Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    পরিমল ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প984 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – ৩.৮

    ৩.৮

    দাদার ঘোর অমতে সাতগাঁ ত্যাগ করে কলকাতায় গিয়ে পঞ্জিকার ব্যবসায় দ্রুত সাফল্য ও প্রতিপত্তি অর্জন করেন পাগলরাম চক্রবর্তী। সেই সময় বাংলার শিল্পবিপ্লবের জোয়ার এসেছে, হুগলি নদীর দুই পাড়ে পর পর পাটের কল তৈরি হচ্ছে, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ শহর কলকাতা হয়ে উঠেছে উদ্যমী পুরুষের ভাগ্য নির্মাণের ঠিকানা। কিন্তু বাদাবন কেটে গড়ে ওঠা ব্ল্যাক টাউনে এমনকি হোয়াইট টাউনেও – পরিবেশ চরম অস্বাস্থ্যকর। ভূমিতে খোলা নর্দমা, আকাশে হাড়গিলে, ঘরে ঘরে ডেঙ্গি ম্যালেরিয়া কলেরার প্রকোপ। রাধারাণীর যখন তিন বছর বয়স, পাগলরামের স্ত্রী হিরণ্ময়ী কালাজ্বরে মারা গেলেন। তাঁর নিজেরও স্বাস্থ্যহানি ঘটতে লাগল। অতিরিক্ত পরিশ্রমের সঙ্গে ক্ষুধামান্দ্য, পিত্তশূল ও অন্যান্য ব্যামো যুক্ত হয়ে দেহ জর্জরিত হলো। শহরের নামজাদা ডাক্তারেরা হাওয়াবদল করতে বললেন, বাংলার পশ্চিমে ছোটোনাগপুরের বিশুষ্ক জলহাওয়ায় ভিলা বানাতে বললেন, কলকাতার নব্যধনীরা যেমন করছিলেন। কিন্তু সেই সময়ে পাগলরামের ব্যবসা ফুলে ফেঁপে উঠছে, মাতৃহারা মেয়েটা ছোটো, কলকাতা থেকে অত দূরে গিয়ে বাড়ি বানিয়ে বাস করা অসম্ভব। তিনি হাওয়া বদল না করে ডাক্তার বদল করলেন, বিন্দুমাধব মল্লিক নামে এক সদ্য পাশ করা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলেন। বিন্দুমাধবের বাড়ি ত্রিবেণীর উত্তরে গঙ্গার পশ্চিমপাড়ে গুপ্তিপাড়ায়, অতএব বলা যায়— ‘দেশের লোক’। কিন্তু সেও যখন অস্বাস্থ্যের জন্য বাদাবনের বিষবাষ্পকেই দায়ী করল, পাগলরাম ধৈর্য হারালেন—

    ‘তু-তুমিও আমায় পশ্চিমে গিয়ে চেঞ্জারবাবু হতে বলছ? দ্যাখ বাপু, আমি বি-বিদ্যেসাগর নই, কলকাতা ছেড়ে কুলি মে-এ-ঝেনদের মধ্যে গিয়ে থাকা আমার পক্ষে অসম্ভব।’

    ‘চেঞ্জে যেতে বলছি, অত দূরে যেতে তো বলিনি,’ বিন্দুমাধব বলল। ‘আপনি বর্ষার শুরু থেকে ভিজে ক’টা মাস গঙ্গার পশ্চিমপাড়ে সাতগাঁয় গিয়ে থাকুন না?’

    ‘ঠিক বলেছ! এটা আগে কেন মাথায় আসেনি?’ পাগলরামের মুখে দপ করে যেন কিলবার্ন কোম্পানির বিজলি বাতি জ্বলে উঠল। ‘যদি হাওয়া বদলই করতে হয়, তাহলে ম-মরতে ওই জংলা মুলুকে যাব কেন? যে হাওয়ার টানে কনৌজের সাত রাজপুত্তুর বাঁ-বাঁধা পড়েছিল, দরপ গাজি থেকে শুরু করে ফিরিঙ্গি ব-বণিকেরা আর দেশে ফিরে যেতে পারেনি, সেখানেই ফিরব। তাছাড়া গঙ্গার পশ্চিম কুল বা-বারাণসী সমতুল, কথাটা তো আর এমনি এমনি লোকে বলে না!’

    পাগলরাম চক্রবর্তী উদ্যোগপতি, তাঁর যেথা মন সেথা গমন। পরের মাসেই তিনি আদিরামবাটিতে পারিবারিক জমিতে বিলিতি স্থপতির নকশা মোতাবেক একটি দোতলা কোঠাবাড়ি নির্মাণের কাজে হাত দিলেন। কলকাতা থেকে নৌকায় দামি শৌখিন আসবাবপত্র আনিয়ে ভিলা সাজালেন, ভিলার নাম রাখলেন এল- ডোরাডো। পারিবারিক জমিতে পাগলরামের সোয়া পাঁচ আনা অধিকার আছে, ফলে কারোর কিছু বলার ছিল না। কিন্তু আত্মীয় জ্ঞাতিরা ব্যাপারটা ভালো চোখে দেখেননি। ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু জনপদে বিসদৃশ স্থাপত্যের জৌলুস চোখে আঙুল দিয়ে বিত্তের কুৎসিত প্রদর্শন ভিন্ন আর কিছু কারোর মনে হয়নি। এল ডোরাডো এক কল্পিত সোনার দেশ, দক্ষিণ আমেরিকার জনজাতির পুরাণকথায় তার উল্লেখ রয়েছে, কিন্তু বাড়িটির নির্মাণ যেন মনে পড়ায় মিশরের ফ্যারাওদের কথা। যে বিচিত্র আবেগে মমতায় পাগলরাম সেটি সাজাতে লাগলেন, এবং জনে জনে গঙ্গার পশ্চিমকূলের সঙ্গে বারাণসীর উপমা আওড়াতে লাগলেন, তাতে কারোর কারোর মনে হলো তিনি এল-ডোরাডোয় গিয়ে বাস করতে নয়, মরতে চেয়েছিলেন।

    সে ইচ্ছা পূরণ হলো না। পাগলরাম চক্রবর্তী শেষপর্যন্ত সাতগাঁয় ফিরলেন রাধারাণীর হাতে তামার পাত্রে চিতাভষ্ম রূপে, যা সরস্বতীর জলে ভাসানো হলো। অকৃতদার গঙ্গারাম চক্রবর্তী তখনও জীবিত, ছোটো ভাইয়ের মৃত্যুর পর আর খুব বেশিদিন বাঁচেননি। তার আগে তিনি বড়দা রামানুজের দারিদ্র্যপীড়িত মেয়ে কাত্যায়নীর পুত্র কন্যা বিশু ও কমলাকে আদিরামবাটিতে নিয়ে এসে রাখেন। শাকম্ভরীকে তার আগেই শ্বশুরালয় থেকে উদ্ধার করে এনেছিলেন।

    পাগলরাম মৃত্যুর আগে মেয়ের বিবাহ দিয়ে যান তারিণীচরণ নামে এক আশ্রিত ব্রাহ্মণ তরুণের সঙ্গে। তাঁর সাধের এল ডোরাডোয় এসে কোনোদিন বাস করতে পারেননি, কিন্তু পুজোপার্বণে ছুটিছাটায় স্বামীপুত্র বন্ধুবান্ধব নিয়ে রাধারাণীর আসা যাওয়া চলতে থাকে। পরিবারের দুই শাখার মধ্যে সম্পর্ক বেশ কিছুটা সহজ হয়। গঙ্গারামের মৃত্যুর পর বনলতাকে নিজের কাছে নিয়ে গিয়ে লেখাপড়া করান রাধারাণী। কিন্তু বেথুন কলেজে পড়াকালীন বনলতা ব্রিটিশ শাসক বিরোধী গোপন আতঙ্কবাদী দলে জড়িয়ে পড়ল, এবং তার ভয়ঙ্কর করুণ পরিণতি ঘটল। যদিও তাতে রাধারাণীর কোনো ভূমিকা ছিল না, কিন্তু পরোক্ষ দায় এসে পড়ে তার ওপরেই। আদিরামবাটির লোকজন মুখ দেখাদেখি বন্ধ করে দেয়।

    এসবের পরেও নিয়ম করে দুর্গাপুজোয়, ক্রিসমাসের ছুটিছাটায় এল ডোরাডো রাধারাণীর সপরিবারে আসা অব্যাহত রইল। কলকাতা থেকে গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড দিয়ে ওদের মাখন-রঙা ফ্যানটম ৩ রোলস রয়েস গাড়িতে চেপে ওরা আসত, কখনো বন্ধুবান্ধব সমভিব্যাহারে। চাকর বাবুর্চি খানসামার দল ট্রেনে চেপে এসে পড়ত তার কদিন আগেই। এল-ডোরাডোর বাগান সাফ করা হতো, ভেনিসিয় খড়খড়ি আঁটা দরোজা জানলাগুলো খুলে বাড়িটাকে হাওয়া খাওয়ানো হতো, দরজার মাথায় অর্ধচন্দ্রাকার রঙীন কাচের শার্সিগুলো মোছা হতো, সন্ধ্যায় বৈঠকখানায় জ্বলে উঠত রাসেল কোম্পানির বিশাল স্ফটিকের ঝাড়। একবার, দেবীপক্ষ শুরু হবার ঠিক আগে, ছাত বরাবর টাঙানো হলো তামার তারের জাল। পড়শিরা ভাবল এও বুঝি এক কলকাত্তাইয়া বাবুয়ানি চাল। পিতৃপক্ষের শেষ দিন ভোরের আলো ফোটার আগেই এল-ডোরাডোর বৈঠকখানা থেকে ভেসে এল শঙ্খধ্বনি, আর তারপরেই এক পুরুষের জলদগম্ভীর কণ্ঠ— ‘আশ্বিনের শারদপ্রাতে বেজে উঠেছে আলোকমঞ্জীর…’

    যুদ্ধের সময়ে জাপানি বোমার ভয়ে যখন লোকে কলকাতা ছেড়ে পালাচ্ছে, ওরা তিন মাস এসে ছিল। তখন এল ডোরাডোকে দেখে মনে হতো যেন কোয়ারান্টিনে থাকা একটি জাহাজ। সেই সময় রাধারাণীর বর তারিণীর জন্য নিয়মিত সকালের ট্রেনে চৌরঙ্গী থেকে পেলিটি’জ-এর পাউরুটি আসত। কানাঘুষোয় শোনা যেত, পাউরুটির বাক্সে নাকি নিষিদ্ধ মাংস ও মদের বোতলও আসত। সায়েবসুবো বন্ধু নিয়ে সাহেবদের মতোই খাকি হাফপ্যান্ট পরে আর সোলা হ্যাট মাথায় দিয়ে বন্দুক নিয়ে ছাড়িগঙ্গার ঝিলে শীতের পাখি শিকারে যেত তারিণী।

    .

    চক-হরিশচন্দ্রপুরের একদা বর্ধিষ্ণু পরিবারের সন্তান তারিণীচরণ লাহিড়ী যখন ভাগ্যের সন্ধানে কলকাতায় আসে, তখন সে সদ্য তরুণ। ট্যাকে একটা ফুটো পয়সাও ছিল না। মি’লেডি, তার অনেক কাল আগে ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় নামে এক গরীব ব্রাহ্মণসন্তান গ্রাম ছেড়ে কলকাতায় আসেন। কথিত আছে তিনি কর্পোরেশনের কলের জলে ক্ষুধার নিবৃত্তি করে ফুটপাতে গ্যাসবাতির আলোয় পড়াশোনা করে বিদ্যাসাগর হয়ে ওঠেন, প্রভূত প্রতিপত্তি ও অর্থ উপার্জন করেন। সেই কাহিনি লোকমুখে চাউর হবার পর থেকেই তারিণীর মতো অসংখ্য উচ্চাকাঙ্ক্ষী তরুণকে আকর্ষণ করেছে এই কলকাতা শহর। পাগলরাম নিজেও পরিবারের বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে, দাদার অমতে কলকাতায় এসে ব্যবসায় আশাতীত সাফল্য পেয়েছেন। এই মহানগরের প্রতি কৃতজ্ঞতার প্রতিদান হিসেবে তিনি বাগবাজারের বাড়ির একতলায় ছাপাখানার লাগোয়া ঘরে দুস্থ মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করেন, কলেজের ফি ইত্যাদির জন্য মাসিক বৃত্তিও যোগাতে থাকেন।

    বুদ্ধিমান, সুদর্শন তারিণীচরণ কলকাতায় এসেছিল চোখে স্বপ্ন আর ঘাড়ের পিছনে মৃত্যুর নিশ্বাস নিয়ে। রেলপথ আসার পর ম্যালেরিয়ার প্রকোপে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের মতো চক-হরিশ্চন্দ্রপুরও তখন উজাড় হয়ে যাচ্ছে। সিটি কলেজে বিজ্ঞান শাখায় ভর্তি হয় সে, আরও তিনটি পড়ুয়ার সঙ্গে ছাপাখানার ঘরে থাকতে শুরু করে। ওর বুদ্ধিদীপ্ত চেহারা আর অমায়িক ব্যবহারের জন্য সহজেই পাগলরামের নজরে আসে। কলেজে পাস দেবার পর তারিণীকে প্রকাশনার সরবরাহ বিভাগের দায়িত্ব দেন তিনি। এবং কিছুকালের মধ্যেই ওকে সংস্থার ম্যানেজার করে দেন।

    মূলত তারিণীর উদ্যোগে আদিরাম প্রেসের প্রকাশনায় বৈচিত্র্য আসে। পূর্ণ দৈর্ঘ্যের ছাড়াও সংক্ষিপ্ত পকেট পঞ্জিকা এবং চিকিৎসাশাস্ত্রের বিভিন্ন বইপত্র ছাপা হতে থাকে, বাজারে ক্রমশ তার চাহিদা তৈরি হয়। তার সঙ্গে তাল রেখে উৎপাদন বাড়ানোর জন্য ইংল্যান্ড থেকে নতুন ছাপার যন্ত্র এনে বসানো হয়। এরপর অত্যাধুনিক মুদ্রণ প্রযুক্তি শিখে আসার জন্য তারিণীকে লন্ডনে স্কুল অফ ফোটো এনগ্রেভিং অ্যান্ড লিথোগ্রাফিতে পড়াতে পাঠালেন পাগলরাম। তার আগে রাধারাণীর সঙ্গে তার বিবাহ দিলেন।

    বিবাহ খুব ধুমধাম করেই হয়েছিল। কলকাতার সাহেবসুবো থেকে শুরু করে স্বদেশী বিশিষ্ট ব্যক্তিরা নিমন্ত্রিত ছিলেন। মার্টিন্‌স রেলওয়ে কোম্পানির একটি আন্ত ট্রেন ভাড়া করে, তাকে ফুলে সাজিয়ে সাতগাঁর আত্মীয় জ্ঞাতিবর্গকে আনা হয়েছিল।

    রাধারাণীর ছেলে সুনির্মলের বয়স যখন পাঁচ মাস, পাগলরাম মারা যান। মৃত্যুর আগে তিনি তাঁর সব স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি মেয়ে এবং তার নাবালক পুত্রকে দিয়ে যান। রাধারাণী স্বামী তারিণীচরণের সঙ্গে যৌথভাবে আদিরাম প্রেসের কাজকর্ম চালাতে শুরু করে। ইতিমধ্যেই বাবার কাছ থেকে ছাপা সংক্রান্ত খুঁটিনাটি শিখেছিল রাধারাণী, তারিণী সরবরাহ ও বিক্রির দিকটা দেখতে থাকে।

    এই সময়েই রাধারাণী জানতে পারল ইংল্যান্ডে গিয়ে তারিণী ফোটো এনগ্রেভিং অ্যান্ড লিথোগ্রাফি স্কুলের পাঠ মাঝপথে ছেড়ে দেয়, শ্বশুরের নিয়মিত পাঠানো টাকা ওড়ায়। যে মেধাবী উদ্যমী যুবককে খিদিরপুরে জাহাজঘাটায় হাত নেড়ে বিদায় জানিয়েছিল সদ্যপরিণীতা রাধারাণী, সে ফিরে এসেছে দুশ্চরিত্র ফুলবাবু হয়ে। আরও জানতে পারল, চক-হরিশচন্দ্রপুরে তারিণীচরণের গুষ্টির সব পুরুষ ম্যালেরিয়ায় মারা যায়নি। কেউ কেউ মারা যায় সিফিলিসে এবং সিরোসিসে, এবং এই কলকাতার বুকেই।

    লন্ডন থেকে কলকাতায় ফিরেও তারিণীর ভোগলালসা চরিতার্থ করার জন্য উপায়ের অভাব ছিল না। এদিকে ব্যবসার দিকটাও ক্রমশ জটিল হয়ে উঠেছিল। আদিরাম প্রেসের পাঁজির একচেটিয়া বাজারে থাবা বসিয়েছিল অন্যান্য প্রকাশকের ছাপা নানান গোত্রের পাঁজি ফুল পঞ্জিকা, হাফ পঞ্জিকা, সচিত্র পঞ্জিকা, গার্হস্থ্য পঞ্জিকা, পকেট পঞ্জিকা ইত্যাদি। সেগুলি সদ্য নগরনির্ভর হিন্দু বাঙালির বদলে- যেতে-থাকা দৈনন্দিন জীবনছন্দের চাহিদা অনুযায়ী কোনোটি ক্যালেন্ডার অনুসারী বিধিনির্দেশের তালিকার আকারে, কোনোটি অর্ধশিক্ষিতের জন্য সচিত্র, কোনোটি আবার কলকাতার মেসবাড়িতে থাকতে-আসা কেরানিকুলের জন্য পকেট সংস্করণ হিসেবে ছাপা হতো। এবং হগমার্কেটের বেকারির গরম কেকের মতোই বিক্রি হতো।

    একদিকে বিপথগামী স্বামী, অন্যদিকে ব্যবসার এই সঙ্কটকাল বাবার মৃত্যুর পর রাধারাণী সদুপদেশের জন্য ডাক্তার বিন্দুমাধবের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ল। তিনি তো শুধু পারিবারিক চিকিৎসকই নন, অভিভাবকের মতো, এবং সর্বোপরি— ‘দেশের লোক’। বিন্দুমাধব করিৎকর্মা পুরুষ, আধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতি ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর আগ্রহ, দেশবিদেশে ঘুরে বেড়িয়েছেন। একদিন তিনি বাড়িতে এনে হাজির করলেন এক বিচিত্র যন্ত্র, ব্রোঞ্জ ও তামার তৈরি মিনারের আকারে পর পর সাজানো পাত্র, নীচে উনুনের মতো খোপ।

    ‘এই কল আবার কোন দেশ থেকে আমদানি করলেন ডাক্তারবাবু?’ রাধারাণী জিজ্ঞেস করে।’

    ‘আমদানি করিনি, নিজেই বানিয়েছি,’ বিন্দুমাধব বললেন। ‘এ হল একটি রান্নার সরঞ্জাম। ওপরের পাত্রগুলোয় চাল ডাল তরিতরকারি উপযুক্ত পরিমাণে জল তেল মশলা দিয়ে নীচে কাঠকয়লায় আগুন দিলেই ঢিমে আঁচে আপনা থেকেই রান্না হয়ে যাবে।’

    ‘এমন অদ্ভুত যন্ত্রে কে করবে রান্না? খুস্তি না নেড়ে রান্না করলে কি আর আমাদের পোষায়?’ রাধারাণী হাসে।

    ‘তোমরা কেন করবে? গ্রামে মফস্সলে পরিবার রেখে কলকাতায় বাসাবাড়িতে থেকে আপিস করতে আসে কেরানির দল। তারা করবে। এই যন্ত্রে কোনোরকম নজরদারি ছাড়াই ঢিমে আঁচে নিজে-নিজেই ঠিক সময়ে তৈরি হয়ে যাবে গরম গরম ঘরে-তৈরি আপিসের ভাত। পাইস হোটেলে খেয়ে স্বাস্থ্যহানি হবে না, পয়সা নষ্ট হবে না, জাত খোয়াতে হবে না।’

    ‘ভারি অদ্ভুত কল যা হোক,’ রাধারাণী বলে। ‘পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের পাকশালে চুলার ওপর পরপর সাজানো এমন পাত্র দেখেছি বটে।’

    ‘বিজ্ঞানটা একই। তবে চীনে বেড়াতে গিয়ে দেখেছি সেখানে প্রবল মন্দার মধ্যে লোকে জ্বালানি বাঁচাতে কতরকম রান্নার পদ্ধতি উদ্ভাবন করছে। এই কুকারের আইডিয়াটা তখনই মাথায় আসে।’ বিন্দুমাধব বলেন—‘এখন চট করে এই যন্ত্রটার একটা বিজ্ঞাপন করে দাও তো দেখি? আমি তোমাদের পঞ্জিকায় ছাপাতে চাই।’

    ডাক্তারের নির্দেশমাফিক রাধারাণী যন্ত্রের একটি রেখাচিত্র ও সংক্ষিপ্ত ব্যবহারবিধি সহ বিজ্ঞাপনের কপি তৈরি করল।

    ‘কিন্তু এই যন্ত্রটির একটা যুৎসই নাম দিতে হবে যে ডাক্তারবাবু?’ রাধারাণী বলল। ‘শিগগিরই একটা নাম ভেবে ফেলুন!’

    ‘এটা বানানোর সময় দুটি জিনিস আমার মাথায় ছিল, স্বাস্থ্য আর সাশ্রয়,— ‘ বিন্দুমাধব বললেন। ‘এর নাম দেওয়াই যায় হাইজিনিক অ্যান্ড ইকোনমিক কুকার।’

    ‘ওসব ইক-মিক লিখলে সাধারণ লোকে কিন্তু কিনবে না, ভাববে খটোমটো জিনিস।’

    হা হা করে হেসে উঠলেন বিন্দুমাধব। ‘ভালো বলেছ–ইক-মিক…’  কিছুক্ষণ চিন্তা করে বললেন— ‘আচ্ছা, ইকমিক কুকার নাম দিলে কেমন হয়?’

    পঞ্জিকার পেছনের মলাট জুড়ে বিজ্ঞাপন হলো, সঙ্গে হাফটোন ছবি। বিন্দুমাধব রাধারাণীকে শুধু বিজ্ঞাপনের মূল্যই নয়, বিক্রিরও একটি লভ্যাংশ দিতে চাইলেন। পাঁজির পাতাতেই একটি লটারির কুপন জুড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা হল, বিজয়ীরা একটি করে কুকার পাবেন। অভূতপূর্ব সাড়া মিলল। শহরের সদাগরি আপিসে চাকরি করতে আসা কেরানিকুলই শুধু নয়, শীঘ্রই কলেজ পড়ুয়াদের জীবনেও অপরিহার্য হয়ে উঠল এই ইকমিক কুকার। বছর খানেকের মধ্যেই আদিরাম প্রেসের ভাগ্যের চাকা ঘুরল, পঞ্জিকার পাতায় বিজ্ঞাপন দিতে নানান ধরনের কারবারীর ঢল নামল।

    মি’লেডি, বাংলার ঘরে ঘরে থাকে যে অত্যাবশ্যকীয় বইটি, যা দেখে লক্ষ লক্ষ সাবর্ণ হিন্দু বাঙালি তাদের দিন শুরু করে, তার বিপুল প্রচার ক্ষমতা এর আগে সেভাবে কেউ টের পায়নি। রেলপথ, বিশেষ করে গ্রামেগঞ্জে ন্যারোগেজ ফিডার রেলপথের বিস্তার এবং সরকারি ডাক পরিষেবা প্রসারের সুবাদে অসংখ্য খাঁটি ভুয়ো ডাকযোগে সামগ্রী প্রেরণের কোম্পানি গজিয়ে উঠল। তারা দৈত্যাকার মুলার বীজ থেকে শুরু করে জলকে নিমেষে বরফে রূপান্তরের পাউডার, দেহকে অদৃশ্য করে দেবার আংটি থেকে সেবনে অমরত্ব লাভের ঘি (একশৃঙ্গ অশ্বিনীর দুধে প্রস্তুত), এবং মড়া-ফেরানোর প্রদীপের বিজ্ঞাপন দিতে লাগল।

    বাজারে সরবরাহ ও বিজ্ঞাপনের দিকটা দেখত তারিণী, সে সাধু অসাধু ব্যবসায়ীর মধ্যে কোনোরকম বাছবিচার না করে টাকার বিনিময়ে যেকোনো ধরনের বিজ্ঞাপন ছাপিয়ে দিত পাঁজির পাতায়। প্রথম প্রথম ক্রমবর্ধমান লাভের অঙ্কের দিকে তাকিয়ে রাধারাণী এ ব্যাপারে নাক গলায়নি। ওরই উদ্যোগে আমেরিকা থেকে একটি নতুন লাইনোটাইপ মেশিন আনানো হলো, একমাত্র পুত্র সুনির্মলকে লন্ডনে ফোটো এনগ্রেভিং অ্যান্ড লিথোগ্রাফি স্কুলে ওর বাবা যে বিদ্যা সম্পূর্ণ করে আসেনি সেটাই পড়তে পাঠানো হলো।

    এক শীতের সন্ধ্যায় বাগবাজারের বাড়িতে এলেন বিন্দুমাধব, চোখেমুখে চিন্তার ছাপ।

    ‘আজ আবার কোন নতুন যন্ত্র আবিষ্কারের খবর নিয়ে এলেন ডাক্তারবাবু?’ রাধারাণী হেসে জিজ্ঞেস করল।

    ‘নতুন যন্ত্র নয়, একজন আহত যুবক!’ বিন্দুমাধব বললেন।

    ‘তার মানে?’

    ‘ছেলেটির নাম সহর্ষ দত্ত। ইংরেজ মারবে বলে বোমা বাঁধছিল, সেই বোমা ফেটে ডান হাতটা কনুইয়ের নীচে থেকে উড়ে গিয়েছে। আমি বাড়িতে এনে লুকিয়ে রেখে চিকিৎসা করছি বটে, কিন্তু পুলিশের চর সেটা জেনে গিয়েছে। যে কোনো সময়ে বাড়ি তল্লাসী হতে পারে। তুমি ওকে দিনকয়েক এখানে রাখতে পারো, মা? এ বাড়িতে আশ্রিত ছেলেরা থাকে, কারোর কোনো সন্দেহ হবে না।’

    ‘বলেন কী’ রাধারাণী চোখ কপালে তোলে। ‘ছেলেটি কোথায়?’

    ‘তাকে নীচে আমার কোচের মধ্যে বসিয়ে রেখে এসেছি। যদি তুমি রাজি হও!’

    ডাক্তার বিন্দুমাধবের প্রতি রাধারাণীর কৃতজ্ঞতার ঋণই শুধু নয়, বাবার স্মৃতির প্রতি দায়বদ্ধতাও আছে। সে তৎক্ষণাৎ বলে ওঠে

    ‘করেছেন কী? ওকে এক্ষুনি ভেতরে নিয়ে আসুন। আমি লোক পাঠিয়ে দোতলায় এনে রাখার ব্যবস্থা করছি।’ রাধারাণী বলে।

    এই কথোপকথনের সময় তারিণী সেখানে উপস্থিত। সে প্রতিবাদ করে ওঠে। বলছ কী? এর পরিণতি কী হবে ভাবতে পারছ?’

    রাধারাণী স্বামীর দিকে কটমট করে তাকায়। ‘তুমি যখন কপর্দকহীন অবস্থায় এই শহরে এসেছিলে তখন এই বাড়িতেই আশ্রয় পেয়েছিলে, সেটা ভুলে যেও না!’

    দুটো হাতে কাঁধ পর্যন্ত জড়ানো ব্যান্ডেজ, মুখে গলায় স্প্লিন্টারের ক্ষত নিয়ে সহর্ষ এল। পাতলা গড়ন, গালে সদ্য দাড়িগোঁফ উঠেছে, প্রায় বালকের মতো হাবভাব। বিন্দুমাধব রোজ এসে ড্রেসিং করাতে লাগলেন। রাধারাণী ছেলেটিকে দোতলায় রেখে পূর্ণ উদ্যমে শুশ্রূষা করে কিছুদিনের মধ্যেই অনেকটা সুস্থ করে তুলল।

    সেই সময় বনলতা বাগবাজারের বাড়িতে রয়েছে, বেথুন স্কুলে পড়া শেষ করে সদ্য কলেজে পড়তে ঢুকেছে। আত্মগোপনকারী আহত বিপ্লবীর সান্নিধ্য তার মনে যে কী গভীর অভিঘাত সৃষ্টি করল সেটা তখন কেউই বুঝতে পারেনি। দিনের পর দিন সহর্ষের মুখে শোনা দেশপ্রেম আর আত্মত্যাগের সংকল্প তাকে ঠেলে দিল দাউদাউ আগুনজ্বলা পথে।

    তবে বনলতার মনের জমি প্রস্তুত হয়েছিল তার ঢের আগে, রাধারাণীর সঙ্গে কলকাতায় আসারও আগে, সাতগাঁয়ে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }