Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    পরিমল ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প984 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – ৯.২

    ৯.২

    মি’লেডি, নদীর মতোই গতিময় মানুষের জীবন। কখনো তার বাঁকবদল ঘটে। জীবনের মানচিত্রে তার রেখাচিহ্ন রয়ে যায়, কিন্তু দৈববিপর্যয় না ঘটলে সাধারণত সেটা তখনই বোঝা যায় না, পরে নিরুপণ করতে হয়। মানব চরিত্রে পরিবর্তন প্রায়শই ঘটে অলক্ষে, অবচেতনে, ক্যালেন্ডারে তার কোনো চিহ্ন থাকে না। সেদিক থেকে পাগলরাম চক্রবর্তী ব্যতিক্রম। ঠিক কবে কখন কিশোর পাগলরাম অবসাদ ও মনোবিকার কাটিয়ে উঠে নিজেকে খুঁজে পেল, জীবনের পথ খুঁজে পেল, সেটা মাস দিন ক্ষণ ধরে বলে দেওয়া যেতে পারে। সেটা ছিল এক বাইশে নভেম্বর, বুধবার, ঘড়ির কাঁটায় তখন ঠিক দুপুর তিনটে। টং টং করে ঠিক তিনবার ঘড়িতে ঘন্টা বেজে উঠল। আদিরামবাটিতে এই অচেনা শব্দটা ছড়িয়ে পড়তে সকলেই চমকে উঠল।

    দক্ষিণের বারান্দায় অকেজো জলপাইকাঠের গ্র্যান্ডফাদার ক্লকটা সবারই আজন্ম চেনা। বাতিল আসবাবের মতো অনাদরে পড়েছিল, কেউ কখনো ঘড়িটা চলতে দেখেনি। এই বাড়িতে যারা এর ঘন্টাধ্বনি শুনেছে, তারা কেউ আর জীবিত ছিল না। ঘড়িটি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এক বড়ো কর্তার উপহার।

    *

    রাজারাম সার্বভৌমের মৃত্যুর আগের একটি ঘটনা, তখনও পাগলরামের জন্ম হয়নি।। সাতগাঁয় গুটি বসন্তের মড়ক কেটে গিয়েছে। একদিন ফোর্ট উইলিয়াম থেকে আদিরামবাটিতে বার্তা এল, কোর্ট অফ অ্যাপিলের প্রেসিডেন্ট এবং মুখ্য বিচারক টমাস আরুন্ডেল টোলের বাড়িতে পুথিখানার সম্ভারটি দেখতে বড়োই ইচ্ছুক ধর্মসঙ্কটে পড়লেন রাজারাম। ইচ্ছে হলে তিনি কোম্পানিকর্তার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করতে পারেন। কিন্তু ইংরেজরা বাংলার দেওয়ানি পাবার পর পুরোনো অর্থব্যবস্থা যখন ভেঙে পড়তে বসেছে, সাতগাঁর টোল চতুষ্পাঠীগুলোর দৈন্যদশা, সেইসময় ওদের প্রস্তাবিত অনুদান নেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন শাসকের পক্ষে মত দিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় সাতগাঁয় নৈয়ায়িকদের যে সভা হয়েছিল আদিরাম মন্দিরের চাতালে, সেখানে যে-দুজন অনুদান গ্রহণের সোচ্চার বিরোধিতা করেছিলেন তাঁরা হলেন পঞ্চানন তর্কচূড়ামণি ও সহোদর রামদেব। দুজনের কেউই আর জীবিত নেই।

    ইতিমধ্যে দিনকাল বদলেছে, ইংরেজদের শক্তি বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমাজের বিশিষ্টরা একমত হলেন, কোম্পানির অত বড়ো একজন কর্তার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা সুবিবেচকের কাজ হবে না। কিন্তু তা বলে এক গরুখোর সাহেবকে তো আর পুথিশালের ভেতরে পা রাখতে দেওয়া চলে না। অগত্যা বাগানের ধারে রাস্তার দিকে অতিথি আপ্যায়নের জন্য দরমা ও খড় দিয়ে একটি ঘর তোলা হলো। সাহেব আসার দিনক্ষণ ঠিক হবার পর কোম্পানির তহশিলদার এসে আয়োজন দেখে গেল, সাহেবের জন্য লাউঞ্জ চেয়ার, টেবিল, কার্পেট ইত্যাদি এনে দরমা খড়ের ছাউনি সাজিয়ে ফেলল। ওরা এককোণে একটি কাঠের চেম্বারপট বসাতে চেয়েছিল, কিন্তু রাজারাম সম্মতি দেননি। এই বাগানের ফুল মন্দিরে ঠাকুরবাড়িতে পুজোয় ব্যবহার হয়।

    নির্দিষ্ট দিনে কলকাতা থেকে কোম্পানির বড়ো বিশদাড়ি বজরা এসে লাগল পোর্তোহাটার ঘাটে। সেখান থেকে সেদান চেয়ারে চেপে উর্দি-আঁটা বেহারা আর্দালি সমভিব্যাহারে এলেন কোর্ট অফ অ্যাপিলের প্রেসিডেন্ট। আরুন্ডেল সাহেবের একমাথা সোনালি চুল, সরু খড়্গেঙ্গর মতো নাকের ওপর সোনালি ফ্রেমের প্যাশনে, নীল বুদ্ধিদীপ্ত চোখ। সদর দরজায় রাজারামকে দেখে সেদান চেয়ার থেকে নেমে আরুন্ডেল দুই হাত জড়ো করে বললেন-

    ‘নমস্তে বিদ্যন্, সুপ্রভাতম্! ভবতঃ স্বাগতেন অহং সম্মানিতঃ অস্মি!’

    এরপর তিনি ইংরেজিতে যা বললেন, তাঁর মুনশির তর্জমা থেকে জানা গেল। সাহেব বললেন :

    ‘আমি কোম্পানির প্রতিনিধি হয়ে আজ আসিনি। নিছকই ভিন্ন একটি প্রয়োজনে এসেছি। বলা যেতে পারে আমার পূর্বসূরীর অসমাপ্ত কাজ সম্পূর্ণ করতে।’

    ‘আমার সেই পূর্বসূরী ছিলেন ভাষাতত্ত্বের গবেষক। সাতগাঁয় এসে তিনি হাজার বছরের পুরোনো পুথির সন্ধান পান। সেই পুথিগুলির ভাষা তাঁকে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর শিকড় অনুসন্ধানের কাজে একটি নতুন সম্ভাবনাময় পথে চালিত করছিল। কিন্তু কাজটা সম্পূর্ণ করতে পারার আগেই তিনি মারা যান। তাঁর হাতে লেখা কিছু নোট আর অপ্রকাশিত দুটি প্রবন্ধ ছাড়া পুথিগুলি কিংবা সেগুলির কোনো কপি পাওয়া যায়নি।’

    ‘আপনি জানলে প্রীত হবেন, মারা যাবার আগে তিনি এশিয়াটিক সোসাইটি নামে প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে যান, যাতে এই প্রাচ্যদেশের বিপুল প্রাচীন জ্ঞানভান্ডার এক ছাতের নীচে রক্ষিত হতে পারে। কলকাতায় গোরস্থানের রাস্তার মুখে সোসাইটির নিজস্ব কোঠাবাড়ি হয়েছে, সংগ্রহশালা হয়েছে। এছাড়া একটি মুদ্রণযন্ত্র বসানো হয়েছে, মাসিক পত্রিকা ছাপা হয়। সম্প্রতি সোসাইটির সভাপতি হয়েছি আমি। এই দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা আমার আছে কি না আমি জানি না, কিন্তু এটুকু বুঝি যে কলকাতা কোম্পানির শাসনকেন্দ্র হলেও এই বঙ্গদেশে সনাতন বিদ্যা ও শিল্পচর্চার কেন্দ্রগুলি ছড়িয়ে আছে তার বাইরে।’

    ‘সাহেবকে বলো, তিনি সঠিক বুঝেছেন।’ রাজারাম মুনশিকে বললেন। ‘কলকাতাকে আমরা বাংলার প্রাণকেন্দ্র মনে করি না। দীর্ঘ কয়েক শতাব্দী ধরে সাতগাঁ এই বিস্তীর্ণ অঞ্চলের রাজধানী ছিল।’

    ‘সেটা কলকাতা ছেড়ে বেরোলে দেখা যায়। গ্রামেগঞ্জে কত যে আশ্চর্য টেরাকোটার মন্দির। সেইসব স্থাপত্যকীর্তি জঙ্গলাকীর্ণ, অনুমান হয় কত মূল্যবান পুথিপত্র পটচিত্র উইপোকার গর্ভে গিয়েছে। সোসাইটি থেকে আমরা তাই উদ্যোগ নিয়েছি যতদূর সম্ভব সেগুলি উদ্ধার করার।

    এরপর আরুন্ডেল সাহেব নীচু স্বরে নির্দেশ দিলেন মুনশিকে, মুনশি নির্দেশ দিল আর্দালিকে, আর্দালি নির্দেশ দিল সাহেবের দলে আসা এক দোআঁশলা ইঙ্গভারতীয় যুবককে। বজরা থেকে আসার সময় দুজন চাপরাশির মাথায় একটি লম্বা কাঠের বাক্স এনে সদর দরজার বাইরে রাখা হয়েছিল। যুবকের নির্দেশে চাপরাশিরা সেটি ভেতরে আনল।

    ‘সোসাইটির তরফ থেকে এটি একটি বিশেষ উপহার।’ — আরুন্ডেল জানালেন— ‘এই বাড়িতে বিদ্যাচর্চার খ্যাতির স্বীকৃতি, এবং আতিথ্যদানের জন্য কৃতজ্ঞতার প্রতিদান।’

    কফিনের আকারের কাঠের বাক্সটিকে দেখে রাজারামের ভুরু কুঞ্চিত হলো। সাহেব কী চান সেটা এখনো স্পষ্ট নয়। বাক্সটি ঘরে না ঢুকিয়ে দক্ষিণের বারান্দায় এনে দাঁড় করানো হলো। হাফ-ফিরিঙ্গিটি সাঁড়াশি দিয়ে বাক্সের পেরেক খুলে বের করে আনল একটি পাঁচ ফুট উঁচু গ্র্যান্ডফাদার ক্লক, যার ডায়ালে কালো সোনালি অক্ষরে লেখা J. B. Joyce & Co. Shropshire England ।

    ঘন্টাখানেক পরিশ্রমের পর যুবক সেটিকে সচল করল। বিভিন্ন যন্ত্রাংশ স্বস্থানে বসালো, ব্রোঞ্জের আঙুরলতায় সজ্জিত লম্বা পেন্ডুলাম ঝোলালো, চাবি ঘুরিয়ে দম দিল, তারপর টিক টিক করে ঘড়ি চলতে শুরু করল। ঢং ঢং করে ব্রাহ্মণপাড়ায় ছড়িয়ে পড়ল বিচিত্র অশ্রুতপূর্ব ধ্বনি। মনে হলো জাদুবলে কোয়ার্সভিলের ঘন্টাঘরটা স্ট্র্যান্ড ছেড়ে হেঁটে হেঁটে চলে এসেছে আদিরামবাটিতে।

    ফিরিঙ্গিদের দেশের শিল্পপ্রযুক্তির বিস্ময়, কোম্পানির বড়ো কর্তা উপহার এনেছেন। রাজারামের গ্রহণ না-করে উপায় ছিল না। এরপর পুথিশালা থেকে পুরোনো পুথিপত্র পান্ডুলিপি খেপে খেপে বের করে বাগানে দরমা খড়ের ছাউনিতে আনা হলো। সাহেব সারাদিন ধরে খুঁটিয়ে সেগুলি দেখলেন।

    ভেতরবাড়ি থেকে মিছিরির পানা, ফল ও চন্দ্রপুলি পাঠিয়েছিলেন ভুবনেশ্বরী। সাহেব পানা ও ফল খেলেন, চন্দ্রপুলি স্পর্শ করলেন না। দিনের আলো ফুরোতে বজরায় ফিরে গেলেন, পরদিন সকালে ফিরে এসে আবার দেখতে লাগলেন। তুলোট কাগজে লেখা কিতাব রুজারের একটি কপি ও ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণের একটি বিরল সংস্করণ তাঁর মনোযোগ আকর্ষণ করল। কিন্তু তাঁর পূর্বসূরীর লেখায় যে এগারোটি প্রাচীন পুথিগুলির উল্লেখ ছিল, সেগুলি দেখতে পেলেন না।

    দ্বিতীয় দিন বিকেলের আলো ফুরোনোর আগে মুনশির মারফৎ একটি প্রস্তাব দিলেন আরুন্ডেল: আদিরামবাটির বিরল পুথির সংগ্রহ উপযুক্ত অর্থমূল্যে এশিয়াটিক সোসাইটির জন্য তিনি কিনে নিতে চান। প্রাচীন ভঙ্গুর পুথিপত্র সংরক্ষণের জন্য পার্ক স্ট্রিটের বাড়িতে একটি বিশেষ ধরনের ভল্ট তৈরি হয়েছে, সেখানে পুথিগুলি উই ঘুন সিলভারফিশ জাতীয় কীট ও আর্দ্রতাজনিত ক্ষয়ের প্রকোপ থেকে রক্ষিত থাকবে। আদিরামবাটির পরিবারের লোকজন বংশ পরম্পরায় কলকাতায় সোসাইটির গ্রন্থাগারে এসে সেগুলি অবাধে ব্যবহারের সুযোগ পাবে।

    রাজারাম প্রস্তাবটি মন দিয়ে শুনলেন। মুনশিকে বললেন ‘সাহেবকে বলো পুথিগুলি অমূল্য গর্বের ধন, কিন্তু এই বাড়িতে সবকিছুর চেয়েও আরাধ্য ধন হলো আদিরামের মন্দির। উনি এতদূরে এসে একবার চাক্ষুষ করবেন না?’

    আরুন্ডেল সাগ্রহে রাজী। পেগানরা সচরাচর বিধর্মীদের দেবস্থান দেখতে দেয় না, আর এ তো স্বয়ং গৃহকর্তা আহ্বান করছেন। সুবর্ণ সুযোগ! আর্দালি এসে সাহেবের পায়ের জুতো খুলল, রাজারান ওঁকে নিয়ে ছয় ধাপ সিঁড়ি ভেঙে পরিক্রমা পথে উঠে দেয়ালে উৎকীর্ণ চিত্রমালার বিবরণ দিতে লাগলেন।

    মুনশি যতদূর পারে ইংরেজিতে অনুবাদ করতে লাগল এই মৎস্যভূমির জন্মকথা, গঙ্গার মর্ত্যে অবতরণ, কনৌজের সাত রাজপুত্রের ত্রিবেণীতে আগমন, দরপ খান ও তাঁর পঞ্চদশ অশ্বারোহী, সাতগাঁর পণ্ডিত ও তুর্কী শাসকের সাক্ষাৎ, বাঙালি বণিকদের মকরমুখী বাণিজ্যতরীর বহর, লাটিন পালের আরবী ঢাও, নদীপারে সারি সারি চরকায় বসে সুতাকাটুনির দল, ফলন্ত আমের বনে বানরের পাল, স্নানার্থীর পা কামড়ে ধরেছে কামট, নৌকাবোঝাই করে চলেছে কালীক্ষেত্রের তীর্থযাত্রীরা, ত্রিকোণ টুপি পরা ফিরিঙ্গির ঠোঁটে হুঁকোর নল, পায়ে শেকল বাঁধা ক্রীতদাসের সারি নদীগর্ভে মাটি কাটছে, শিখাধারী গুরুর সামনে বসে অধ্যয়ন করছে বিদ্যার্থীর দল, মোগল নৌবহর কামান দাগছে ফিরিঙ্গিদের গড়ে…

    দেখতে দেখতে নিবিষ্ট সাহেব হাত তুলে মুনশিকে থামালেন। ‘দৃশ্যই কথা বলছে। ধারাবিবরণীর দরকার নেই।’

    রাজারামও চুপ করে গেলেন। দক্ষিণের দেয়াল থেকে পরিক্রমা শুরু করে পশ্চিম ও উত্তর দেয়ালে সূক্ষ্ম নিবিড় কারুকাজ দেখতে দেখতে পূর্ব দেয়ালে এসে থামলেন ওঁরা। বিধ্বস্ত ফাটলে আকীর্ণ মূক দেয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে টমাস আরুন্ডেল অস্ফুটে বলে উঠলেন–

    ‘কেন্ এতৎ কৃতম্?’

    ‘তব দেশবাসী,’ রাজারাম শাস্ত গলায় বললেন। ‘রবার্ট ক্লাইভ তস্য নাম।’ সাহেব আর পুথি সংগ্রহের প্রসঙ্গ উত্থাপন করলেন না। মন্দির দর্শন সেরে বিদায় নিলেন। আর্দালি পায়ে জুতো পরিয়ে দিল, তিনি সেদান চেয়ারে উঠে নদীর ঘাটে চলে গেলেন।

    বিশদাঁড়ির বজরা ভাটার স্রোতে উত্তুরে হাওয়ায় পাল তুলে তরতর করে ভাটির দিকে চলে যাবার পর সমাজের মাথারা খবর নিতে এল আদিরামবাটিতে।

    ‘এ যাবৎ যত রকমের দস্যু লুটেরা এই দেশে এসেছে, বর্গি ঘোড়সওয়ার আর মগ হার্মাদদের কথা স্মরণে রেখেই বলছি, এই ইংরেজগুলো সবার চেয়ে নিকৃষ্ট!’ রাজারাম ওঁদের বললেন। ‘যা কিছু মূল্যবান বস্তু ওরা লুটপাট করে নিজের দেশে নিয়ে যেতে পারে না, সেসবের সংগ্রহশালা বানিয়ে রাখে আর তাই নিয়ে সন্দৰ্ভ লেখে। সেদিন আর খুব বেশি দূরে নেই যখন ওরা এ দেশের মানুষ মেরে কেটে তার ওপরে সন্দর্ভ লিখবে!’

    রাজারামের এই ভবিষ্যৎবাণী আশ্চর্যজনকভাবে ফলে গেল। কিছুকালের মধ্যেই কলকাতার মেডিকেল কলেজে ঔপনিবেশিক দুর্ভিক্ষে মৃত একটি শবের ব্যবচ্ছেদ করা হলো, এশিয়া মহাদেশে সেই প্রথম। কাজটি করলেন পণ্ডিত মধুসূদন গুপ্ত নামে একজন বাঙালি কবিরাজ। বেশ কিছুকাল পরে এশিয়াটিক সোসাইটি এই বিষয়ে সংস্কৃতে লেখা একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে। সেটি অবশ্য রাজারাম দেখে যেতে পারেননি। ততদিনে তিনি লক্ষণাকে নিয়ে পরলোকবাসী হয়েছেন।

    *

    কোলব্রুকের জন্য বাগানের ধারে যে ছাউনিটি বানানো হয়েছিল, সেটি আর খুলে ফেলা হয়নি। বহুকাল রোদ-জল-ঝড় সয়ে দাঁড়িয়েছিল। রাজারাম সার্বভৌমের মধ্যম পুত্র গঙ্গারাম আয়ুর্বেদশাস্ত্রে পারদর্শী হয়ে ওঠার পর সেটি মেরামত করে নিয়ে ওখানে বসে রোগী দেখবেন। পসার বৃদ্ধি পেলে ওই খড়-দরমা খুলে ওখানেই ইটের পাকা কোঠা তুলে চেম্বার ও ফার্মেসি করবেন।

    সাহেবের উপহার দক্ষিণের বারান্দায় পড়ে ছিল। কিছুদিন সেটি চলে, থেকে থেকেই গির্জার মতো ঘন্টাধ্বনিতে বাড়ির মানুষজন বেড়াল গরু এবং এমনকি দেবতারাও চমকিত হতে থাকেন। তারপর একদিন ঘড়ির দম ফুরিয়ে থেমে গেলে সবাই হাঁফ ছেড়ে বাঁচে। আদিরামবাটিতে যান্ত্রিক ঘড়ি-বাঁধা সময়ের প্রয়োজন কারোর নেই। গ্র্যান্ডফাদার ক্লকটি দাঁড়িয়েছিল বছরের পর বছর, ধুলো আর মাকড়শার জালে আকীর্ণ। একবার কালবৈশাখির ঝড়ে পড়ে গিয়ে সামনের কাচ ভেঙে যায়, আরেকবার পেন্ডুলামের দরজাটি খুলে নিয়ে অন্য কোনো কাজে ব্যবহার হয়। বসন্তের শুরুতে চটকপাখিরা ডায়ালের পেছনে বাসা বাঁধতে থাকে। একবার বাড়ির এক বেড়াল ধুলোর প্রমাতামহস্য প্রমাতামহী সেই পাখির ছানা শিকার করতে গেলে গিয়ারবক্সে আটকে যায়। প্রবল ঘন্টাধ্বনি আর রক্তারক্তি কান্ডের ভেতর থেকে তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

    অনেক বছর পরে পাগলরাম যেদিন জে বি জয়েস কোম্পানির ঘড়িটি সম্পূর্ণ খুলে ফেলে তার ২৮৬টি ছোটো বড়ো যন্ত্রাংশ আলাদা করল, তখনও ভেতরে পাখির পালক, কাঠিকুটি আর বেড়ালের লোম ছিল। ইস্পাতের পেঁচানো স্প্রিংটা মরচে ধরে জুড়ে গিয়ে চাকতির মতো হয়েছিল। উনুনের ছাই আর রেড়ির তেল দিয়ে পাগলরাম সেটি আগের রূপে ফিরিয়ে আনল। ছোটো বড়ো গিয়ারের চাকা ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করে ফের সেগুলোকে নিখুঁত সংস্থাপনের কাজে নাওয়া খাওয়া ভুলে, সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত যেন এক উজ্জ্বল ধ্যানের ভেতর সমাধিস্থ হল। রোজ বিকেলের পর ডোঙা শর্মার টোল থেকে বাড়িতে ফিরে ছোটো ভাইকে ওই অবস্থায় দেখে গঙ্গারামের মনে সন্দেহ খচখচ করত খেলনা ভেঙে ফেলার মতো এও পাগলরামের এক নতুন মনোবিকার নয়তো?

    রেভারেন্ড বিলের বাসায় যেতে শুরু করার পর থেকে তুতলে দুটি-চারটি করে কথা বলতে শুরু করেছে পাগলরাম। আলস্যে ভরা এক শীতের নিজঝুম দিনে দিনটা ছিল বাইশে নভেম্বর যখন উঠোনে নিমগাছে একটিও পাতা নড়ছে না, নাগকেশর গাছে ঘুঘু ডাকছে, সবাইকে হতচকিত করে গ্র্যান্ডফাদার ক্লকটা ঢং ঢং করে তিনবার বেজে উঠল। পেন্ডুলাম দুলিয়ে টিকটিক করে ফের চলতে শুরু হল ঘড়িটা।

    ‘কী করে পারলি?’ গঙ্গারাম উচ্ছ্বসিত হয়ে ভাইকে জড়িয়ে ধরেছিল। ‘তুই তো ঘড়ির কলকব্জা মেরামতের কাজ শিখিসনি কোথাও!’

    ‘ও কি-কি-কিচ্ছু না!’ পাগলরাম বলল,— ‘ছা-ছা-ছাআআপাখানায় টা-টা- টাইইপ গাঁথার থ্-থেকেও স্-সোজা!’

    দিনের পর দিন মিশন হাউসের একতলার ছাপাখানায় কম্পোজিটারকে পায়রার খোপের মতো বাক্সের সামনে বসে পেতলের ট্রেতে সীসের টাইপ গাঁথতে দেখেছে সে। মুদ্রণের লিপির ভাষা তাকে ঘড়ির যান্ত্রিক বলের ভাষা বুঝতে সাহায্য করেছে। পাগলরামের এই নবলব্ধ দক্ষতা দ্রুত লোকমুখে চাউর হয়ে গেল— ন্যায়শাস্ত্রের জটিল সূত্র টিকা নির্ণয়ের জন্য খ্যাত আদিরামবাটিতে এক দক্ষ ঘড়ির মিস্ত্রির আবির্ভাব ঘটেছে।

    ইতিমধ্যে সনাতন বিদ্যাচর্চায় নতুন প্রজন্মের আগ্রহ কমেছে। সাতগাঁয় অনেকেই ফিরিঙ্গিডাঙায় আপিসে আদালতে, এমনকি চিনিকলেও কেরানি মুহুরির কাজ নিয়েছে। বেশ কয়েকটি বাড়িতে ঘড়ি এসেছে। তারা সেইসব অচল ঘড়ি, আর্দ্র আবহাওয়ার প্রভাবে দ্রুতগতি অথবা ধীরগতি, সারাইয়ের জন্য নিয়ে আসতে লাগল। পাগলরামও বিভিন্ন কোম্পানির নানান আকারের ও নকশার ঘড়ি, তার কিছু কিছু স্বতন্ত্র কলকব্জা ও গঠনতন্ত্রের অভিনবত্ব পরখ করে দেখার আগ্রহ থেকেই বিনা পারিশ্রমিকে মেরামত করে দিতে লাগল।

    রামানুজ আপত্তি ব্যক্ত করল।–‘কলকব্জা নিয়ে কাজ ব্রাহ্মণের নয়! এ বাড়িতে সরস্বতীর অধিষ্ঠান, বিশ্বকর্মার নয়!’

    কিন্তু গঙ্গারামের পূর্ণ সমর্থন ছিল। অগ্রজ হিসেবে রামানুজ আদিরামবাটির কর্তা হলেও গঙ্গারামের সঙ্গে সে কোনোরকম বিতর্কে জড়ায় না, বিশেষত একদিন ডোঙা শর্মার কাছে কাব্য পড়তে যাওয়াকে কেন্দ্র করে বচসার পর।

    পাগলরামের দক্ষতার বড়োসড়ো স্বীকৃতি এল। কোয়ার্সভিলের প্রশাসনিক দপ্তর থেকে বার্তাবাহক এসে জানালো, গির্জার সামনে ঘড়িঘরের বিখ্যাত ঘড়িটি আগেরদিন বিকেল থেকে হঠাৎ বিকল হয়ে পড়েছে। যেহেতু ওই ঘড়ি অনুযায়ী শহরের অন্যান্য ঘড়িগুলো মেলানো হয়, অফিস কাছারি যানবাহনের সময় নির্ণয় হয়, শহরে বিচিত্র অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। ঘড়িঘরের ওই বিশেষ ঘড়ি মেরামত করতে পারে যে দুই মিস্ত্রি, তারা থাকে কলকাতায়। তাদের ডাকিয়ে আনতে জোয়ারভাটার কারণে গোটা দিন লেগে যাবে। তার আগে নগরপালের সনির্বন্ধ অনুরোধে পাগলরাম চক্রবর্তী কি একবার এসে দেখতে পারেন?

    ঘড়িঘরের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে প্রায়ান্ধকার মেঝের ওপর রক্তের ফোঁটা পড়ে থাকতে দেখে পাগলরামের মনে সন্দেহ হলো। সরু মিনারের ভেতর লোহার মই বেয়ে উঠে দুটি বড়ো ট্রান্সমিশনের হুইলের মাঝে প্রায় অগোচরে পাওয়া গেল সন্দেহের কারণটা একটি প্রমাণ সাইজের ভামবেড়াল, তার মুখে ধরা একটি পায়রা, দুজনেই চাকার দাঁতের ফাঁকে পিষ্ট হয়ে মরে আছে। ভামবেড়ালের দেহটা কেটে কেটে বের করে চাকা পরিষ্কার করতে ঘড়ি ফের চালু হলো। বিশাল ঘানির আকারের কলকব্জাগুলো সচল হয়ে উঠতে দেখে, মুঠির মাপের ছোটো ঘড়ির সেই এক যান্ত্রিক বলের সূত্রের বিবর্ধন দেখে তরুণ পাগলরামের মনে যে সম্ভ্রম আর উত্তেজনা সৃষ্টি হলো, ঠিক সেই একরকম অনুভূতি হয়েছিল বহুকাল আগে রুয়ানো ডে ইনফান্টের, যেদিন তিনি নদীর জটিল গতিপ্রকৃতির মধ্যে মানব দেহতন্ত্রের প্রতিরূপ আবিষ্কার করেন।

    এই দিনের পর থেকে কোয়ার্সভিলের ফিরিঙ্গি নেটিভ নির্বিশেষে, ভিল হুঁশে ও ভিল নুয়ার বাসিন্দারা, যেকোনো ধরনের ঘড়ি বিকল হলেই সাতগাঁর এই ব্রাহ্মণের শরণাপন্ন হতে লাগল ওর চেয়ে ভালো মিস্ত্রি কলকাতায় পাওয়া যায় না এমনটা নয়, সে বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করে দেয় সে জন্যেও নয়, এক যৌথ স্বাভিমান থেকে, কলকাতা ও ইংরেজদের প্রতি সাবেক জাতক্রোধ থেকে কিছুদিনের মধেই পাগলরাম ঘড়ি মেরামতের জন্য বিভিন্ন ধরনের সূক্ষ্ম সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি উপহার পেয়ে সুসজ্জিত হয়ে উঠল। বাগানের ধারে দরমার ঘরটার একদিকে ভাইয়ের জন্য ওয়ার্কশপ বানিয়ে দিল গঙ্গারাম।

    এক ভাদ্রের দুপুরে কোয়ার্সভিল থেকে এক্কায় চেপে এল এক ফিরিঙ্গি যুবক। তাল-পাকা গরমেও তার পরনে ধুসর টেল কোট, ঘি রঙের ট্যুইলের ট্রাউজার্স, মেরুন ভেলভেটের ওয়েস্টকোটের ওপর রেশমি সুতোর নক্সা করা— সব মিলিয়ে অত্যন্ত ফ্যাশনদুরস্ত পোশাক। তার মাথায় টুপির নীচে সোনালি চুল নেমেছে কপালে, গলার কাছে ফ্যাকাসে সাদা চামড়ায় ঘামাচির মতো চাকা চাকা লাল দাগ, টিকালো নাক, সবজেটে চোখে অকাল বিষণ্ণতা। সরু ঠোঁট যেন এক বিচিত্র শ্লেষে সদা বঙ্কিম হয়ে আছে।

    সাহেব এসেছে একটি বিকল পকেট ঘড়ি নিয়ে। ঝিনুকের আকারের দামি রুপোর ঘড়িটি ব্রেগ্যে কোম্পানির, তার ঢাকনার ওপরে সোনার জলে লেখা হয়েছে যুবকের নাম: Charles Lairebaude। এদেশে সে বেশ কিছুকাল হলো এসেছে, কিন্তু এখনও স্থানীয় ভাষা পুরোপুরি রপ্ত হয়নি, কিন্তু এই অঞ্চলের সেরা ঘড়ি সারাইয়ের কারিগরের কথা সে জেনেছে কোয়ার্সভিলের ট্যাভার্নে। জাহাজে ভারতে আসার সময় ঘড়িটি বন্ধ হয়ে যায়, যুবক জানায়। সম্ভবত এ দেশের প্রখর গ্রীষ্মের তাপে ভেতরের চাকাগুলি গলে গিয়েছে।

    পাগলরাম সন্না ও সরু স্ক্রু ড্রাইভার দিয়ে ঝিনুকের ঢাকনা খুলে চোখে আই- পিস লাগাতেই ধরতে পারল সমস্যাটা এসকেপ হুইলটি কোনো কারণে, সম্ভবত সমুদ্রের নোনা হাওয়ার প্রভাবে, আটকে গিয়েছে। সেটিকে নড়াতেই কলকব্জা ফের চালু হয়ে গেল, ঘড়িতে প্রাণ ফিরে এল।

    সাহেব হাততালি দিয়ে শিশুর মতো উচ্ছ্বসিত হয়ে বার বার বলতে থাকে— ‘মেসি! ম্যেসি! ম্যেসি ব্যকু!’

    কিন্তু যখন পাগলরাম দম দেবার পর দক্ষিণের বারান্দায় গ্র্যান্ডফাদার ক্লকের সঙ্গে সময় মেলাতে কাঁটা ঘোরাতে থাকে, যুবক হাত মুখ নেড়ে ভাঙা ভাঙা বাংলায় এক বিচিত্র অনুরোধ করে, যার সারমর্ম বুঝে উঠতে পাগলরামের বেশ কিছুক্ষণ লাগে।

    সাহেব চায় ঘড়িটিতে সময় যেন সাড়ে তিন ঘন্টা পিছিয়ে রাখা হয়।

    ‘কি-কিন্তু কেন?’ পাগলরাম অবাক হয়।

    যুবক উত্তর দেয় না। ওর তীর্যক ঠোঁটে রহস্যময় হাসি ফোটে। ঘড়িটি কোটের বুক পকেটে রেখে আলতো চাপড় মেরে ভেতর পকেট থেকে একটি বেগুনি ভেলভেটের বটুয়া বের করে, কত পারিশ্রমিক দিতে হবে জানতে চায়।

    ‘কিইইছু দিতে হবে না,’ পাগলরাম মাথা নেড়ে বলে। ‘সামান্য একটা এসকেপ হুইল ঘু-ঘুরিয়ে দেবার জন্য আমি কোনো পা-পারিশ্রমিক নিইনা, ঘড়িতে সা-সাড়ে তিন ঘন্টা সময় পিছিয়ে দেবার জন্যেও কিছু নিইনা।’

    ‘সাড়ে তিন ঘন্টা সময় পিছাইবার কারণ…একদিন তোমায় আমি বলিবে।’ যুবকটি ঠোঁট প্রসারিত করে মিষ্টি হেসে দুহাত জড়ো করে নমস্কারের ভঙ্গি করে। ‘আবার দেখা হবে। আমার নাম শার্ল, শার্ল লেবো।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }