Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    পরিমল ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প984 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – ১১.৩

    ১১.৩

    দেশটা ইংলন্ডেশ্বরীর পদানত হওয়ার পরেও কোয়ার্সভিলের স্বাধীন ছিটমহল টিকে আছে বটে কিন্তু তার সুদিন গত। বাইরে থেকে দেখে অবশ্য কিছু বোঝার উপায় নেই। যেন এক অন্তহীন মোচ্ছব চলেছে শহরে। ফ্যাক্টরেরা নিত্যনতুন আমোদপ্রমোদে মত্ত, জাঁকজমক করে ফিয়েস্তা হচ্ছে স্ট্র্যান্ডে, আলো আর হাউই বাজির রোশনাই, কাটুনিডাঙায় জলের ওপর বাঁশ-দরমার বসতিতে খটাখট তাঁত চলছে দিবারাত্র, কলকাতা থেকে বজরা বোঝাই ইংরেজ সাহেব-মেমদের আসার বিরাম নেই। কোয়ার্সভিল যেন ওদের বাথ নগরী।

    এক ফিয়েস্তার রাতে দুফের ডাগেরোটাইপ স্টুডিওয় খড়ের চালে আগুন লাগল, সেলুলয়েডের রোল আর দাহ্য রাসায়নিক জ্বলে উঠল মুহূর্তের মধ্যে। সারা রাত ধরে আগুন নিভিয়ে ভোরবেলা দমকলকর্মীরা খুঁজে পেল অগস্টিন দুফের ভষ্মীভূত দেহ। রোজ গভীর রাত পর্যন্ত স্টুডিওয় একা কাজ করত সাহেব, কখনো-কখনো রাতে ওখানেই থেকে যেত। ধূমপান করতে গিয়ে অসতর্কতায়, নাকি, খড়ের চালে ফিয়েস্তার জ্বলন্ত হাউই উড়ে এসে দুর্ঘটনা ঘটেছে বোঝা গেল না। ইদানীং অস্বাভাবিক মোটা হয়ে দুফে প্রায় চলচ্ছক্তি হারিয়েছিল, দুই সেদান বাহকের সাহায্য ছাড়া চলাফেরা করতে পারত না। বেহারা দুজনকে মদ্যপ অবস্থায় পাওয়া গেল চাঁদেরডাঙায়, তাদের থানায় ধরে আনা হলো। বাতাসে ভাসতে লাগল নানাবিধ গুজব।

    সম্প্রতি ডাগেরোটাইপ প্রযুক্তি ইংরেজ শাসিত অঞ্চলে বাণিজ্যিক ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা উঠেছে, স্যামুয়েল বোর্ণ ও চার্লস শেফার্ড নামে দুই ইংরেজ কলকাতায় স্টুডিও খুলেছে। তারা অত্যাধুনিক কলোডিয়ান প্রযুক্তি ব্যবহার করে কয়েক সেকেন্ডের এক্সপোজারে ছবি তোলে। সেই ছবির মানুষদের অনেক জীবন্ত দেখায়, পাথরের মূর্তির মতো নয়। দুফের ছবি তোলার ব্যবসায় মন্দা দেখা দিয়েছিল। মথুর রায়কে এজেন্ট করে ফিরিঙ্গিডাঙা আর আশেপাশের অঞ্চলের সৌধের ধ্বংসাবশেষের ফোটোগ্রাফিক প্রিন্ট কলকাতার বাজারে বিক্রি করেছে সে। কিন্তু তার ক্রেতা সীমিত, কলকাতার গুটিকয় রুচিসম্পন্ন শ্বেতাঙ্গদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। দুফে প্যারিসে কয়েকজন শিল্পসংগ্রাহককে চিঠি লিখে অর্ডার ধরার চেষ্টা করেছে। মমার্তের প্রিন্টমেকার জাঁ মেত্যিয়ে (পরবর্তীকালে যিনি জাপানী শুঙ্গা ঘরানার যৌনউত্তেজক কাঠখোদাই ছবির সংগ্রাহক হিসেবে বিখ্যাত হবেন) দুফেকে চিঠি লিখলেন–

    আলো বন্দি করার এই অত্যাশ্চর্য প্রযুক্তি আসার পর রোম্যান্টিক প্রাচীন ঐতিহাসিক সৌধ, নিসর্গদৃশ্য ও ধ্বংসাবশেষের থেকেও, এমনকি মৃত্যুর অব্যবহিত আগে মুমূর্ষুর মাথার ওপর ক্যামেরা তাক করে অপস্রিয়মাণ আত্মার ছবি তোলার থেকেও দৃশ্য শিল্পের বাজারে ঢের বেশি চাহিদা হলো প্রাচ্যদেশীয় তরুণীর নগ্ন দেহের ছবির। আফ্রিকায় আমাদের নতুন কলোনি থেকে নগ্ন কৃষ্ণাঙ্গ রমণীদের ফোটোগ্রাফের তুষারপাত হচ্ছে এখন মমার্তের মাথায়। ক্রীতদাসী পোষা আইনি হয়েছে। নিরাপদ কাউচের আরামে, রোগভোগের ভয় ছাড়া নারীদেহ করতলগত করার এর চেয়ে ভালো রাস্তা আর কী আছে?

    কিন্তু নেটিভদের ছবি তোলা বড়ো চ্যালেঞ্জ; এই তিনপেয়ে এক চক্ষু জন্তুটিকে তারা যমের চেয়েও বেশি ভয় করে। ক্যামেরা যে মানুষের প্রাণবায়ু শুষে নিয়ে তাকে ভূত বানিয়ে ছাড়ে, তার স্পষ্ট প্রমাণ তারা খুঁজে পায় গির্জা স্ট্র্যান্ড ঘড়িঘরের পিকচার পোস্টকার্ডে দীর্ঘ এক্সপোজারে তোলা ছবিতে চলমান মানুষগুলো অপস্রিয়মাণ প্রেতের ছায়ার মতো ফুটে থাকে। ক্যামেরা ঘাড়ে নিয়ে দুফে আর তার সহকারী গুঁফো গোঁসাইকে আসতে দেখলে লোকজন ভূত দেখার মতো এলাকা শুনশান করে দিয়ে লুকিয়ে পড়ে।

    মেত্যিয়ে সাহেবের উপদেশ শিরোধার্য করে প্রথম দিকে কার্টুনিডাঙায় ক্যামেরা বসিয়ে পতিতাদের যৌন দেহভঙ্গির জীবন্ত ছবি তুলতে শুরু করল দুফে। কিন্তু অর্থব্যায় ছাড়াও আলো সেখানে অপ্রতুল, তেপায়ার নীচে বাঁশের চালির ভূমি নড়বড়ে, ব্যস্ত প্রহরে নৌকার মতো দোলে। এই সময় চিনিকলের যুবতী কামিন মেয়েদের স্টুডিওয় এনে চাবুকের ভয় আর প্রলোভন দেখিয়ে নগ্ন করে ছবি তোলার ভাবনাটা মাথায় আসে। ফোটোগ্রাফে তাদের চোখে মুখে যত আতঙ্কের ছাপ ফুটে ওঠে, প্যারিসের বাজারে ততই মহার্ঘ্য হয় সেই ছবি। নগ্ন দেহ দড়ি দিয়ে বেঁধে ছবি তুললে রীতিমতো নীলামে ওঠে।

    এবার অগস্টিন দুফের ভাগ্য ফিরল। কিছুকালের মধ্যেই খবরটা কানফেরতা হয়ে ছড়িয়ে পড়ল ক্লাবে, ট্যাভার্নে, স্ট্র্যান্ডে বায়ুসেবনের প্রহরে। কানাঘুষোয় শোনা যেতে লাগল, অগস্টিন দুফের স্টুডিওয় রাতের নির্জন প্রহরে ঢাকা পালকিতে ভিন্ন গোত্রের মডেলের আগমন ঘটে। তারা শ্বেতাঙ্গিনী, সম্ভ্রান্ত মার্চেন্ট, ফ্যাক্টর ও কোম্পানি অফিসারদের স্ত্রী। একঘেয়ে নির্বাসনের জীবনে হাঁফিয়ে উঠে বিচি উত্তেজনার লোভে সর্বাঙ্গে কালো রং মেখে পরচুলা পরে নেটিভ রমণী সেজে ছবি তোলাতে আসে। এমনই একজনের নগ্ন ছবি প্যারিস ঘুরে কোয়ার্সভিলে এসে তার স্বামীর হাতে গিয়ে পড়ল। গ্রীষ্মের নিশ্চল দুপুরে অফিস চেম্বারে একা গোপন দেরাজে সদ্য ডাকে-আসা এক গোছা ফোটোগ্রাফের মধ্যে সাহেব চিনতে পারল তার সহধর্মিণীকে, যার ছায়া সে খুঁজে এসেছে শত শত নগ্ন অর্ধনগ্ন দেহভঙ্গিতে, নাবিক সৈনিক রেসের জকি অভিনেতা ও মুখোশধারী লম্পটের বক্ষলগ্না।

    অগস্টিন দুফের মৃত্যু দুর্ঘটনা হিসেবেই কেস ফাইল হলো, কেরেস্তান গোরস্তানে তাকে কবর দেওয়া হলো। স্বদেশভূমি থেকে দূরে তার কবরে প্রথম মাটি দেবে ভাগ্নে শার্ল, দুফের সেই ইচ্ছা পূরণ হলো না। হবার উপায়ও ছিল না। তার বছর কয়েক আগেই প্রচুর দেনা ও আশ্চর্য সাহিত্যকর্ম রেখে প্যারিসে মারা গিয়েছে শার্ল লেবো। কিন্তু অগস্টিন দুফের রহস্যময় ডাগেরোটাইপ স্টুডিও ও ততোধিক রহস্যময় মৃত্যু নিয়ে জল্পনা ফল্গু ধারার মতোই বইতে লাগল ফিরিঙ্গি সমাজের তলে তলে। এবং হুগলি দিয়ে বয়ে পৌঁছে গেল স্বদেশে।

    জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক মারী পোপ্যু এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নুয়া নামে একটি উপন্যাস লিখবেন। সেখানে তাঁর সৃষ্ট বিখ্যাত গোয়েন্দা হারকিউল বেলক কোয়ার্সভিলে আসবেন মঁসিয়ে দুফের মৃত্যু রহস্যের কিনারা করতে। মারী পোপ্য নিজে কখনো ভারতে আসেননি। তাঁর উপন্যাসে জ্যোৎস্না রাতে বালির চড়ায় কুমিরেরা গান গায়, ফিরিঙ্গি মার্চেন্টরা চিত্রল হরিণে টানা গাড়িতে চেপে কোয়ার্সভিলের ধারে বনে গন্ডার শিকারে যায়।

    *

    রাজমোহন চাটুজ্যের সংস্পর্শে আসার পরই যে পাগলরামের মাথায় সাতগাঁ থেকে বাস উঠিয়ে কলকাতায় চলে যাবার ভাবনাটা আসে, এ ব্যাপারে কারোর মনে বিন্দুমাত্র সন্দেহ ছিল না। কোম্পানির শাসন শেষ হয়ে বিস্তীর্ণ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের রাজধানী হবার পর থেকেই কলকাতা এক আশ্চর্য শহর, সব ধরনের সুযোগসন্ধানীর ঠিকানা। চওড়া বাঁধানো পথঘাট, গ্যাসবাতি, দুধারে প্রাসাদোপম অট্টালিকা, ঘোড়ায় টানা ট্রাম গাড়ি গড়গড়িয়ে চলছে, বাতাসে উড়ছে স্বপ্ন আর টাকা, রেসের মাঠে ঘোড়া ছুটছে, উদ্যমী বাঙালিরা দল বেঁধে চলে আসছে কলকাতায়। ইতিমধ্যে রেলপথ বসেছে, হাওড়া থেকে উত্তরে হুগলি নদীর পাড় বরাবর সমান্তরাল গিয়ে সাতগাঁর মৎস্যভূমির লেজ ছুঁয়ে বেঁকে গিয়েছে দামোদর অববাহিকার দিকে। একদা হুগলির বন্দর পোর্তো পেক্যেনো থেকে বারো মাইল দূরে নতুন স্টেশনের নাম হয়েছে বন্দর-হুগলি। ট্রেনে চেপে ঘন্টা দুয়েকে কলকাতায় পৌঁছে যাওয়া যায়। সেভাবেই পাগলরাম ছাপাখানার সরঞ্জাম কিনতে কলকাতায় গেল, আদিরামবাটিতে সেই প্রথম কেউ কলের রেলগাড়িতে চাপল।

    সে খবর কানে যেতে ঘোর অসন্তোষ প্রকাশ করলেন বড়ো ভাই রামানুজ। সম্প্রতি বাতের প্রকোপে তিনি অথর্ব, টোলের বাড়িতে অধ্যাপনা ছাড়া আর কিছুই প্রায় পারেন না। পুজোআর্চা দেবসেবার কাজ করে তাঁর পুত্র রামশশাঙ্ক। বৃহৎ পরিবারের কর্তৃত্বভার গিয়ে পড়েছে গঙ্গারামের হাতে, এবং তার কবিরাজি থেকে আয়ের অর্থেই সংসারের নিত্যকার ব্যয়ভার নির্বাহ হয়। এছাড়া শিষ্যবাড়ি থেকে সোম্বচ্ছরের দানাশস্য ঘি গুড় ইত্যাদি গুরুগৃহে আসে।

    ‘কলের রেলগাড়ি চাপলে যতটা সময় বাঁচে ঠিক ততটা সময় আয়ুষ্কাল থেকে বাদ হয়ে যায়, এ কথা কি পাগলরাম জানে না?’ রামানুজ গঙ্গারামকে ডেকে বললেন। ‘তাছাড়া শুনেছি নাকি কয়লার আগুন আর জল দিয়ে গাড়ি চালায় দোআঁশলা ফিরিঙ্গিরা। সেই গাড়িতে চাপলে বেজাতের এঁটো স্পর্শের মতোই দেহ অশুচি। মোছলমানের হাতে রান্না খেয়ে পতিত পীর-আলি হয়েছে জোড়াসাঁকোর ঠাকুরেরা, আর এ তো কেরেস্তানের এঁটো।’

    গঙ্গারাম চুপ করে থাকে, কিছু বলে না। রামানুজ দীর্ঘশ্বাস ফেলে মাথা নাড়েন।

    ‘কিন্তু এসব কথা তোমায় বলা অরণ্যে রোদন বই তো কী? ছেলেবেলায় কেরেস্তান পুরুতের বাড়ি ওকে নিয়ে গিয়েছ তুমিই, সাহেবের উচ্ছিষ্ট ছাপার কল বাড়িতে এনে বসিয়েছ।’

    স্বাভাবিকভাবেই অগ্রজের উষ্মা গঙ্গারাম অনুজকে জানায়নি, জানালেও তার মনে পৌঁছত কিনা সন্দেহ। রেলগাড়িতে চেপে কলকাতাযাত্রার আবেশে তার মনপ্রাণ তখন বিভোর।

    ইঞ্জিনের ধোঁয়ার পর্দা দিয়ে দেখা প্রেতের মতো অলীক ছুটন্ত মাঠঘাট পুকুর মন্দির জনপদ পেরিয়ে হাওড়ায় এসে থামা, তারপর হুগলি নদী পার হবার সময়ে পূর্ব তীরে শহরের গগনচুম্বী হর্ম্যরাজি জলে প্রতিফলিত দেখা, কলকাতার মাটিতে প্রথম পা রেখে, কলকাতার বাতাসে বুক ভরে প্রথম শ্বাস নিয়ে সেই এক আশ্চর্য সুগন্ধ যা খুব ছোটোবেলায় পাগলরাম লক্ষণার বাপের বাড়ি থেকে আনা পেতলের সাজের বাক্সে কাচের চুড়ি, ফিতে, হাতির দাঁতের চিরুণি, আলতা, বিলিতি এসেন্স, পাউডার, পমেটমের মধ্যে পেয়েছিল।

    কলকাতা তো শুধু শাসনকেন্দ্রই নয়, আধুনিক বাংলা ভাষারও রাজধানী হয়ে উঠছে। সাতগাঁর পণ্ডিতেরা সেই ভাষাকে ব্যাঙ্গ করে— ‘ক্যালকাটা বাংলা’ বলুক আর যাই বলুক, বাংলায় অসংখ্য বইপত্র সংবাদ পত্রিকা ছাপা হচ্ছে। অসংখ্য ইংরেজি শিক্ষিত পণ্ডিতকুল, ক্রমবর্ধমান পাঠকসমাজ। চিৎপুরে বটতলায় ছাপা বই ঝাঁকায় ভরে পাকা আমের মতো অলিতে গলিতে হেঁকে বিক্রি করছে ফেরিওয়ালার দল। পাগলরামের কানে বাজে রাজমোহন চাটুজ্জ্যের প্রত্যয়ী ঘোষণা

    ‘দ্যাখ সখা, সাতগাঁ হলো বাংলার অতীত, কলকাতাই ভবিষ্যৎ। এক নতুন ইতিহাস লেখা হচ্ছে এই শহরে, যা বাঙালি জাতিকে একদিন সারা দেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠ করে তুলবে!’

    ‘বলছ?’

    ‘মোস্ট সার্টেইনলি!’ রাজমোহন কেদারার হাতলে চাপড় মেরে বলে। ‘আজ না হোক কাল, এই বিদেশী শক্তিরা এ দেশ ছেড়ে চলে যাবে। যেতেই হবে! পর্তুগীজ দিনেমার ওলন্দাজেরা কবেই গিয়েছে, ফরাসিরাও শিগগিরই যাবে। তারপর একদিন ইংরেজদেরও চলে যেতে হবে। তখন এই সুজলা সুফলা স্বাধীন বাংলার রাজধানী হয়ে উঠবে কলকাতা। ঠিক যেমন সাতগাঁ ছিল বহুকাল আগে, যেমন ছিল সোনারগাঁ, গৌড়, লখনৌতি।’

    *

    আয়ুর্বেদশাস্ত্রের সঙ্গে রুয়ানো ডে ইনফান্টের হর্টার্স বেঙ্গলেনসিস-এর জড়িবুটির জ্ঞান মিশিয়ে চিকিৎসা করে সুনাম হবার পর নানা দিক থেকে বিবাহের সম্বন্ধ এসেছিল গঙ্গারামের। কিন্তু সেসব সে প্রত্যাখ্যান করল। নিজে উদ্যোগ নিয়ে রাজপুরের লেখাপড়া-জানা মেয়ে হিরণ্ময়ীর সঙ্গে পাগলরামের বিয়ে দিল। ভেবেছিল শৈশবে মাতৃহীন ভাইটা এবার সংসারে থিতু হবে। সে আশায় জল ঢেলে কলকাতায় চলে যাবার বৈপ্লবিক সিদ্ধান্তটা নিল পাগলরাম। গঙ্গারামের বুকে যেন হাতুড়ির ঘা পড়ল। কষ্টটা অসহনীয় হলো যখন সে জানতে পারল সকলেই ধরে নিয়েছে এর পেছনে অগ্রজের মদত রয়েছে।

    সাতগাঁর পাশ্চাত্য বৈদিক সমাজ রামানুজ পণ্ডিতকে ঘিরে গোল হয়ে বসে শোকজ্ঞাপন করতে লাগল। ইংরেজদের শহর কলকাতা। সেখানে ওরা ব্রাহ্মণ মহারাজা নন্দকুমারকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছে। ব্রাহ্মণেরা দলে দলে সেই অভিশপ্ত ভূমি ত্যাগ করেছে। সেখানে গিয়ে কি না ডেরা বাঁধতে চলেছে রামাই পণ্ডিতের নাতি, রামাচার্যের বংশধর, ভাগীরথীর পশ্চিম কুল থেকে পুবে, যেদিকে রাঢ়ভূমি থেকে নেড়ানেড়িদের উৎখাত করে পাঠানো হয়েছিল!

    ‘নারীরা কলকাতায় যায় কুলত্যাগিনী মাগী হতে!’ কুলপতি ঘনশ্যাম ন্যায়চঞ্চু বললেন–‘আর পুরুষেরা যায় পতঙ্গের মতো অকালে মরতে!’

    ‘না মরুক, মারণ ব্যাধি বাঁধিয়ে ফেরে তো বটেই! স্মৃতিরত্নমশাই বলেন। ‘তার জ্বলন্ত উদাহরণ এই বাড়িতেই আছে।’

    ‘কার কথা বলছ?’

    ‘চাঁদেরডাঙার মথুর রায় গো! খোদ রামানুজ পণ্ডিতের জামাই, শাকম্ভরীর স্বামী।’ স্মৃতিরত্ন ব্যাখ্যা করেন। ‘দুফে সাহেবের দালাল হয়ে সেই যে কলকাতায় যেতে শুরু করল, সেখানে প্রমোদের পাঁকে গা ভাসালো।’

    ‘ইংরেজরা তো শুনেছি কীসব নতুন আইন করেছে, তার গুঁতোয় কলকাতার বেশ্যাগুলো দল বেঁধে কাটুনিডাঙায় গিয়ে উঠেছে!’ ন্যায়চঞ্চু বলেন।

    ‘আহা, সব কটা কী আর এয়েছে। সরেসগুলো শুনেছি জাহাজঘাটার আশেপাশে আছে। তাছাড়া রেসের মাঠ আছে, মধুশালা আছে। রামানুজ পণ্ডিতের জামাইয়ের উচ্ছন্নে যাবার উপকরণের অভাব আছে নাকি কলকাতায়?’

    বাস্তুভিটে ত্যাগ করে কলকাতায় গিয়ে জাত খোয়ানোর গল্প যে যা জানে বলতে শুরু করে।

    কিন্তু পাগলরাম এমন একটা জিনিস করল যা এর আগে কেউ কখনো করেনি; স্ত্রী হিরণ্ময়ীকে সঙ্গে নিয়ে গেল সে।

    ‘বাপ রাজারাম পণ্ডিত কচি বউকে নিয়ে সহমরণে গিয়েছিলেন, ব্যাটাও তাই করলেন!’ পণ্ডিতেরা বললেন। ‘বউ নিয়ে বাবু চললেন কলকেতায়।’

    কিন্তু পাগলরাম স্ত্রীর জন্য জ্বলন্ত চিতা নয়, মহানগরের খোলা আকাশ সাজিয়েছিল। ওর ইচ্ছে ছিল হিরণ্ময়ীকে বেথুন সাহেবের ইস্কুলে ভর্তি করবে। নতুন অজানা শহরে গিয়ে হিরণ্ময়ী অতটা করতে রাজি হলো না। অগত্যা বাড়িতে মেমসাহেব রেখে স্ত্রীর লেখাপড়ার ব্যবস্থা করল পাগলরাম।

    .

    মাছ যেভাবে স্থির বদ্ধ জলা ছেড়ে সজীব স্রোতে ভেসে যেতে চায়, সেভাবেই সাতগাঁর মৎস্যভূমির বিভিন্ন স্তরের মানুষকে হাতছানি দিচ্ছিল কলকাতা। তার মধ্যে একজন হলো ননী। সেই যেবার হান্স অ্যঅ্যান্টনি হীরক স্ফটিকের মতো নার্কিন দেশের বরফ নিয়ে এল, সেদিন থেকেই কলকাতায় যাবার ইচ্ছে বাসা বেঁধেছিল ননীর মনে। গোবর্ধনের ঠেকে কলকাতা থেকে যে খদ্দেররা আসে তাদের প্রশ্ন করে উত্ত্যক্ত করে সে, শুনতে চায় কলকাতা শহরের কথা, রাস্তার ওপর পাতা লাইনে ঘোড়ায় টানা ট্রামগাড়ির কথা, সকালবেলায় ভিস্তিওয়ালারা এসে রাস্তাঘাট ধুয়ে দেবার কথা, প্রহরে প্রহরে গড়ে তোপ দাগার কথা, জেলেপাড়ার সঙের কথা, বড়লাটের কুঠির মাঠে কুচকাওয়াজের কথা

    যেদিন কলকাতায় যাবার রেলের গাড়ি চালু হলো, ননীর কৌতূহল বাঁধ মানল না। নতুন বন্দর-হুগলি স্টেশনে রেলের গাড়ি আসা দেখতে গিয়ে একদিন দশ সের দুধ পোড়ালো। সেদিন উনুনের চ্যালা কাঠ দিয়ে ওকে উত্তমমধ্যম পিটুনি দিল গোবর্ধন।

    বাবার হাতে চ্যালাকাঠের মার খেয়ে গুপ্তিপাড়ার গ্রাম থেকে পালিয়ে এসেছিল ননী। অভাবী ময়রার ঘরে নিয়মিত প্রহার আর নিমতেতো গঞ্জনা ছাড়া আর কিছু জুটত না। এখানে তা নয়। সেদিন রাত্রিবেলা ঝাপফেলা দোকানঘরের ভেতর কাঁথার বিছানায় শুয়ে ঘুমপাড়ানো উনুনের চেয়েও স্নেহতপ্ত গোবর্ধন ননীর কালসিটে-পড়া পিঠে পাছায় সরবাটা ঘি মাখিয়ে ওর সর্বাঙ্গে চুমু খেতে খেতে বলল –

    ‘সোনামাণিক আমার, এত যে রেলগাড়ি চেপে কলকাতায় যাবার শখ তোর, রেলগাড়ি চাপলে আয়ু কমে যায় সেটা জানিস?’

    ‘সে যায় যাক!’ ননী অভিমানী কন্ঠে বলে– ‘আয়ু কমলেই বা কি, কলকাতায় একদিন বাঁচা এখানে দশদিন বাঁচার সমান!

    গোবর্ধন করুণ হেসে ওর চুলে বিলি কাটতে কাটতে নিজের শিথিল মসৃণ স্তন গুঁজে দেয় ঠোঁটের ফাঁকে।–‘এখন তোর হাতে অঢেল আয়ু তাই অমন করে ভাবতে পারছিস রে!’

    কিন্তু কোনোরকম প্রলোভনেই ননীকে ধরে রাখা গেল না। ঠিক যেভাবে এক ভোর রাতে গাঙীর বাহুডোর থেকে পিছলে পালিয়েছিল শার্ল, সেভাবেই ঘুমন্ত গোবর্ধনের বিছানা থেকে পালিয়ে গেল ননী। যাবার আগে দোকানের পেছনে গাঁজার ঝাড়ের নীচে মাটি খুঁড়ে গোবর্ধনের সঞ্চিত টাকার কৌটোটাও নিয়ে গেল। কিন্তু বন্দর-হুগলি রেল স্টেশনে গিয়ে টিকিট কেটে রেলগাড়িতে চড়াটা আর সাহসে কুলোল না। গুপ্তিপাড়া থেকে যেভাবে সে ধর্মতলায় এসেছিল, সেভাবেই কলকাতায় গেল, বোটে। গোবর্ধনের বুক ভেঙে দিয়ে গেল।

    এরপর মানুষটা আর বেশিদিন বাঁচেনি। একদিন সরস্বতীর ঘাটে নৌকায় আসা বাদাবনের জ্বালানি কাঠ বেছে কিনতে গিয়ে মৌমাছির কবলে পড়ল গোবর্ধন। এপিস ডোরসাটা প্রজাতির বড়ো হলদে ডুমো মৌমাছি, বসন্তের গোড়ায় ওরা তরাইয়ের অরণ্য থেকে দীর্ঘ পথ উড়ে এসে সুন্দরবনের জঙ্গলে চাক বাঁধে। একে কলকাতার বিস্তার ঘটছে, বাদাবন কাটা পড়ছে। জ্বালানি কাঠ নৌকা বোঝাই হয়ে চলে যাচ্ছে বাজার গঞ্জের হাটে। আস্ত একটা মৌচাক যে ডালপালার আড়ালে রয়ে গিয়েছিল সেটা কেউ ঠাওর করেনি। গোবর্ধন অভ্যাস মতো নৌকায় উঠে সরেস কাঠ বেছে নিতে যেতেই মৌমাছিরা ঝাঁক বেঁধে আক্রমণ করল।

    মাঝিরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই একটা প্রবল রেলগাড়ির ইঞ্জিনের বাষ্পের মতো শব্দ, গোবর্ধনকে যেন ঘিরে ধরেছে একটা জীবন্ত মেঘ। প্রবল যন্ত্রণায় প্রাণের আকুতিতে পাড়ে লাফ দিয়ে নেমে উন্মাদ নৃত্য করতে লাগল। ওর আর্তনাদ চাপা পড়ে গেছে শত শত মৌমাছির ডানার ভোঁ ভোঁ শব্দে, দেহের প্রতি ইঞ্চি ত্বকে উপর্যুপরি হুল ফোটাছে, পাড়ে ছুটোছুটি করেও পরিত্রাণ নেই। ‘জলে পড়ো! জলে পড়ো!’ বলে নিরাপদ দূরত্ব থেকে চেঁচাতে লাগল সকলে। কিন্তু গোবর্ধনের দিগবিদিক জ্ঞানশূন্য ছুটোছুটির ধরন দেখে বোঝা গেল ইতিমধ্যে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছে সে। মাঝিরা বৈঠা দিয়ে জলে আঘাত করতে লাগল, সেই শব্দে নদীতে ঝাঁপিয়ে ডুব দিল বটে, কিন্তু জলের ওপরে ভোঁ ভোঁ করে পাক খায় মৌমাছির স্তম্ভ, শ্বাস নিতে মাথা তুললেই নেমে এসে আক্রমণ করছে। অনেকক্ষণ পর মশাল জ্বালিয়ে নিয়ে লোকজন এসে মৌমাছি তাড়িয়ে যখন জল থেকে গোবর্ধনকে টেনে তুলল, ততক্ষণে সে সংজ্ঞাহীন, ফুসফুসে জল, অন্ধ চোখে গলন্ত আগুনের ঝলকানি, কানে বেজে চলেছে উচ্চকিত গুঞ্জন। বহুকাল আগে গাজির বাগানে যে দুর্ভিক্ষপীড়িত কঙ্কালসার মানুষগুলোকে সে দেখেছিল, যে দুর্ভিক্ষের করাল ছায়া থেকে নিজে পালিয়ে সে এই দূর বাংলায় এসেছিল, সেই হাজার হাজার মানুষের বিশুষ্ক ফ্যাসফেসে কন্ঠস্বর বুঝি এতদিনে তাকে খুঁজে পেল।

    সন্ধ্যার আগেই মারা গেল গোবর্ধন হালুয়াই। বৈদ্যরাজ গঙ্গারাম চক্রবর্তী মধু ও মোমের দ্রবণে ঘৃতকুমারীর কাৎ মিশিয়ে প্রলেপের বন্দোবস্ত করেও তাকে বাঁচাতে পারলেন না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }