Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    পরিমল ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প984 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – ৯.৪

    ৯.৪

    কোয়ার্সভিলের ফিরিঙ্গিরা যাই বলুক, আজব শহর বটে কলকাতা। সেখানে সাত সমুদ্র তেরো নদী পেরিয়ে বরফ আসে, আবার বিচিত্র কলের জাহাজও আসে। ধর্মতলায় সেই জাহাজের খবর নিয়ে এল হান্স অ্যান্টনি।

    ‘পাল দাঁড় কিছুই নেই, নাম তার ফায়ারবোট। মাথায় কামান আকাশের দিকে তাক করা, কিন্তু গোলা নয় ধোঁয়া বেরোয় কেবল। আর বোটের পোঁদে বন বন করে চাকা ঘোরে!’

    রসগোলার সুবাদে গোবর্ধনের বটতলার দোকানের সুনাম ছিলই, বরফ আসার পর থেকে আরও বেড়েছে। গ্রীষ্মের দুপুরে হিমশীতল ভাঙের শরবতের টানে রসিকদের আনাগোনা লেগেই থাকে। কলকাতায় নিয়মিত টিউডর আইস কোম্পানির আমদানি শুরু হয়েছে, কাচের বরফঘর তৈরি হয়েছে। ঘোড়ার কম্বলে মুড়ে বরফের চাঙড় রোজ সকালে কোয়ার্সভিলে আসে নৌকায়। আড়তদারের ডিপো থেকে রোজ মার্কিন বরফ আনে ননী, মাটিতে গর্ত করে পুঁতে রাখা জালায় সন্ধ্যা পর্যন্ত থাকে। ভাঙের মৌতাত জমে উঠলে গোবর্ধনের ঠেকে নেশাড়ু হাওয়াতাঁতিরা যে সব কাহিনির বফত্ হাওয়া বফত্ শবনম বোনে, ফায়ারবোটের খবরটিও তার থেকে আলাদা কিছু ভাবার কোনো কারণ ছিল না যদি না এই সংবাদ বয়ে আনত অ্যান্টনি সাহেব।

    সাহেবের কথায় সায় দিল ওলন্দাজডাঙার এক বানিয়ান।

    ‘ফায়ারবোটের কথা আমিও শুনেছি বাপু। তার বিরাট দাঁতওয়ালা চাকা বন বন করে ঘোরে, যত মাছ কুমির শুশুক কামট তার নাগালে পড়ে কেটে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। যে পথে জল কেটে বোট চলে, শুধু মরা মাছের লাশ ভেসে থাকে।’

    কিছুদিনের মধ্যেই হুগলির বুকে দেখা দিল ফায়ারবোট। এক বুধবার দুপুর রোদে বিচিত্র কলের জাহাজ দেখতে মৎস্যভূমির মানুব ভেঙে পড়ল ঘাটে। প্রযুক্তির এই আশ্চর্য উদ্ভাবন সম্পর্কে যেসব গল্পকথা শোনা যাচ্ছিল, বাস্তবে সেটি চর্মচক্ষে চাক্ষুষ করার অভিঘাত ঢের তীব্র। আকাশের দিকে তাক করা রয়েছে একটি নয়, তিন-তিনটি কামান। তাদের মুখ দিয়ে ধোঁয়া বেরুচ্ছে, আগুনের ফুলকি বেরুচ্ছে, আর কিম্ভূত ইস্পাতের ময়দানব বিকট ধকধক ধকধক ধ্বনি তুলে নদীর জল উথালপাথাল করে, জেলে ডিঙি মোচার খোলার মতো দুলিয়ে দিয়ে ধেয়ে আসছে। কাছাকাছি আসতে দেখা গেল ফায়ারবোট আরেকটা বড়ো চ্যাটালো ভেলার মতো নৌকা টেনে আনছে, যার নাম নাকি— ‘ফ্ল্যাট’। ওলন্দাজডাঙার কাঠের জেটিতে এসে ভিড়তেই সেই ফ্ল্যাট-এর পেট থেকে বেরিয়ে এল এক ডজন লালমুখো ইংরেজ। তাদের পরনে কালো টেলকোট, ট্রাউজার্স, হাঁটুর নীচ পর্যন্ত ঢাকা হেসিয়ান বুট, মাথায় কালো বোলার হ্যাট আর চোখে প্যাসনে আঁটা। জনে জনে মাথায় ছাতা ধরে লাল কোমরবন্ধ-আঁটা আর্দালির দল। তাদের পেছনে চোগা-চাপকান পরা নেটিভ মুনশিরা। তাদেরও পেছনে একদল কুলি নামালো কাঠের চেয়ার টেবিল, পেঁচানো লোহার শেকল, দৈর্ঘ্য মাপার ফিতে, কাগজের বান্ডিল, দোয়াত কলম আর এক বিচিত্র ধরনের তেপায়া ছোটো কামানের মতো যন্ত্র।

    ‘দাস ব্যবসায়ী!’ গুফো গোঁসাই বলল। ‘মানুষ ধরতে এয়েছে!

    ফায়ারবোট দেখবে বলে সকাল থেকেই গঙ্গা আর গুঁফো নদীর পাড়ে গাম্বেল গাছের ছায়ায় এসে বসেছিল। বাইরের দুনিয়ার সব খবর আগাম পেয়ে যায় গুঁফো। কিন্তু গঙ্গারাম বলল

    ‘উঁহু, ওরা ফিরিঙ্গিডাঙায় এয়েছে জমি কিনতে।’

    বিকেলের আগে জানা গেল গঙ্গার অনুমান সঠিক। সাহেবগুলো ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অ্যাসেসর, ফিরিঙ্গিডাঙার যাবতীয় স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির হিসেব বুঝে নিতে এসেছে। লন্ডনে বসে ওলন্দাজ আর দিনেমার কোম্পানির কর্তারা চুক্তি সেরে ফেলেছে, ফিরিঙ্গিডাঙাগুলো ইংরেজরা নগদ মূল্যে কিনে নিচ্ছে। এখন তারা এসেছে চুক্তির সঙ্গে মিলিয়ে মাপজোক করে ফর্দ তৈরি করতে।

    জাহাজঘাটায় নেমে কালো হ্যাটকোটেরা ছোটো ছোটো দলে ভাগ হয়ে ছড়িয়ে গেল বিভিন্ন দিকে, তেপায়া কামানগুলো যার নাম নাকি থিওডোলাইট জমিতে বসিয়ে মুনশিরা লম্বা লম্বা শিকল টেনে ফিতে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মাপজোক শুরু করে দিল। বট তেঁতুলের ছায়ায় সাহেবদের জন্য টেবিল পাতা হলো। প্রখর তাপে কসাইখানায় ছালছাড়ানো মাংসের মতো লালমুখো সাহেবগুলো গলতে গলতে, ল্যাভেন্ডারে চোবানো মসলিনে ঘাম মুছতে মুছতে সন্ধ্যার অন্ধকার নামার আগেই এক অনুপুঙ্খ তফসিল বানিয়ে ফেলল ওলন্দাজডাঙার দিনেমারডাঙার এলাকাভুক্ত যাবতীয় কোম্পানির বাড়ির, কাছারির, ফ্যাক্টারির, গুদামের, ক্লাব আর পানশালার, সেখানকার সবকটি পুল টেবিল, বল আর লাঠির, মদের পিপের, দুটি জেলখানার ও তার উনত্রিশ জন কয়েদির, পথের ধারে যাবতীয় প্রাচীন দামি গাছের, ১৭টি বেওয়ারিশ ষাঁড় ও ৫৮টি পথকুকুরের, সীমান্ত ফটকে রাস্তায় লোহার জাল পাতা থাকায় যারা নির্দিষ্ট উপনিবেশের এলাকা ছেড়ে যেতে পারে না।

    দিনেমারডাঙা ইংরেজদের হাতে চলে যাওয়ার পর দেশে ফেরা ছাড়া রেভারেন্ড বিলের আর কোনো গত্যন্তর ছিল না। একজন দুঃখী ও হেরে যাওয়া মানুষ, ব্রিটিশ শাসনাধীন এলাকার বাইরে গিয়ে তাঁর ধর্মপ্রচারের পরিকল্পনা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছিল।

    *

    মি’লেডি, তাতে আশ্চর্য হবারও কিছু ছিল না। পূর্বভারতে বন্দর-হুগলিতে সর্বপ্রথম গির্জাটি গড়ে ওঠার পর বিভিন্ন বর্গ ও সঙ্ঘের ক্রিস্টান যাজকেরা এসেছে এই মৎস্যভূমিতে। তারা কেউই স্থানীয়দের মধ্যে ধর্ম প্রচারে সফল হয়নি। গোয়া থেকে প্রথম অগস্টিনীয়রা আসার পর মালাবারের সিরিয়ান ক্রিশ্চানরা এল, তারপর একে একে রোমান ক্যাথলিক, লুথেরান, প্রোটেস্ট্যান্ট মেথডিস্ট, প্রেসবাইটেরিয়ান, ইভ্যাঞ্জেলিস্ট, গ্রিক অর্থোডক্স গোষ্ঠী এসেছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ হুগলির ধারে জমি নিয়ে গির্জা আর চ্যাপেল গড়ল, সেবাপ্রতিষ্ঠান তৈরি করে সমাজে প্রান্তজীবী অসবর্ণদের মধ্যে কাজ করল, নানা ভাবে তাদের ঈশ্বরের বাণী প্রচার করার চেষ্টা করল। কিন্তু প্রত্যাশামতো ধর্মান্তকরণ হলো না। ব্যবসাবাণিজ্য বন্দর-হুগলি থেকে কলকাতায় সরে যাবার পরেও মার্কিন মুলুক থেকে চার্চ অফ নাজারিনের যাজকেরা এসেছে; অ্যাংলিকানরা এসেছে তার আগেই। আর্মানিরা সেই কবে ওলন্দাজডাঙায় গির্জা তৈরি করেছে নিজেদের প্রার্থনার জন্য। ফিরিঙ্গিডাঙায় বিভিন্ন উপাসনাস্থলে ক্রিসমাস কিংবা ইস্টারের মতো পরবের দিনে ছাড়া নেটিভদের সচরাচর দেখা যায় না। পাদরিবাবার আখ আর দুধের কেরেস্তান ম্যাজিক হেরে গিয়েছে বাংলার মাটিতে পুষ্ট সনাতন অলৌকিকের কাছে। উপর্যুপরি মারী মড়কের ধাক্কায় অসহায় মানুষ ধর্মঠাকুরের থানে হত্যে দিয়েছে, সরস্বতীতে ডুব দিয়ে দন্ডি কেটে এসে বটের ঝুরিতে মানতের ঘোড়া বেঁধেছে, গাজন পরবে উপোস করে বান কুঁড়েছে, আগুনের ওপর দিয়ে হেঁটে যন্ত্রণার অর্ঘ্য দিয়েছে দেবতাকে।

    রেভারেন্ড বিলের বড়ো পরাজয় হলো, শত শত চিঠিচাপাটি আপীল ইত্যাদি থেকে শুরু করে হাজার হাজার লিফলেট ছাপিয়ে বিলি করেও তিনি সতীদাহ বন্ধ করতে পারেননি। যে বাংলার মলয় বাতাস দরপ খান গাজী থেকে শুরু করে সকল ভিনদেশিকে এই সবুজ সজল বাংলায় বেঁধেছে, তাদের হৃদয়ে অনির্বচনীয় আবুলির সঞ্চার করেছে, এমনকি বাত-খ্যাপা বাতুলদের একতারা হাতে দিয়ে ঘরছাড়া করেছে মনের মানুষের খোঁজে, সেই বাতাসই শেষ পর্যন্ত হারিয়ে দিল রেভারেন্ড বিলকে। সেই বাতাস জীবন্ত মনুষ্যদেহ পোড়ার গন্ধ থেকে মুক্ত করতে পারলেন না তিনি। সেই বাতাস ক্যাথির মাথায় ঢুকে গোল বাঁধালো। একদিন মাঝরাতে বিছানা ছেড়ে উঠে তিনি একতলায় ছাপাখানায় এলেন, এক জেরিক্যান ভর্তি তার্পিন তেলে স্নান করে দেশলাই ধরালেন। সতীদাহের দুঃস্বপ্নকে নিজ দেহে বাস্তবায়িত করলেন, সেই সঙ্গে স্বামীর সাধনার জগতেও আগুন লাগিয়ে দিলেন। বিল ছুটে এসে কোনোক্রমে তাঁকে বাঁচাতে পারলেন, নিজেও দগ্ধ হলেন। অসংখ্য প্রুফ এবং মূল্যবান পাণ্ডুলিপি আগুনের হাত থেকে রক্ষা করতে পারলেন না। ক্যাথিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হলো কোয়ার্সভিলে সিস্টার্স দ্য ক্লুনি হাসপাতালে।

    আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া কাগজপত্রের মধ্যে রুয়ানো ডে ইনফান্টের লেখা হর্টাস বেঙ্গলেনসিস-এর পান্ডুলিপি ছিল। বিগত চার বছর ধরে তিনি সেটি অনুবাদ করছিলেন, গঙ্গারামের সাহায্য নিয়ে দুষ্প্রাপ্য উদ্ভিদ সংগ্রহ ও চিহ্নিতকরণের কাজ করছিলেন।

    ঘটনার তিনদিন পর শুক্রবার মিশন হাউসে গিয়ে গঙ্গারাম দেখল ভস্মীভূত ছাপাখানা, ছাইয়ের স্তূপের মাঝে একটি লোহার টুলের ওপর বসে আছেন রেভারেন্ড বিল, দুহাতে কনুই পর্যন্ত ব্যান্ডেজ জড়ানো। মাথার চুল আর ভুরুর কিছুটা অংশ পুড়ে গিয়েছে, চোখদুটি কোটরাগত। দেখে মনে হয় যেন আচমকাই অতি বৃদ্ধ হয়ে পড়েছেন রেভারেন্ড। উঠোনে এক অচেনা ইংরেজের তদারকিতে দুজন কর্মচারী বড়ো বড়ো কাঠের প্যাকিং বাক্সে নিত্য ব্যবহারের তৈজসপত্র জামাকাপড় ভরে পেরেক ঠুকে ডালা বন্ধ করছে।

    ‘এস গঙ্গা!’ বিলসাহেব বললেন। এত কিছুর মধ্যেও তাঁর মুখে প্রশান্ত হাসিটি অমলিন আছে।

    মেমসাহেব হাসপাতালে, গঙ্গারাম জানত। এদিক ওদিক তাকিয়ে বলল—‘পিটার আর জন?—’

    ‘ওদের কলকাতায় আমার এক কাজিনের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি। ইনি মিস্টার স্মিথ, ওর স্বামী।’ উঠোনে ইংরেজটিকে দেখিয়ে বললেন।

    গঙ্গারামের হাতে ছোটো বেতের সাঁপুড়িতে কয়েকটি চারাগাছ ছিল। সাতগাঁর আসেপাশে বনেবাদাড়ে ঘুরে সে গাছগাছড়া সংগ্রহ করত, স্থানীয়দের কাছে তাদের দিশি নাম ও গুণাগুণ জানার চেষ্টা করত। প্রতি শুক্রবার মিশন হাউসে আসত, বিল সাহেব ডে ইনফান্টের আঁকা রেখাচিত্রের সঙ্গে মিলিয়ে আঞ্চলিক জ্ঞান গেঁথে দিতেন।

    ‘আমি অতীব দুঃখিত গঙ্গা, হর্টাস বেঙ্গলেনসিস-এর পাণ্ডুলিপিটি বাঁচাতে পারলাম না! আজ থেকে দুশো বছর আগের এক পর্তুগীজ যাজকের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান কাজটা রক্ষা করতে পারলাম না, সেটি ছাপিয়ে মানুষের হাতে তুলে দিতে পারলাম না।’

    প্রবীণ পাদরিকে কী বলে সান্ত্বনা দেবে ভেবে পায় না গঙ্গারাম, হতচকিত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। বেশ কিছুক্ষণ পরে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বিল বলেন—

    ‘মানুষ ভাবে এক, হয় আরেক। কত কী ভেবে ইংল্যান্ড থেকে যাত্রা করেছিলাম, আর কী তার পরিণতি হলো। হয়তো তোমাদের ধর্মে একে কর্মফল বলে। আমার দেশের মানুষ এই অত্যন্ত উর্বর সজীব দেশে এসেছে বন্দুক হাতে নিয়ে, তাকে ছারখার করেছে। সেই অন্যায়ের কাছে আমার এই ব্যক্তিগত বিপর্যয় কী আর এমন গুণাগার। তাছাড়া কত প্রাচীন এই সভ্যতা। প্রভু যিশুর জন্মের কতকাল আগে থেকে মানুষ এখানে কত রকমের বিশ্বাসের মাঝে বাস করছে। খ্রিস্টান ধর্ম এখানে আর কী-ই বা করতে পারে?’

    দেশে ফেরার আগে গঙ্গারাম ও তার ভাই পাগলরামের জন্য একটি বিশেষ উপহার রেখেছিলেন রেভারেন্ড বিল— সেই পুরোনো অ্যালবিয়ন কোম্পানির ছাপার টগল যন্ত্রটি, যাকে স্থানীয়রা বলে বিল সাহেবের তিনপেয়ে দেবতা। বিধ্বংসী আগুনেও প্রায় সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে ইস্পাতের কলটি, কাঠের হাতলগুলি ছাড়া আর কিছুই নষ্ট হয়নি।

    নিজেই ব্যান্ডেজ বাঁধা হাতে মাটি থেকে বাংলা সীসের টাইপ কুড়িয়ে নিয়ে সযত্নে একটি কাপড়ের থলিতে ভরে দিলেন।

    ‘আমি জানি তোমরা দুই ভাই এই যন্ত্রের সঠিক ব্যবহার করতে পারবে।’ আটদিন হাসপাতালে যন্ত্রণাভোগের পর ক্যাধি মারা গেলেন। তাকে কেরোন গোরস্তানে কবর দেওয়া হলো। রেভারেন্ড বিল কলকাতায় গিয়ে পুত্রদের সঙ্গে মিলিত হলেন, সেখান থেকে নতুন দ্রুতগামী ফায়ারবোটে ফিরে গেলেন দেশে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }