Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    পরিমল ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প984 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – ৭.২

    ৭.২

    ধর্মতলায় বটের নীচে ধর্মঠাকুরের কচ্ছপাকৃতি পাথর বৌদ্ধ নাকি ধর্মরাজ যমের প্রতীক এই বিষয়ে সাতগাঁর পণ্ডিতদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। খর গ্রীষ্মের দুপুরে যখন চারদিক তাপবাষ্পে দোলে, ডোবা পুকুর সব শুকিয়ে যায়, তখন এলাকার যত মহিষ বটের ছায়ায় আসে। আসে জটাজুটধারী সাধু সন্ন্যাসী ভেকধারীর দল। তারা দেহে বাণ ফোঁড়ে, শিবনেত্র হয়ে গালবাদ্য বাজায়, গনগনে আগুনের ওপর হাঁটে, একপায়ে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে রাত্রিদিন, ধুনি জ্বেলে আস্তানা গাড়ে। পরিযায়ী সাদা বকের মতো উরস যাত্রায় সুফি আউলের দল এখানে এসে তিষ্ঠোয় কয়েক দিন। বাত-ক্ষ্যাপা বাতুলেরা আসে। যে বাত ভিনদেশি নাবিক বণিকের চোখে আবুলির আঠা পরিয়েছে, এই মৎস্যভূমিতে বেঁধেছে, সেই একই বাত এদের ঘরছাড়া করে। তারা পাগল হয়ে বেরিয়ে পড়ে মনের মানুষের সন্ধানে। কেউ গলায় সোলেমানি পাথরের মালা ঝোলায়, একতারা হাতে নিয়ে পায়ে ঘুঙুর বেঁধে ঘুরে ঘুরে নেচে গান গায়, পাগলের মতো মাথা ঝাঁকায়। অন্য এক দল মধ্যরাতে বটের গভীর ছায়ায় এসে জড়ো হয় অম্বুবাচি তিথিতে, যখন ধরিত্রী রজস্বলা হয়, গোপন অকথ্য ক্রিয়ায় মেতে ওঠে।

    দেশে কোম্পানির শাসন শুরু হবার পর, মড়ক মন্বন্তর বাড়তে থাকার পর ধর্মতলার মাহাত্ম্য দূরদূরান্তে ছড়িয়েছে। ভীরু আতুর অন্তেবাসী মানুষ রোগ শোক ও বিবিধ বিপর্যয় থেকে উদ্ধারের বাসনায় ধর্মঠাকুরের থানে হত্যে দিতে আসে। নদীতে ডুব দিয়ে দন্ডি কেটে আসে। গাছের ঝুরিতে পোড়ামাটির ঘোড়া বেঁধে মানত করে, এলাচদানা ও মন্ডা পুজো দেয়।

    .

    ধর্মঠাকুরের থান থেকে হাত কয়েক দূরে বটের ঝুরিতে শামিয়ানা বেঁধে গোবর্ধনের দোকান, পুজোর মন্ডা এলাচদানা ছাড়াও ভাঙের গুলি ও শরবৎ পাওয়া যায়। সেই মাদকের লোভে ফিরিঙ্গিডাঙা থেকে আসে ফ্যাক্টর সাহেবদের দল। প্রবাসের নিঃসঙ্গতা ঘোচাতে তারা প্রচুর নেশা করে। নিয়মিত মহার্ঘ ক্ল্যারেট কিংবা হক কেনার পয়সা থাকে না প্রায়ই, তখন দিশি ধান্যমদ আর তাড়ি পান করে আকণ্ঠ। কিন্তু একটা-দুটো মৌসম এদেশে কাটালেই টের পাওয়া যায় কোহল জাতীয় পানীয় এই উষ্ণ আবহাওয়ার জন্য উপযুক্ত নয়। কেরেস্তান গোরস্থানের এলাকা বিস্তৃত হতে থাকে, ম্যাওবেড়ালের গির্জার লাগোয়া রুয়ানো ডে ইনফান্টের বাগানের জমিতে কবরের পাথর গজিয়ে ওঠে।

    ভাঙ সিদ্ধির নেশা সম্মোহক— চেতনাবিধুর, নিঃসঙ্গতাহরণ। সেটা সবচেয়ে ভালো মালুম হয় গ্রীষ্মের অনন্ত রৌদ্রের দুপুরগুলোয়। চারদিক খাঁ খাঁ করে, গাছে একটিও পাতা নড়ে না, পাখিরা মুক চিত্রার্পিত। বিজন পথ দিয়ে পাল্কিযোগে নৌকায় ওরা আসে কোয়াসঁভিল থেকে, ওলন্দাজডাঙা থেকে। সিদ্ধি ভাঙ রক্তে অহেতুক উত্তাপ সৃষ্টি করে না মদের মতো, কিন্তু দেহকে বিশুষ্ক করে দেয়। সেজন্য দুধ কিংবা মালাইজাতীয় দ্রব্যের সঙ্গে মিশিয়ে কিংবা অনুপান হিসেবে নিলে শুকনো অনুভূতিটা কেটে যায়। গোবর্ধনের দোকানে বড়ো বড়ো লোহার কড়ায় দুধ জ্বাল দেওয়া হয় সারাদিন। ঘন দুধে প্রস্তুত ভাঙের শরবত মাটির ছোটো ছোটো অ্যাম্ফোরার আকারে ঘটে পান করে ফিরিঙ্গি সাহেবরা, সিদ্ধি মেশানো ক্ষীরের গুলি কলাপাতায় নিয়ে চাটে।

    কোটপ্যান্টুলুন পরা সাহেবদের জন্য গাছতলায় খানকতক দড়ির খাটিয়া পেতে রেখেছে গোবর্ধন। কেউ কেউ মাটিতে বিছানো ঘাসের চাটাইয়ের ওপরেও শুয়ে পড়তে চায়। বটের সবুজ স্নিগ্ধ চাদোয়ার বাইরে খর জ্যৈষ্ঠের তাপজব্দ পৃথিবী মরীচিকার মতো তালীক হয়ে ওঠে তখন। ঢিমে ঘুঁটের আঁচে কড়াইভরা দুধ বুড়বুড়ি কেটে ঘন হয়ে উঠতে থাকে। চোখের পাতায় নামে স্বর্গীয় আবুলির ভার। চাঁদেরডাঙা দিনেমারডাঙা ওলন্দাজডাঙা আর্মানিডাঙার ফিরিঙ্গিরা জাতিগত ও ব্যবসায়িক রেষারেষি ভুলে জগাখিচুড়ি পিজিন ভাষায় জীবনের অর্থ নিয়ে, মৃত্যুর অর্থ নিয়ে দার্শনিক আলোচনায় মাতে। কখনো-সখনো লুকিয়ে এসে যোগ দেয় সাতগাঁয়ের দুটি চারটি সাবর্ণ তরুণ। তারা কেউ গোবর্ধনের ঠেকে গুলির টানে আসে, কেউ বা আসে দেশবিদেশের সংবাদের টানেও, যে টানে তাদের পূর্বপুরুষেরা সাতগাঁ বন্দরের ধারে সরাইখানায় যেত। এদের সংস্রবে থেকে আনকোরা ফিরিঙ্গি বুবক এদেশের আচাররীতি শেখে, ভাষা শেখে, বঙ্গজ গালি শেখে। কাউকে আবার হিদুয়ানির ভূতেও ধরে। তারা কোটপ্যান্টুলুন ছেড়ে মসলিনের ফতুয়া চাপায়, ধুতি ফেরতা দিয়ে লুঙির মতো করে কোমরে জড়ায়, গরমের দুপুরে মাথায় ভিজে গামছার শামলা বাঁধে, শানকিতে আঙুল ডুবিয়ে পাস্তা খেতে শেখে।

    ফিরিঙ্গিডাঙার শাসকেরা প্রমাদ গোনে, ফ্যাক্টরদের ক্লাবে গির্জায় উপাসনাগৃহে নিষেধাবলী জারি হয়।

    কিন্তু গভর্নর আর পাদরিদের উষর শাসনের রক্তচক্ষুর বাইরেই থেকে যায় ধর্মতলায় গোবর্ধনের ঠেক ঘিরে এক স্বাধীন, সার্বভৌম, ছায়াময়, ভেষজ, চৈতন্যবিধুর মরূদ্যান।

    .

    এক হিঁদুর বাড়া ফিরিঙ্গি হিদুকে মাঝেসাঝে এখানে দেখা যায়। তার নাম হান্স অ্যান্টনি। জাতিতে পর্তুগীজ কিন্তু নেটিভ সাবর্ণদের মতো বাংলা বলতে পারে সে। ভাষাশিক্ষার শ্রেষ্ঠ পাঠশালা অর্থাৎ কি না বিছানায় শুয়ে বাংলা শিখেছে, এক হিন্দু বিধবাকে বিবাহ করে নিজের ধর্ম ত্যাগ করার পর, যে ধর্মের ইনকুইজিশান তাকে গোয়া থেকে তাড়িয়ে এত দূর এনেছে। ঘন সবজেটে শরবতের ভাঁড়ে চুমুক দিয়ে গোঁফে জিভ বুলিয়ে অ্যান্টনি সাহেব যখন গোয়ার যাজকদের নারকীয় অত্যাচারের কাহিনি শোনায়, নেশার আবুলি ছুটে যায়। কিন্তু সেই যখন আবার মৌতাত জমে উঠলে ভরাট গলায় নিজের বানানো কালী মায়ের ভজন গেয়ে ওঠে, ধর্মান্ধতার বীভৎস রোষানল থেকে পালিয়ে বীভৎসরূপিণী শ্যামার পায়ে সমর্পণের গান, ধর্মতলার বাতাস ভাবে ভারাতুর হয় গর্ভিনীর মতো। গোবর্ধনের চুলায় আগুনের তেজ বাড়ে, সুমিষ্ট দুধের গন্ধে চারদিক ম-ম করে।

    বুদ্ধপূর্ণিমার দিন এখানে গাজনের উৎসব। তার তিন দিন আগে থেকে ধর্মতলার পরিবেশ সম্পূর্ণ বদলে যায়। হুগলি দিয়ে ভেসে আসা দিনেমারডাঙার কাগজকলের বাঁশের সুবিশাল গাঁটে চড়ে আসে সন্ন্যাসীদের দল। তারা ঘামন্ডি গিরির সময় থেকে আসছে— তাদের কারোর চেহারা ঝুরি-নামানো বটের মতো, ঘন লোমের জটায় লজ্জাস্থান ঢাকা, কারোর গলায় বেতে বোনা বটুয়ায় কালসর্পের দেহধারী আত্মা, যা তারা প্রহরে প্রহরে বের করে জাম-নীল জিভে ছোবল নেয়। তাদের পিছু পিছু আসে ভেকধারী ফকির আউলে বাতুল বাণফোঁড়েরা, স্থানীয় পুণ্যাত্মার দল। তারা ছাড়িগঙ্গার ধারে গ্রামগুলোয় মাধুকরী করে আনে। কুমোরপাড়ার নতুন মাটির হাঁড়িতে ভরে নদীতে ভেসে আসা কাঠ জ্বেলে চৈতন্যধারার জলে ভাত ফোটায়। সরস্বতীতে স্নান করে দন্ডি কেটে এসে ধর্মঠাকুরকে দেহযন্ত্রণার অর্ঘ্য নিবেদন করে। সন্ধ্যার পর কাঁসার থালার মতো চাঁদ ওঠে, ব্যথার নাভিকুন্ড থেকে পাক খেয়ে ওঠে সঙ্গীত। ধর্মমঙ্গলের গাথা, ধর্মরাজের বর ভিক্ষায় লাউসেনের আত্মবলিদানের কাহিনি। গাঁজার কলকে হাতে হাতে ঘোরে। বটের ঝুরির অন্দরে কন্দরে ভিজে মাটির প্রদীপ মিটমিট করে জ্বলে। প্রাকৃত, অর্ধ-মাগধী, সৌরসেনী, পৈশাচী, ঢক্কি, ঢেক্করি ভাষা ও উপভাষায় বিধৌত এই ভূমিতে এক হারানো ধ্বনিবিশ্ব নেমে আসে।

    গাজনের দিন সকালে ধর্মতলার ধারে আচমকা ব্যাপক শোরগোল, ভেকধারীরা যে যেদিকে পারে ছুটে পালাচ্ছে। চটকা ভেঙে ছাইয়ের বিছানায় উঠে বসে নাঙ্গা সাধু।

    ‘ইতনা শোর কাহে? শের নিলা?’

    ‘শেরের বাবা! পোর্তোহাটার পাদরিবাবা!’ বটের ঝুরি বেয়ে উঁচু ডালে উঠে যেতে যেতে বলে একজন।

    বটের ছায়ায় এসে থেমেছে সোনালি ক্রুশ আঁকা যাজকের পালকি। এক হাতে বাইবেল অন্য হাতে লম্বা চামড়ার চাবুক নিয়ে তেড়ে আসছে পাদরিবাবা। ধর্মান্তরিত যাকেই হাতের সামনে পাচ্ছে শপাং শপাং করে চাবুক মারছে আর শাপশাপান্ত করছে।

    ‘পেকাদোরিস! ঠগবাজের জাত! প্রভুর পথ ছেড়ে এসব কী করছিস তোরা? সব কটা নরকের আগুনে পুড়বি! তোদের কোন্ দেবতা আটকাতে আসে আমি দেখব এবার!’

    জোব্বার ওপর ঠেলে ওঠা পিপের মতো পেট, চাঁদিতে টাকের চারপাশে হলদে চুলের ঝালর, ছোপ-ধরা পাংশু চামড়ার পাদরিবাবা। তার দুপাশে দুই ষন্ডামার্কা তেলেঙ্গি পালকি বেহারা। ওদের সঙ্গে নিয়েই হানা দিয়েছে সে ধর্মতলায়। এই শাসানির স্বর এখানে অনেকের চেনা, প্রতি রবিবার ম্যাওবেড়ালের গির্জার ভেতর গমগম করে— পাপপুণ্যের কথা, স্বর্গ আর নরকের কথা, ঈশ্বরের করুণার কথা।

    ‘প্রভুর বাগানে তোরা কাঁটাগাছেরও অধম, আপেল গাছে কলম করা বিষাক্ত হেমলকের ঝাড়! বিষফল! কাঁটা! কাঁটার ঝোপ! তাও প্রভুর মাথায় মুকুট হবারও যোগ্য নোস!’

    নসা সেনোরা দো সাস্তো রোসারিওর নামে নিবেদিত গির্জার লাগোয়া মঠের পাদরিবাবা গোয়া থেকে আসা অগস্টিনীয় যাজকদের শেষ প্রতিনিধি। রুয়ানো ডে ইনফান্টের আমলে বন্দর-হুগলির আশেপাশে যেটুকু যা ধর্মাচরণের আবহ টিকে ছিল, তার কিছুই আর অবশিষ্ট নেই। বণিক ফ্যাক্টরের দল সারাটা দিন আরক গিলে বুঁদ হয়ে থাকে, নয়তো ধর্মতলায় গোবর্ধনের ভাঙ-সিদ্ধির ঠেকে এসে পড়ে থাকে। তারা কাটুনিডাঙায় যায়, নেটিভ রক্ষিতা নিয়ে বিধর্মীর জীবন কাটায়; রবিবার গির্জার প্রার্থনায় আসে না; সিয়ামের মোরগ পুষে, জালালি কবুতর পুষে বাজি লড়ে। এদিকে ভেঙে-পড়তে-থাকা মঠ সারাবার জন্য চাঁদা চাইতে গেলে মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দেয়। গুচ্ছ গুচ্ছ অভিযোগ জানিয়ে আর অনুদান চেয়ে, তরুণ যাজক চেয়ে, ভেলা গোয়ায় লম্বা লম্বা চিঠি লেখে পাদরিবাবা, করমন্ডল ঘুরে সেই চিঠি যেতে আসতে তার বেতো হাড়ে দুব্বোঘাস গজিয়ে যায়।

    গোয়ায় লিসবনে অগস্টিনীয়রা আর এখানকার খ্রিস্টান মিশনের ব্যাপারে তেমন উৎসাহী নয়, বন্দর-হুগলি আর কেবলমাত্র পর্তুগীজদের শহর তো নয়। সেটা ক্রমশ টের পেতে যতোই হতোদ্যম হয়ে পড়ে পাদরিবাবা, ততই হতাশা জমে জমে তার পেট ক্রমশ পিপের মতো স্ফীত হয়, চোখের নীচে স্যুপের বাটির মতো মেদ জমে।

    এদিকে ফিরিঙ্গিডাঙার অন্যান্য খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠানগুলো দিব্যি চলছে। দিনেমারডাঙায় সম্প্রতি এক ইংরেজ ব্যাপটিস্ট এসেছে। সীসের টাইপ কেটে নেটিভদের ভাষায় বাইবেল ছাপছে তারা। ওদিকে কোয়ার্সভিলে ক্লুনির সন্ন্যাসিনীরা গরীবগুর্বোদের মধ্যে কাজ করে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে নেটিভ নারীদের মধ্যে, পাদরিবাবার ভাষায় যারা কি না— ‘নাভিকুণ্ডলী দেখিয়ে কোমরে শাড়ি জড়ায় আর পাথরের যৌনাঙ্গ পুজো করে।’

    তাদের মধ্যেও সাধ্যমতো ধর্মান্তকরণের চেষ্টা চালিয়ে যায় পাদরিবাবা। রুয়ানো ডে ইনফান্টের বাগানে বিভিন্ন জাতের কলমের আম গাছ রয়েছে। যেভাবে বুনো টোকো আম ভালো জাতের সঙ্গে কলম করে সুমিষ্ট স্বর্গীয় স্বাদ সৃষ্টি হয়, সেভাবেই বিধর্মীর হৃদয়ে প্রভু যিশুর বাণী মানবতার ফুল ফোটাবে একদিন— এই বিশ্বাস ক্রমশ ক্ষয়ে যেতে বসেছে পাদরিবাবার মনে। দীক্ষা দিয়ে পবিত্র বারি সিঞ্চনের পরেও যারা বিধর্মীর মতো আচরণ করে, যারা মূর্তিপুজো করে, পাথরে গাছে এমনকি আলুর ভেতরেও দেবতা খুঁজে বের করে, মল-মূত্র-রজ-বীর্য পান করে যারা, যারা খুলির খোরায় ধেনো পান করে, তাদের জন্য জ্বলছে দাউদাউ নরকাগ্নি–পাদরিবাবা বলে।

    ‘কান পেতে শুনতে পাচ্ছিস পাপিষ্ঠের দল?’

    কোনো-কোনোদিন রুয়ানো ডে ইনফান্টের আলমারি হাতড়ে নদীর বুক থেকে খুঁড়ে তোলা প্রাগৈতিহাসিক হাড়ের ফসিল রবিবারের প্রার্থনায় ভক্ত মেষশাবকদের দেখিয়ে বলে—

    ‘এই দ্যাখ, শয়তানের হাড়! শয়তান আছে! ওৎ পেতে আছে ধূর্ত নেকড়ের মতো, দপদপে কলজে খুবলে আত্মা ছিঁড়ে খাবে!’

    কখনো আবার একখণ্ড আখ হাতে নিয়ে দেখিয়ে বলে—

    ‘ঈশ্বর আছেন জলে স্থলে অন্তরীক্ষে! এমনকি এই সামান্য উদ্ভিদের মধ্যেও! কোনো মৌমাছির সাহায্য ছাড়াই— যে মৌমাছিও কিনা তাঁরই সৃষ্টি— এই সুমিষ্ট রস সৃষ্টি করেছেন! হাঁ কর, হাঁ কর!’

    দুহাতে আখ মুচড়ে ফোঁটা ফোঁটা রস ফেলে দেন হাঁটু মুড়ে বসা বিগলিতদের হাঁ মুখে।

    ইস্টারে থানকাপড় আর রুটির লোভে ওরা দলে দলে গির্জায় আসে। কিন্তু আবার গাজনের মোচ্ছবেও আসে। ধূর্ত, অকৃতজ্ঞ মিথ্যুক পেকাদোরেসের ঝাড়! পাদরিবাবা শাসায়

    ‘ধর্মশিক্ষা চুলোয় দিয়ে তোরা এখানে এসে পাথরের ঢেলা পূজিস? গাছের গায়ে ঢিল বাঁধিস? ভয়ঙ্কর পরিণতি অপেক্ষা করছে তোদের জন্য। ভয়ঙ্কর! নরকাগ্নির আঁচ মৃত্যুর পরেই নয়, এই জীবনেই পাবি। গোয়ার বিশপকে চিঠি লিখছি আমি, এখানেও চালু হবে ইনকুইজিশান! পাপী বিধর্মীগুলোকে পিছমোড়া করে বেঁধে রাস্তার মোড়ে মোড়ে স্ট্র্যাপাডোয় চড়ানো হবে। জ্যান্ত পোড়ানোও হবে, যেমনটা হয় গোয়ায়! আর প্রাণ হাতে নিয়ে পালিয়ে এসে হিদু মাগী বিয়ে করে কালীভক্ত সেজেছে ওই যে পাষন্ডটা, তার চার হাত পায়ে ঘোড়া বেঁধে চিরে ফেলা হবে। যেমনটা হয় লিসবনে।

    পাদরিবাবার মুখে ফেনা উঠে আসে, লাল দাড়ি বেয়ে গড়ায়। আচমকাই চাবুকের নাগালের মধ্যে এসে পড়ে তরুণ হেসুদাস।

    হেসুদাসের কষ্টিপাথরে কোঁদা বুকে ফুঁড়েছে ইস্পাতের ফলা, আঙটা, পরনে হলুদে ছোপানো সরু কৌপিন, কপালে সিঁদুরের টিপ, নিশ্বাসে ধেনোর গন্ধ।

    ‘হেসুদাস, তুইও?’ পাদরিবাবা চাবুক উঁচিয়ে ধরে। ‘রোববার গির্জায় এসেছিলি না তুই?’

    ‘ছিলুম তো! তাতে কী? মারবে? তো মারো না!’ জবাফুলের মতো লাল চোখে সোজাসুজি তাকিয়ে বলে হেসুদাস। ‘এই দ্যাক বুকে বাণ ফুঁড়েছি! ও চাবুক আর কী করবে?’,

    পাদরিবাবার জিভ পাথর হয়ে যায়, থরথর করে কাঁপতে থাকে। হেসুদাস কালো মিসি-ছোপানো দাঁত বের করে গলায় একগুচ্ছ রুদ্রাক্ষের মালার নীচ থেকে পেতলের ক্রুশচিহ্ন বের করে দেখায়।

    ‘তোমার ঠাকুর বুকে থাক পাদরিবাবা, পাটায় গাঁথা রক্তমাখা কাঁটার মুকুট! বুকে বাণ ফুড়ে হাসছি দ্যাক! না হয় রোববার করে তোমার গিজ্ঞেয় যাই, তাই বলে কি বাপদাদার ধম্মো ছেড়ে দেব? অ্যাঁ, কী বল?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }