসবাদী চাঁদেরডাঙায় ফরাসী উপনিবেশে সংঘর্ষে নিহত হলো, বনলতা নিখোঁজ হলো। তার অনেক আগেই অবশ্য বিন্দুমাধব সহর্ষকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছেন। পুলিশ বাগবাজারের বাড়িতে চিরুনি তল্লাসি চালিয়েও কিছুই পেল না। ছাপাখানা থেকে যাবতীয় কাগজপত্র বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে গেল, যদি কোনো সূত্র পাওয়া যায়। কিন্তু পাঁজি আর ডাক্তারি বইয়ের পান্ডুলিপি ও গ্যালি প্রুফ থেকে কিছু পাওয়া গেল না, প্রেস অ্যাক্ট লঙ্ঘন হয়েছে এমন কিছুও পাওয়া গেল না।

    এদিকে তারিণীর স্বভাব চরিত্রের অধোগতি অব্যাহত রইল। রাধারাণী শুধু যে ওর যথেচ্ছ টাকা ওড়ানোয় রাশ টেনেছিল তাই নয়, কোনো সুদখোর মহাজন যাতে ধার না দেয় সেই ব্যবস্থাও করেছিল। এবার সে মরীয়া হয়ে ব্ল্যাকমেইল শুরু করল, হুমকি দিতে লাগল টাকা না দিলে সহর্ষকে বাড়িতে আশ্রয় দেবার ব্যাপারটা পুলিশের কাছে গিয়ে ফাঁস করে দেবে, জানিয়ে দেবে বনলতাকে কলকাতায় এনে রেখে রাধারাণী ওকে সন্ত্রাসবাদী হতে ইন্ধন দিয়েছে।

    দশহরার দিনে ভোরবেলা আর্মানি ঘাটের কাছে স্নানার্থীরা দেখল ট্রামলাইনে পড়ে আছে একটি মৃতদেহ। তার মাথার পেছনে ঘোড়ার খুরের দাগ, রক্তে ভেসে যাচ্ছে। তার অনেককাল আগেই কলকাতায় বিদ্যুতে টানা ট্রাম হয়েছে। ট্রামওয়ে কোম্পানির শেষ বৃদ্ধ প্রায়ান্ধ কালো রঙের অস্ট্রেলিয়ান ঘোড়াটি তখনও লোকজনের দয়াদাক্ষিণ্যে বেঁচে আছে। রাস্তা থেকে আবর্জনা খুঁটে খায়, ভোরবেলায় রাস্তায় যানবাহন বেরোনোর আগে সে উত্তর কলকাতায় তার পুরোনো চলার রুট ধরে পরিক্রমা করে বেড়ায় প্রেতের মতো। স্থানীয় মানুষের কাছে সে অতি পরিচিত দৃশ্য। তারিণীচরণ লাহিড়ির দেহ সনাক্ত করার পর ময়নাতদন্তে পাঠানো হলো। কিন্তু অতিরিক্ত মদ্যপান করে ট্রামলাইনের ওপর ঘুমিয়ে পড়ার পর ঘোড়াটির খুরের আঘাতে মাথা থেঁতলে যায়, নাকি আগেই কেউ মেরে ওখানে ফেলে রেখে গিয়েছিল, সেই রহস্যের কোনো কিনারা হলো না।

    আদিরাম প্রেসের বাড়িটির ওপর প্রশাসনের নজর ছিলই। ওখানে সন্ত্রাসবাদী লুকিয়ে থাকার খবর পেয়েও পদক্ষেপ নেবার আগেই শেষ মুহূর্তে শিকার হাত থেকে ফসকে যায়। এরপর বনলতার ঘটনাটি ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।

    বাগবাজারের বাড়িতে পাগলরামের আমলের ঘোড়ায় টানা রুহাম ছিল। লালবাজার থেকে গোয়েন্দা অফিসাররা এসে তল্লাসি চালিয়ে বাদামি রঙের দশাসই কাঠিয়াওয়াড়ি ঘোড়াটির খুরের ফাঁকে রক্তের চিহ্ন পেল। এমনিতে শহরের রাজপথে বাঁধানো কবল-স্টোনে ঘোড়ার পায়ের নীচে ছোটোখাট ক্ষত কিছু অস্বাভাবিক নয়, তাছাড়া ওই রক্ত ঘোড়াটির নিজের নাকি মানুষের সেটা পরীক্ষা করার মতো প্রযুক্তি তখনও কলকাতায় আসেনি। কিন্তু দুটি ঘটনার পারম্পর্যে পুলিশি সন্দেহের লক্ষ হয়ে উঠল রাধারাণী। বারে বারে থানায় ওকে ডেকে পাঠিয়ে জেরা চলল, খবরের কাগজে এই মৃত্যুর বিষয়ে সবিস্তারে কেচ্ছাকাহিনি লেখা হতে লাগল। সেসব গিলতে লাগল সাতগাঁয়ের মানুষ, ধর্মতলায় নেশাড়ুদের ঠেক সরগরম হলো। পাগলরামের কলকাতায় গিয়ে প্রতিষ্ঠালাভ নিয়ে বহু মানুষের হৃদয়জ্বালা ছিলই, তাতে ঘৃতাহুতি পড়ল। আদিরামবাটির লোকজনও তার বাইরে ছিল না।

    ব্যতিক্রম সরোজা। পরিবারেরই একটি শাখার এই কঠিন বিপর্যয়ের দিনে সে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রামপ্রাণকে কিছু না জানিয়ে কলকাতার বাড়িতে আসে, রাধারাণীর পাশে দাঁড়ায়। সুনির্মল ইংল্যান্ড থেকে বাড়িতে ফেরার পর অবস্থা কিছুটা স্বাভাবিক হলে সাতগাঁয় ফেরে। রামপ্রাণের জন্য উপহার হিসেবে নিয়ে যায় হোমিওপ্যাথি ওষুধের বাক্স ও আদিরাম প্রেসে ছাপা মেটিরিয়া মেডিকা পিউরার প্রথম বঙ্গানুবাদ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }