Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    পরিমল ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প984 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – ১২.১

    ১২.১

    মি’লেডি, কোথাকার জল যে কোথায় গড়ায়। মে মাসে প্যারিসে গণঅভ্যুত্থান হলো। ছাত্র আন্দোলন থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন কমিউনিস্ট দলের শ্রমিক সংগঠনের হরতাল, পুলিশের সঙ্গে রাস্তায় প্রায় গণযুদ্ধ সব মিলিয়ে সরকার পড়ে যাবার উপক্রম। দু মাস বাদে নির্বাচনে আগের দল ক্ষমতায় ফিরল বটে, কিন্তু বড়োসড়ো পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে। কয়েক হাজার মাইল দূরে এককালের ফরাসী উপনিবেশে সেই পরিবর্তনের ঢেউ এসে লাগল।

    ভারতে তাদের অধিকৃত শহরগুলো ছেড়ে যাওয়ার সময়ে স্থানীয় ফরাসী ও মিশ্র জনগোষ্ঠীর চাহিদাকে মর্যাদা দিয়ে গড়ে তোলা হয়েছিল ইন্সতিত্যুত দ্য ফঁস, মূল উদ্দেশ্য ছিল ফরাসি ভাষা সংস্কৃতির বিস্তার। ফ্রান্সের বিদেশ ও সংস্কৃতি মন্ত্ৰক থেকে অনুদান বরাদ্দ হয়, সাতগাঁর বসন্ত চক্রবর্তীর মতো অনেকেই প্যারিসে প্রশিক্ষণ নিতে যাবার সুযোগ পায়। কিন্তু উপনিবেশ-পরবর্তী বিশ্বে ক্রমশ সেসব অপ্রাসঙ্গিক হয়ে উঠতে থাকে, ফরাসি ইন্সটিটিউট হয়ে ওঠে পুরোনো রং-জ্বলা স্মৃতির মহাফেজখানা। সরকারী অনুদান কমে, শুরু হয় কর্মীসংকোচন। পারীর সেই ঐতিহাসিক বসন্তের পর বছর খানেকের মধ্যেই বদলের ধাক্কা এসে লাগল। বাইশ জন কর্মীর কাছে প্রস্তাব এল— ‘হয় অবসর নাও, নয়তো এক তৃতীয়াংশ বেতনে কাজ করো।’

    সেই তালিকায় বসন্তও ছিল। নতুন বছরের গোড়ায় সে সপরিবারে সাতগাঁয় ফিরে এল, কোয়ার্সভিলে তার পুরোনো কর্মস্থলে যোগ দিল। তিতলিও ফিরে এল ক্লুনির সিস্টারদের কনভেন্টে। কানাইকে সাতগাঁ আদর্শ বিদ্যানিকেতনে ভর্তি করা হল। কিন্তু তিতলি এবার আর কিছুতেই বাড়িতে থেকে ইস্কুলে যেতে চাইল না, বাধ্য হয়ে তাকে কনভেন্টের হস্টেলে রাখা হলো।

    পন্ডিচেরির সমুদ্রতীরবর্তী আবহাওয়ায় তিতলির হাঁপানির অসুখ নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এছাড়া সাতগাঁ ছেড়ে যাওয়াটা ওদের কারোর পক্ষেই সুখকর হয়নি। সাজানো ছিমছাম সৈকত শহরে স্বাধীন সংসার করার শখ ঘুচে যেতে নতুনবউয়ের সময় লাগেনি। বসন্তও প্রতি পদক্ষেপে টের পেয়েছে সাতগাঁয়ে আত্মীয় পরিজনের পরিমন্ডল থেকে দূরে গিয়ে সংসার পাতার চাপ। এছাড়া আর্থিক দিকটা ছিলই। আদিরামবাটিতে চিরকাল শিষ্যবাড়ি থেকে সোম্বচ্ছরের চালটা ঘিটা এসেছে, এছাড়া ফার্মেসির আয় থেকে সংসারের নিত্যকার বাজার হতো। বসন্তর চাকরিটা নড়বড়ে হয়ে যাওয়ায় নতুনবউয়ের আশা ছিল দাদা অলোক পাশে এসে দাঁড়াবে; আর কিছু না হোক অন্তত তিতলির হস্টেলে থেকে পড়াশোনার খরচটা দেবে। কিন্তু সেসব কিছুই করল না সে। কৃষ্ণনগরের সম্পত্তি ছেলের নামে উইল করে গিয়েছিলেন বাবা, তাঁর মৃত্যুর পর প্যারিস থেকে এসে সেসব কড়ায় গন্ডায় বুঝে নিল। নতুনবউ আবিষ্কার করল নাতনির জন্য একটি পোশাকি নাম আর কিছু আদ্যিকেলে গয়না ছাড়া মেয়ের জন্য আর কিছুই রেখে জাননি বাবা। সেবার কানাইকে নিয়ে সাতগাঁয়ে এসে শিউলিকে থাকতে দেখে তার মনে হয়েছিল ভাগ্য কী ঘোর বৈষম্যময়। তখনই ফার্মেসির আয়ের হিসেব ঠাকুরঝির কাছ থেকে বুঝে নিতে শুরু করে নতুনবউ।

    বিয়ে হয়ে এ বাড়িতে আসার পর থেকে এতটাই উপেক্ষিত সে, যে প্রথম-প্রথম যে নামে সকলে ডাকত সেই নামটা আর কোনোদিন ঘুচল না। এমনকি নিজের ছেলেমেয়েও ডাকে নতুনবউ বলে। মা মারা যাবার পর আরও নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ল। শরীরটাও জুতের নেই। তিতলি হবার সময় পেট কাটার পর থেকে হজমের গোলমাল, অনিদ্রা, মাথা-ধরা পিছু ছাড়েনি। বসন্তকে বললে সে শ্বশুরমশাইয়ের ভঙ্গিতে হাত নেড়ে বলবে–

    ‘সকালে উঠে ঝাঁটা নিয়ে পুরো উঠোনটা ঝাঁট দাও, দেখবে রোগবালাই পালাবার পথ পাবে না। মাকে দেখনি, সারাদিন কেমন চরকির মতো ছুটে বেড়াতো?’

    হস্টেলে থাকতে শুরু করার পর নিজের পেটের মেয়েটাও যেন পর হয়ে গিয়েছে। ছুটির দিন তিতলিটা হস্টেল থেকে বাড়িতে এলে অনেক উৎসাহ নিয়ে রান্নাঘরে ঢোকে নতুনবউ। ছোটোবেলা থেকে ওর প্রিয় পদ ওর মায়ের হাতে পোস্তর বড়া, প্যারিসে বসে যার বর্ণনা শুনে বসন্তর মন গলেছিল সেই বাইরেটা মুচমুচে ভেতরে নরম। কিন্তু ‘ল্যে প্লু পাহক্যে’ আর হয় না। কখনো বাইরেটা পুড়ে যায় ভেতরটা কাঁচা থাকে, কখনো মাত্রাছাড়া নুন হয়ে যায়। চিরকাল ছেলেমেয়েকে থালায় ভাত তরকারি একসঙ্গে মেখে গোল গোল মন্ড বানিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ওভাবে মেখে দিলে তিতলি আর খায় না। হস্টেল থেকে এক বেলার জন্য বাড়িতে এসে মা আর বাবার পরস্পরের প্রতি অভিযোগের ফিরিস্তি আর সালিশি শুনে শুনে কানে তালা লেগে যায় তার। ইদানীং আর প্রতি রবিবার আসেও না।

    তিতলি আসুক বা না আসুক, রোজ কিছুটা সময় নতুনবউকে রান্নাঘরে দিতেই হয়। বামুনদিকে হাতে হাতে এগিয়ে দিয়ে যোগাড় দিতে হয়, সন্ধ্যাবেলা রুটি বেলে দিতে হয়। জরাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে বামুনদি, একা হাতে সবকিছু আর পেরে ওঠে না আগের মতো। সকালে স্বামীপুত্রের অফিসের ইস্কুলের ভাত বেড়ে দেবার পর সময়টুকু তার একান্ত নিজের, দোতলায় শোবার ঘরে গিয়ে দোর দেয়। তার নিজের যৌবনের ঔজ্জ্বল্য যেমন অস্তমিত, বাপের বাড়ি থেকে আনা তার ৩৫৩টি দিশি বিলিতি পুতুলেরও যৌবন অস্তাচলে। বিদেশ-বিভুঁই ঘুরে এসে তারা রং-চটা হয়েছে; কয়েকটির হাত-পা ভেঙেছে, পিডিলাইটের আঠা দিয়ে জোড়া লাগিয়েছে। বসন্তর দাড়ি কামানোর বুরুশ দিয়ে রোজ একটি একটি করে তাদের প্রত্যেকটির ধুলো ঝাড়তে দুপুর গড়িয়ে যায়। তারপর আছে ঘরের আসবাবের ধুলো ঝাড়া।

    এক ছুটির দিন বসন্ত বিছানায় গা এলিয়ে খবরের কাগজে শব্দছক করতে করতে বলল–

    ‘ধুলো ঝাড়ার একরকম যন্ত্র কেনা হয়েছে আপিসে। ভ্যাকুয়াম ক্লিনার, ইলেকট্রিকে চলে। ভাবছি বাড়ির জন্যে একটা কিনলে কেমন হয়? রোজ রোজ তোমার এই খাটনি কমবে।

    নতুনবউ কোনো উত্তর দেয়নি। ড্রেসিং টেবিলের আয়নাটা মুছছিল, আয়নার ভেতর দিয়ে তাকাল। প্রতিবিম্বে চোখাচোখি হতেই বসন্ত ফের শব্দছকে ফিরে যায়। আচমকাই তার মনে পড়ে যায় বহুকাল আগের এক দুপুর, নতুনবউ ঠিক এইরকম ঘোলাটে চোখে তাকিয়েছিল ওর দিকে, এক ঘর লোকের মাঝে বলেছিল— ‘পোঁদে নেই চাম, হরেকৃষ্ণ নাম!’

    বর্তমানে ঘোলাটে চাহনির কারণ অবশ্য বিয়ের যৌতুক-পাওয়া ড্রেসিং টেবিলের আয়নাটা; মাঝখানে পারা চটে গিয়ে ঝাপসা দেখায়। তার মধ্যে বিয়ের আগের সেই সৌভাগ্যলক্ষ্মীকে আর খুঁজে পায় না নতুনবউ। যে ছিল কৃষ্ণনগরের শ্রেষ্ঠ সুন্দরী, যার মুখের আদলে প্রতিমা গড়ত শহরের নামজাদা মৃৎশিল্পীরা, যাকে ফরাসী বিস্ক পুতুলের মতো ফর্সা সুদর্শন বর এনে দেবার স্বপ্ন দেখিয়েছিল অলোক, এত বছর ধরে সেই স্বপ্নভঙ্গের খোলামকুচি বুকের ভেতরে জমতে জমতে, কাউকে মনের কথা বলতে না পেরে গুমরে গুমরে সৌভাগ্যলক্ষ্মীর রূপ গত হয়েছে। দেহে বিষণ্ণ মেদ, দুই গালে মেচেতার মতো ছোপ, দেবীপ্রতিমার মতো একমাথা কোঁকড়ানো চুল ঝরে গিয়েছে পন্ডিচেরির নোনা আবহাওয়ায়। গেঁটে বাতে ধরেছে, চাঁদের কলার সঙ্গে তাল রেখে জোয়ার-ভাটার মতো বাড়ে কমে, কোমরে হাঁটুতে গ্রন্থিগুলো টনটন করে। বাগানে ইঁদারায় হেমন্তর জোয়ার মাপার জলঘড়ির থেকেও নিখুঁত জানান দেয়।

    .

    কপিকলের গায়ে সেই জলঘড়িটা এখনও আছে। ডায়ালের চিহ্নগুলো ঝাপসা হয়ে এসেছে, জলে ভাসমান শোলার টুকরো ক্ষয়ে গিয়েছে, তবু এখনও কাজ করে। এখনও দিনে দুবার ইঁদারায় জোয়ার-ভাটা খেলে। কিন্তু হেমন্তর ওদিকে আর দৃষ্টি নেই। আরও জটিল ও সূক্ষ্ম এক অত্যাশ্চর্য কল বানাতে শুরু করেছে সে।

    সরোজার মৃত্যু এলোমেলো করে দিয়েছে হেমন্তর জীবন। অশৌচের সময় সেই যে চুলদাড়ি কাটা বন্ধ করেছিল, ঘাট-কামানোর দিনেও নাপিতের হাতে ক্ষুর ছোঁয়াতে অস্বীকার করে। আত্মীয়েরা আড়ালে অসন্তোষ প্রকাশ করলেও সামনাসামনি কিছু বলেনি। বংশের কালাপাহাড় সে, মেথর খেপিয়ে মিছিল করেছে ব্রাহ্মণপাড়ায়, ওর কাছ থেকে কোনো কিছু অপ্রত্যাশিত নয়। ক্রমশ যে নৈঃশব্দ্য এঁটে বসেছিল আদিরামবাটিতে, সেটি যেন ওকে ঘিরে ক্রমশ বুনে উঠল নিশ্ছিদ্র রেশমগুটির মতো।

    পার্টি ছেড়ে বাড়িতে ফিরে আসার পরে-পরেই সেটা শুরু হয়, যবে থেকে হেমন্ত সেলুলয়েডে আলোছায়ার বিক্রিয়ায় সম্পূর্ণ ডুবে গেল। ডার্করুমে লাল আলোর ভেতর দৃষ্টি ক্রমশ সয়ে আসছে–এদিকে বাইরে দিনের আলো মরে এসে সন্ধ্যা নামছে, আমের বোলে গুটি ধরছে–দরোজা-জানলা আঁটা দক্ষিণের ঘরে হেমন্ত আই-লুপের ভেতর দিয়ে প্রত্যক্ষ করছে এক আশ্চর্য মাধ্যমের যাদু, যেখানে বস্তুর তৃতীয় মাত্রা বিলুপ্ত হয়।

    সরোজার মৃত্যুর পর শিউলি এসে যখন ছিল, নানাভাবে সে চেষ্টা করেছে ওর চেয়ে সাড়ে তিন বছরের বড়ো দাদাটাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার। একদিন দুপুরবেলায় হেমন্ত পায়খানায় গিয়েছে, শিউলি ঝাঁটা হাতে ওর ঘরে ঢুকে বহুদিনের জমা ধুলো পরিষ্কার করল, মেঝেয় ছড়িয়ে থাকা বাতিল যন্ত্রাংশ সেলুলয়েডের টুকরো সরালো, ঘড়ি রেডিও ক্যামেরা দম-দেওয়া খেলনাগুলো (যে খেলনাগুলো সে বিনামূল্যে সারিয়ে দিত, কিন্তু এত সময় নিত যে ইতিমধ্যে সেই শিশুরা বড়ো হয়ে গেছে এবং তাদের খেলনার অভাব মিটে গেছে) আলাদা করে গুছিয়ে রাখল, দেয়ালে সাঁটা ডার্করুমের কালো কাগজ সরিয়ে মাকড়শার জালের আস্তরণ পরিষ্কার করল, বহুকাল পর ঘরে স্বাভাবিক আলো ফিরিয়ে আনল। ঘরে ফিরে সেই দৃশ্য দেখে ক্রোধে উন্মাদ হলো হেমন্ত, ঘর থেকে বের হলো না, শিউলি ও বামুনদির শত অনুনয়েও সেই রাত্রে কিছু দাঁতে কাটল না। এবং এই ঘটনার পর থেকে প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বাইরে বের হতে হলে ঘরে শিকল টেনে তালা ঝোলাতে লাগল। চাবিটা সে বেঁধে রাখত গলার পৈতেয়, যেটা পার্টি ছেড়ে আসার পরদিন থেকে সে পরতে শুরু করে।

    জটিল কলকব্জার প্রতি আশৈশব মোহ থেকে হেমন্ত যে প্রযুক্তির অতিলৌকিক মরীচিকার পথে হাঁটতে শুরু করেছে, সেটা ক্রমশ স্পষ্ট হলো যবে থেকে সে বিকল যন্ত্র সারাইয়ের প্রতিভা হারিয়ে ফেলতে লাগল। খেলনা হোক কিংবা ঘড়ি অথবা রেডিও, কলকব্জা খুলে সেগুলি ফের আগের সংস্থানে বসানোর দক্ষতা ভুলে যেতে লাগল। ঘরে জমতে শুরু হলো নানা ধরনের যন্ত্রাংশ। এই সময়েই ওর আপন মনে কথা বলার অভ্যাসটা শুরু হয়।

    পন্ডিচেরি থেকে ফিরে বসন্ত যেন ছোটো ভাইটাকে চিনতে পারল না। মুখভর্তি কাঁচাপাকা দাড়ির জঙ্গল, মাথায় টাক ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে, শরীর শুকিয়ে অসম্ভব রোগা হয়ে গিয়েছে, চোখদুটো ঠেলে উঠেছে দুর্ভিক্ষ পীড়িতের মতো। ঘরের দেয়ালে ডার্করুমের কালো কাগজ আর নেই, তবে পেনসিলের আঁকিবুকিতে প্রতিটা ইঞ্চি ভরে উঠেছে। বাইরে থেকে উঁকি দিলে মনে হয় যেন তারায় ভরা রাতের আকাশ। এরই মধ্যে একদিন কীভাবে যেন ধুলোর মেয়ে সর্বজয়া দক্ষিণের ঘরে ঢুকে গ্রুন্ডিগ রেডিওর কাঠের বাক্সের মধ্যে তিনটি ছানার জন্ম দিল। এখন কোনো কারণে বাইরে বেরোতে হলে আর দরজায় তালা ঝোলায় না হেমন্ত। এক দুপুরে সবাই যখন দিবানিদ্রা দিচ্ছে, ভাঁড়ারের থেকে একটা বড়ো হার্মাদি সিন্দুক টেনে নিয়ে গেল ওর ঘরে, তার মধ্যে ভরে রাখল ওর সব যন্ত্রপাতি কাগজপত্র।

    ‘হায় আদিরাম! ওই খ্যাংরাকাঠির মতো চেহারা নিয়ে কী করে অমন ভারি সিন্দুকটা নিয়ে গেল গো?’ বামুনদি গালে হাত দিয়ে বলল।

    ‘ওর মধ্যে হঠযোগীদের শক্তি ভর করেছে!’ বিশুকা বলল।

    দুপুরবেলা রান্নাঘরে হেমন্তর ভাত বেড়ে সানকি চাপা দিয়ে রাখে বামুনদি। সবার খাওয়া হয়ে গেলে বিকেল নাগাদ চুপিসারে ঢুকে ভাত তরকারি ডাল সব একসঙ্গে চটকে মেখে দলা পাকিয়ে মুখে পোরে সে। একমুখ দাড়ির জন্য বোঝা যায় না, ইতিমধ্যে ওর বেশিরভাগ দাঁত পড়ে গিয়েছে। পার্টি কমিউনে থাকাকালীন অম্লের ব্যামো ধরেছিল, সেটা মাঝে মাঝে চাগাড় দেয়। শিউলি শেষবার এসে দাদাকে জোর করে কিছু টাকা হাতখরচ দিয়েছিল। বাড়িতে দর্জি ডাকিয়ে মাপ নিয়ে শার্ট প্যান্ট বানিয়ে দিয়েছিল দু সেট। কিন্তু হেমন্ত সেসব ছুঁয়েও দেখেনি, এ বাড়ির সব পুরুষদের মতোই শিষ্যবাড়ির তত্ত্বে আসা কোরা ধুতি পরে। টাকাগুলো দিয়ে কোয়ার্সভিল থেকে অ্যামমিটার, সল্ডারিং রড ও কিছু কিছু রেডিওর যন্ত্রাংশ আনিয়েছিল।

    হেমন্ত যে এক আশ্চর্য যন্ত্র নির্মাণ করছে, সে ব্যাপারে এক কার্তিকের সন্ধ্যাবেলা অন্ধকার উঠোনে দাঁড়িয়ে বিশুকাকে বলেছিল। সেদিন বিদ্যুৎ ছিল না, নিমগাছের মাথায় জোনাকির মতো নক্ষত্র দপ্ দপ্ করছে।

    ‘যত তারা আকাশে চোখে দেখছ, এরা বেশিরভাগ বহু বহু যুগ আগে মরে গিয়েছে। তাদের আলো এখনও পৃথিবীতে আসছে। যত মানুষ মরে গিয়েছে, তাদের গলার স্বর এমন ভেসে রয়েছে। অঙ্ক কষে তার সঠিক ওয়েভ লেংথ বের করে নিতে পারলে মরে যাওয়া মানুষের কন্ঠস্বর শোনা যাবে ক্রিস্টাল রেডিওর মতো।’

    ‘এ আর তুই নতুন কী বললি?’ বিশুকা বলেছিল। ‘মামাদাদু তো কোনো যন্ত্র ছাড়াই অ্যাক্রয়েড ঘোষের গলার স্বর শুনতে পেয়েছিলেন!’

    ইন্সটিটিউটে বাঁধা মাইনের চাকরিটা বিপর্যস্ত হবার পর থেকে অবসাদে ভুগতে শুরু করেছে বসন্ত। সাতগাঁয়ে ফিরে আসার পরেও তার প্রশমন হলো না। যে কোয়ার্সভিল শহরটা ফ্রান্সের ছিটমহল হয়ে থাকার সমর্থনে রেফারেন্ডামের সময় বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রচার করেছে সে, ভোটাভুটির পর ঘড়িঘরের মাথায় ভারতীয় তেরঙ্গা উড়ছে খবর পেয়ে কেঁদে ভাসিয়েছে, পন্ডিচেরি থেকে ফেরার পর সেই শহরটার জীর্ণ ধূসর দশা যেন আরও প্রকট হয়ে ফুটে উঠল বসন্তর চোখে। এদিকে অফিসে উড়োজাহাজের ডাকে আসা লে মাঁদ আর লে ফিগারো-র পাতায় পাতায় সাদাকালো ছবিতে ওর প্রিয় পারীর চেনা ইমারতগুলোর দেয়ালে দেয়ালে কার্ল মার্ক্সের মুখের স্টেনসিল, আলকাতরায় লেখা শ্লোগান GREVE ILLIMITE! SOIS JEUNE ET TAIS TOI! মে মাসের সেই গণঅভ্যুত্থানে ওদেশে কমিউনিস্টদের ভূমিকা ততদিনে স্পষ্ট। আদিরামবাটিতে ফিরে তার ক্ষোভের নিশানা হয়ে উঠল হেমন্ত, যদিও সে কমিউনিস্ট পার্টি ছেড়েছে বহুকাল আগে।

    এক মুখ গোঁফদাড়িতে ঢাকা অবিশ্বস্ত চেহারা, ঘর থেকে বেরোয় না, সারাদিন যন্ত্রপাতি নিয়ে কীসব খুটখাট করে আর দেয়ালে হিজিবিজি লেখে, কারোর সঙ্গে কথা বলে না। একদিন বিশুকাকে ডেকে বসন্ত বলল–

    ‘হিমুকে দেখে তো মনে হচ্ছে মাথাটা গ্যাছে। পাগলের ডাক্তার দেখানো উচিৎ না?’

    একটু অবাকই হল বিশু। বহুকাল আগে একবার গাজির বাগানে পড়ে গিয়ে পা কাটার পর থেকে ছোটো ভাইয়ের প্রতি বসন্তর স্নেহ আর প্রশ্রয়ের অভাব ছিল না। এমনকি হেমন্ত যখন কমিউনিস্টদের দলে নাম লেখায়, শহরে মেথর-মিছিল করে, তখনও সে প্রতিবাদের সুরে গলা মেলায়নি। হেমন্ত যখন পার্টি ছেড়ে দিয়ে বাড়িতে ফিরে এল, ওকে ছবি তোলার সরঞ্জাম কিনে দিয়েছে।

    ‘মাথার ডাক্তার দেখাতেই পারিস।’ বিশুকা বলল। ‘কিন্তু কেন?’

    ‘পাগল হতে আর কী বাকি আছে বিশ্বকা? কীসব নাকি যন্তর বানাচ্ছে মড়াদের সঙ্গে কথা বলার জন্য।’

    ‘তোদের মা তো কোনোরকম যন্তর ছাড়াই নদীতে ডুব দিয়ে দূরের মানুষের সঙ্গে কথা বলতে পারত রে। অবশ্য শুধু জ্যান্ত মানুষের সঙ্গেই।’

    *

    বহুদিন পরে এক শনিবার বিকেলে শিউলির বানিয়ে দেওয়া নতুন শার্ট প্যান্ট পরে পায়ে জুতো গলিয়ে হেমন্তকে প্রথম বাড়ি থেকে বেরোতে দেখা গেল।

    ‘ফুলবাবু সেজে কোদ্দিকে চললি রে?’ বিশুকা বলল।

    উত্তর না দিয়ে, কোনোদিকে দৃকপাত না করে হেমন্ত রেলস্টেশনে গিয়ে টিকিট কাটল, ট্রেনে উঠে চলে গেল পোর্তোহাটায় পার্টি অফিসে। ইতিমধ্যে পার্টি ভাগ হয়েছে, তার মার্কসবাদী শরিক আর্মানি ব্যবসায়ীর সেই দোতলা কোঠাবাড়িটা দখল করেছে, হাতে টিনের ঘর তুলেছে। দলে নতুন সদস্য যোগ দিয়েছে। তারা কেউ হেমন্তকে দেখে চিনতে পারল না। একমুখ দাড়িগোঁফ, শীর্ণকায়, পরনে নতুন ঢোলা পোশাক, হাবেভাবে যেন ভিন জগতের ছাপ। কিউবা নয়তো বলিভিয়া থেকে বুঝি কোনো গেরিলা কমরেড এসে পড়েছেন, ওরা ভাবল।

    ‘ওয়েলকাম কমরেড! হাউ মে উই হেল্প ইউ?’ এক তরুণ বলল।

    একতলার ঘরের ভেতর উঁকি দিয়ে এদিক-ওদিক তাকালো হেমন্ত।

    ‘দিনুবাবু? উনি কি নেই?’

    ছেলেটি বিস্ময়ের ধাক্কা সামলে হেমন্তকে নিয়ে এল তিনতলায় টিনের ঘরে। ছাপাখানাটা একতলা থেকে এখানে স্থানান্তরিত হয়েছে, নতুন যন্ত্র বসেছে, চারিদিকে ছড়ানো টাইপ কেস, গ্যালি আর ফর্মার বান্ডিল। এরই মাঝে দিনুবাবু একই রকম আছেন নাকের ওপর চশমা, সামনে ঝুঁকে পড়া, পরনে ঢোলা পাজামা আর হলদেটে গেঞ্জির ওপর নীল এপ্রন। এখনও তিনি মেশিনম্যান। তবে আর ট্রেডলে চাপ দিয়ে নয়, বিদ্যুৎচালিত যন্ত্রে কাজ করেন।

    আগন্তুককে দেখে চিনে উঠতে দিনুবাবুর কয়েক সেকেন্ড লাগল। এরপর হেমন্তকে কমরেড বলে সম্বোধন করে আলিঙ্গন করবেন নাকি ছাপার কালি-লাগা হাতে করমর্দন করবেন ভেবে উঠতে পারলেন না।

    ‘আমি জ্যোৎস্নাময়ের খোঁজে এসেছি,’ হেমন্ত বলল। ওঁর ঠিকানাটা দিতে পারেন আমায়?’

    ‘কমরেড জ্যোৎস্নাময়? কিন্তু তিনি তো ইদানীং রাশিয়ায় থাকেন।’ দীনুবাবু বললেন।

    ‘আমি জানি,’ হেমন্ত বলল। ‘সেজন্যই ঠিকানার খোঁজে এসেছি।’

    তিন বছর আগে কমরেড জ্যোৎস্নাময় ঘোষ রাশিয়ান ভাষা শিখে প্রগতি প্রকাশনে অনুবাদকের কাজ নিয়ে চলে গিয়েছেন। এক সপ্তাহের মধ্যে ওঁর মস্কোর বাসার ঠিকানা যোগাড় করে হেমন্তকে দিলেন দিনুবাবু। পোর্তোহাটার পুরোনো কমরেডদের মধ্যে হু হু করে ছড়িয়ে পড়ল খবরটা, এবং ক্রমশ দানা বেঁধে উঠে একটি তত্ত্বের আকার নিল: দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ হৃদয়ে প্রেমের আবেগের কাছে চিরকাল পরাজিত হয়।

    ইতিমধ্যে জ্যোৎস্নাময়ের সঙ্গে আবীরার বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে, মার্কসবাদী দলে সদস্যপদ ছেড়ে আবীরা একটি উগ্র লেনিনপন্থী দলে নাম লিখিয়েছে। সেই খবর হেমন্তর কাছে ছিল কি? জানা যায়নি। তবে ঠিক কী প্রয়োজনে সে জ্যোৎস্নাময়কে চিঠি লিখেছিল সেটা জানা গেল সেবার ডিসেম্বরে, জ্যোৎস্নাময় যখন শীতের ছুটিতে দেশে ফিরলেন। এক সন্ধ্যায় পার্টি অফিসে এসে লম্বা লাইকা সিগারেটে টান দিতে দিতে তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে জানালেন–

    ‘দেখুন কমরেড, ডায়ালেক্টিকাল মেটিরিয়ালিজম হৃদয়ে প্রেমের আবেগের কাছে পরাজিত হয় এই তত্ত্বটা বেশ ক্লীশে, রাশিয়ানরা যাকে বলে উস্তারিয়েশি। তার থেকে ঢের নতুন বিচিত্র একটি তত্ত্ব খাড়া করেছেন আমাদের এক্স-কমরেড হেমন্ত। জগদীশচন্দ্র বোসের সাহায্য নিয়েই নাকি বিপ্লবী অ্যাক্রয়েড ঘোষ মৃতের আত্মাদের সঙ্গে কমিউনিকেট করতেন, এক বিশেষ কম্পাঙ্কের মাইক্রোওয়েভ ধ্বনিপ্রবাহ সম্প্রচার করতেন। হেমন্তর থিয়োরি হলো, আকাশে নক্ষত্রেরা মরে যাবার বহুকাল পরেও তাদের আলো যেমন পৃথিবীতে আসে, সেভাবেই মৃত মানুষদেরও একটি বিকীরণ মহাকাশে থাকে। বিশেষ মাত্রার তরঙ্গপ্রবাহ সম্প্রচার করে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব। এবং সেটাই হেমন্ত করার চেষ্টা করছেন কিছুদিন ধরে। অনেক অঙ্ক কষেও তিনি সেই সঠিক কম্পাঙ্ক এখনও পর্যন্ত বের করতে পারেননি। উনি আমায় লিখেছেন, যদি আমি সোভিয়েত স্পেস এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করে খোঁজ নিই মীর মহাকাশযানের রেডারে পৃথিবীর বায়ুমন্ডল থেকে হেমন্তর পাঠানো তরঙ্গ ধরা পড়ছে কি না। তিন পাতা চিঠি, সেই সঙ্গে আরও পাঁচ পাতা হিজিবিজি ফর্মুলা।’

    ‘আপনি কী করলেন?’ দীনুবাবু জিজ্ঞেস করেন।–‘স্পেস এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করলেন?’

    জ্যোৎস্নাময় একমুখ ধোঁয়া ছেড়ে হাসতে শুরু করেন, তারপর কাশতে শুরু করেন। কাশির দমক সামলে বলেন—‘দেখুন কমরেড, রাশিয়ায় কিন্তু আমাদের মতো পাগলাগারদ নেই। জানেন তো? পাগলদের ওরা সাইবেরিয়ায় জঙ্গল কাটতে পাঠায়।’

    ‘চিঠিটার একটা উত্তরও দিলেন না?’

    ‘দিয়েছি, তবে ঠিক উত্তর নয়। রুশ থেকে বাংলায় আমার অনুবাদ করা দুটো কল্পবিজ্ঞানের বই পাঠিয়ে দিয়েছি।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }